
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
অনেক সুন্দর ছিল।
Was this review helpful to you?
or
বইঃইলু পিশাচ লেখকঃমোশতাক আহমেদ মর্গে লাশ কাটতে গিয়ে ইলু পিশাচে আক্রান্ত হন দিয়া। এই পিশাচ দিয়ার রক্ত খেয়ে বাচত। দিয়াকে নিষেধ করেছিল, যেন তার(পিশাচ)কথা কাওকে না বলে। কিন্তু দিয়া বলে ফেলল। যার কারণে দিয়াকে আরও কঠোর শাস্তি দেয়। শেষ প্রান্তে দিয়া কে অপারেশন করে ইলু পিশাচের হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এতে সমস্যা হয়ঃদিয়া কখন মা হতে পারবেনা। কিন্তু সত্যিকারে প্রেমিক সজিব সেটা মেনে নেয়। এর পর অপারেশন!! এখন দিয়া ও সজিব দুই সন্তানের জনক-জননী..! কিভাবে হয়েছে? প্রশ্নটির উওর পেতে বইটি অবশ্যই পড়বেন.!
Was this review helpful to you?
or
বইটার পড়ার শুরুর দিকে মনে হবে 'কী ট্রাজেডিই না লেখক লিখেছেন'; অনবদ্য লেখনি! গল্পটা যতটা না ভৌতিক তার থেকেও কয়েকগুণে বেশি উত্তেজনা আর ট্রাজেডিতে ভরপুর। একজন মেয়ে তার জীবনের জ্বালাতন কিছু সময় ব্যয় করছে একজন 'পিশাচ'এর সাথে। কিভাবে সে বুঝাতে সক্ষম হবে যে সে একটা পিশাচের কবলে আটকা পরে আছে; তার ভিতরে সে অবস্থান করছে; তার পেটে(যেখানে তার মা একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক)! ফলে তার জন্য অন্যকে বিষয়টা বুঝানো অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এটাই তার জন্য সংগ্রাম। পুরো বিষয়টা বুঝতে বইটা পড়া তাই জরুরি। ধন্যবাদ লেখককে।
Was this review helpful to you?
or
লেখক মোশতাক আহমেদ - এর “ইলু পিশাচ” বইটি অনিন্দ্য প্রকাশনী থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছে। বইটির প্রচ্ছদ করেছে ধ্রুব এষ। লেখকের জন্ম ফরিদপুর জেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি ডিপার্টমেন্ট থেকে এম ফার্ম ডিগ্রি প্রাপ্ত হন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ এবং ইংল্যান্ড এর লেস্টার ইউনিভারসিটি থেকে ক্রিমিনোলজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি নেন তিনি। তার লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে সায়েন্স ফিকশন, গোয়েন্দা এবং কিশোর এডভেঞ্চার, প্যারাসাইকোলজি, ভ্রমণ উপন্যাস, স্মৃতিকথা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখা আর ভৌতিক উপন্যাস। “ইলু পিশাচ” ও তাঁর লেখা একটি ভৌতিক উপন্যাস। বইটির প্রধান চরিত্র দিয়া, শান্ত চরিত্রের সুন্দর একটি মেয়ে। ঢাকা মেডিকেলের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী দিয়ার স্বাভাবিক জীবন যাপনের মাঝে হঠাত করেই ঘটতে থাকে অদ্ভুত সব ঘটনা। মাঝে মাঝেই কালো ধোয়ার মধ্যে হারিয়ে যেতে থাকে সে। চেহারা বিহীন ভয়ংকর একটা মুখ এসে গিলে ফেলতে চায় তাকে। বাধা দিতে গিয়েও পারেনা সে। কাউকে কিছু বলার ক্ষেত্রেও বাধা আছে। একসময় সে অনুভব করতে থাকে সে চগাড়াও তাঁর মধ্যে কেউ আছে। পরে জানতে পারে ইলু পিশাচ তাঁর উপরে ভর করেছে। আর যে মানুষের উপর ইলু পিশাচ ভর করে তাঁর একমাত্র পরিণাম মৃত্যু। এরকম ভয় আর আশঙ্কা থেকে মুক্তি পেতে সে সকলের সহায়তা চায়। কারো কাছ থেকেই কোন সহায়তা পায়না সে, বরং তাকে বেধে রাখা হয় শিকল দিয়ে। মুক্তির জন্য পাগল হয়ে উঠে সে। যে কোন মূল্যে ইলু পিশাচের হাত থেকে মুক্ত হতে চায় সে। কিন্তু কে দেবে তাকে মুক্তি? শেষ পর্যন্ত দিয়া কি মুক্তি পেয়েছিল সেই ভয়ংকর ইলু পিশাচের কাছ থেকে। জানতে হলে মোশতাক আহমেদ এর বইটি পড়তে হবে। আশা করি বইটি পাঠকের ভাল লাগবে।




