
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
"মাতাল হাওয়া" বইটির প্রেক্ষাপট ১৯৬৮-১৯৬৯ সালের উত্তাল সময়কে ঘিরে। তখন সারাদেশে গণঅভ্যুত্থানের মাতাল হাওয়া বইছে। সেই ইতিহাসকে ভিত্তি করে হুমায়ূন আহমেদ কল্পনায় সৃষ্টি করেছেন কয়েকটি দুর্দান্ত চরিত্র। শুরু থেকে সেই চরিত্রগুলোই উপন্যাসকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এরপর লেখক যোগ করেন তাঁর স্মৃতিকথা। আর তারপরই গল্প যত এগুতে থাকে ততই ইতিহাস, স্মৃতিকথা এবং কল্পনা মিশে "মাতাল হাওয়া" হয়ে ওঠে প্রলয়ঙ্কারী। 🍃
Was this review helpful to you?
or
তেমন একটা টান টান ফিল ছিলনা বইটাতে। শেষের টুকু আনেকটা দুঃখ জনক ভাবেই সমাপ্তি হয়।
Was this review helpful to you?
or
আলহামদুলিল্লাহ এক দিনের মধ্যে হাতে পেয়েছি
Was this review helpful to you?
or
দারুণ
Was this review helpful to you?
or
লেখক হুমায়ূন আহমেদ তার পুত্র নিষাদকে তিরস্কার করছেন। কারণ সে 'মাতাল হাওয়া'র পান্ডুলিপি থেকে ৮ পৃষ্ঠা লেখা নষ্ট করেছিল যেটা পরবর্তীতে কোনভাবে উদ্ধার করা যায়নি। আর আমি তিরস্কার করছি অন্যপ্রকাশকে। কারণ তারা আমার বইটি থেকে (১৯৩-২০৮) ১৬ পৃষ্ঠা লেখা গায়েব করে দিয়েছে যা নিষাদের নষ্ট করা পৃষ্ঠার দ্বিগুণ। যে বইটি আমি রকমারি থেকে সংগ্রহ করেছি। তবে অন্যপ্রকাশ কে ধন্যবাদও দিতে চাই এত চমৎকার একটি মলাটের জন্য। আমি চাই এমন মলাট আরও দু'একটা বইয়ের হোক। মাতাল হাওয়ায় লেখক তার বিখ্যাত দু'টি চরিত্র রূপা ও মিসির আলির জন্মরহস্য উন্মোচন করেছেন ১২০ ও ১৯৩ পৃষ্ঠায়। আর এভাবে উপন্যাসের মধ্যে তার নিজের কথা বলার যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন - " '৬৮ এবং '৬৯ - এর মাতাল হাওয়া আমার গায়ের ওপর দিয়ে গিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেব। উপন্যাসের কাঠামো নির্মানে এই বিষয়টা চলে না, তবে মাতাল হাওয়া কখনোই নিয়ম মানে না।"
Was this review helpful to you?
or
GOOD
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ
Was this review helpful to you?
or
nice
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ
Was this review helpful to you?
or
হুমায়ুন আহমেদের জীবনের সাথে জড়িত বইটা অনেক বেশি আকর্ষণীয়। সব বইয়ের সাথে এই বইটার প্রতিও ভালোবাসা অবিরাম ❤️।
Was this review helpful to you?
or
অসাধারন
Was this review helpful to you?
or
amazing
Was this review helpful to you?
or
🥰
Was this review helpful to you?
or
Nice book
Was this review helpful to you?
or
ending was concluded in a rush.one of the finest cover by masum rahman
Was this review helpful to you?
or
amazing novel
Was this review helpful to you?
or
a legendary book by an legendary writer
Was this review helpful to you?
or
Fine
Was this review helpful to you?
or
It was one of the best creation of Humayon Sir. Love this book.
Was this review helpful to you?
or
অনেকদিন পর খুব ভাল একটা বই পড়লাম
Was this review helpful to you?
or
Good
Was this review helpful to you?
or
Habib said, "Our house is an old house." Ancient rules of the ancient home. Access to non-masculine indoor mahal is prohibited. Nadia's body is still in such a state that she will come out and meet you. Nadia mentioned the key to your scholarship. If you leave the papers, I can try to solve the problem. Vidyut Kanti De said, "It is more important for me to meet Nadia now than to solve the scholarship problem. Habib's eyesight is sharp." He looked at the young man sitting in front of him. There is a profane stance in the young man's speech. But a very confident boy. Confidence is shining on the stars. There is a kind of raw vegetarian spirit in the eyes of the Hindus, and this is not the case. Habib said, Why is it so important to meet my daughter?
Was this review helpful to you?
or
আপনি যদি হুমায়ুন পাগল হয়ে থাকেন,তাহলে বলতে হবে,অবশ্যই এই বইটি পড়েছেন।। আর যদি না পড়ে থাকেন তাহলে খুবই হতাশাজনক ।। যাই হোক,উনি এমন একজন মানুষ যার লেখা পড়ে কখনো ক্লান্তি আসেনা।।মাতাল হাওয়া বাংলা সাহিত্যে অসাধারন পদচারণের মাধ্যমে একটি আলাদা সত্ত্বা হিসেবে ছাপ রাখতে সক্ষম বলে আমি মনে করি।। আবেগ,রোমাঞ্চ,প্রতিহিংসার রুপে তৎকালীন সমাজের একটা পূর্ণ চিত্র চোখে ভেসে ওঠে।।পড়া শেষে বলতে বাধ্য হতে হয়, "WHAT A GREAT FICTION "
Was this review helpful to you?
or
এককথায় বললে মোটামুটি। বলা যায় বইটা আমাকে আশাহত করেছে। আমি যেভাবে বইটার নাম শুনেছিলাম অর্থাৎ বইটা '৬৯ এর বর্ণনা তার সামান্যই আছে বইটাতে। অথচ উৎসর্গপত্রে লেখক আসাদকে উৎসর্গ করেছেন বা প্রাককথনে '৬৯ এর কথা বলেছেন বিশেষ তাৎপর্যের সাথে। তাই বলছিলাম বইটা পড়ে আমি হতাশ। আবার বইটার আঙ্গিক নিয়েও কেমন যেন অস্বস্তি লেগেছে। লেখক নিজেই শিকার করেছেন ( " '৬৮ ও '৬৯ এর মাতাল হাওয়া আমার উপর দিয়ে গিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেব। উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণে এই বিষয়টা চলে না, তবে মাতাল হাওয়া কখনোই নিয়ম মানে না।") উপন্যাসের ভিতরে ব্যক্তিগত কথা চলে না তবু মাতাল হাওয়ার দোহায় দিয়ে চালিয়েছেন। আমার মনে হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ঐ সময়টাকে ধরতে লেখক ব্যর্থ হয়েছেন বলেই বোধহয় নিজ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তা পূরণ করতে চেষ্টা করেছেন। তাইতো ঐসময়ের যতটুকু বয়ান পাই তার সবটুকুই তাঁর অভিজ্ঞতা। যেমন এনএসএফের গুন্ডামী, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের অবস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবস্থান ইত্যাদি। আর তাঁর নিজের অবস্থানও কেমন যেন, উত্তাল সেইসময়ও তিনি রসায়ন আর গল্পের বই পড়েই সময় কাটিয়েছেন। তবে অস্পষ্ট না রেখে নিজের অবস্থান বর্ণনা করার যে সততা তিনি দেখিয়েছেন তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এছাড়া বইয়ের যে বাদবাকি কাহিনী তা মোটামুটি কমন। প্রেম, তৃতীয়পক্ষ, কঠিন বাবা, অদ্ভূত কিছু চরিত্রের সমাবেশ, কিছু হাস্যরস ইত্যাদি। বইটা সম্পর্কে আরেকটা ইন্টারেস্টিং তথ্য হলো নাদিয়া চরিত্রটা সম্পূর্ণ বাস্তব, তাঁর সাথে করা চিঠি চালাচালি থেকেই লেখক উপন্যাসটি নির্মাণ করেন। তো পড়তে পারেন বইটা। তবে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : ১৯৬৯ এর বয়ান খুঁজতে যাবেন না, হতাশ হবেন!
Was this review helpful to you?
or
বইয়ের নামঃ মাতাল হাওয়া লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনীঃ অন্য প্রকাশ _______________________ হুমায়ূন আহমেদের বেশ কিছু বই পাঠকের কাছে খুব প্রিয় এবং সেই প্রিয় বইগুলোর মধ্যে যদি সেরা পাঁচের তালিকা করতে বলা হয় তখন অন্য বইগুলোর সাথে "মাতাল হাওয়া" বইটির নাম থাকে। মূল কাহিনী হচ্ছে একটি খুনের মামলা তার থেকেই আগমন হতে থাকে অনেক চরিত্রের। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং তার পরিনতি অনেক টুইস্ট নিয়েই বইটি ভরপুর।
Was this review helpful to you?
or
ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছেও খুব পছন্দ হয়েছে, একবসাতেই শেষ করেছি । বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং চরিত্র আছে, ইতিহাসের সংমিশ্রণ আছে, ঊনসত্তরের সেই সময়ের সাথে লেখকের নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন।
Was this review helpful to you?
or
হুমায়ুন আহমেদের সেরা উপন্যাস গুলোর একটি। যুদ্ধের আগের সময়কার কাহিনী । চরিত্রগুলো মনে থাকবার মতো। অবশ্যই পড়া উচিত
Was this review helpful to you?
or
It's a by far best book of sir. It has comedy in page but in next you'll cry....Sir has kept every secret of emotions throughout this book
Was this review helpful to you?
or
হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়।সাবলীল ঘটনার বর্ননা আর সহজ ভাষায় লেখার কারণে হুমায়ুন আহমেদের বই এর তুলনা নেই। হুমায়ূন আহমেদ একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও হুমায়ূন আহমেদ সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। হুমায়ুন আহমেদের বইসমূহ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। সত্তর দশকের শেষভাগে থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। হুমায়ূন আহমেদ এর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে।তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহ পেয়েছে অসামান্য দর্শকপ্রিয়তা। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলি ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশী না হলেও তাঁর রচিত গানগুলোও সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। তাঁর নির্মিত কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেঁটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। নবীজি (২০১২) হুমায়ুন আহমেদের অপ্রকাশিত ও অসমাপ্ত বই।
Was this review helpful to you?
or
ময়মনসিংহ জজ কোর্টের জাদরেল ক্রিমিনাল ল'ইয়ার হাবীব। নিজের মামাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত হাসান রাজা চৌধুরী এসেছে তার কাছে মামলা দিতে। কিন্তু ঘটনাচক্রে তাকে আশ্রয় নিতে হয় হাবীবের বাড়িতেই। এদিকে হাবীব সাহেবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে নাদিয়া দেশের টালমাটাল অবস্থায় ( ১৯৬৯) বাড়ি ফেরে। তাদের দুজনের দিকে তাকিয়েই হাবীব সাহেব ঠিক করেন শুধু হাসানকে বাঁচালেই চলবে না, নাদিয়ার সাথেও বিয়ের ব্যবস্থাও করতে হবে। এর মাঝেই বইয়ে চলে আসে বাইরের উত্তাল পরিস্থিতির কথা। লেখক কিভাবে সেইসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলে থেকে নিঃস্পৃহভাবে দেখেছেন সমস্ত পরিস্থিতি তার বয়ান। উঠে আসে ইয়াহিয়া সরকার ও গভর্নর মোনায়েম খানের তৎপরতার কথা, তাদের ছাত্র সংগঠন এনএসএফের কথা। এদিকে বাড়িতে আশ্রিত ফরিদকে আসামী সাজিয়ে কেস ঠিক করে ফেলেন তিনি। একদিকে যখন ফরিদকে ফাসির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে ওদিকে প্রস্তুত হচ্ছে হাসান-নাদিয়ার বিয়ের মঞ্চও। কিন্তু রঙ্গমঞ্চে বিদ্যুৎ কান্তিও আছেন যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাদিয়ার শিক্ষক এবং নাদিয়া তাকে পছন্দ করে। আবার আছে রেশমা যে পছন্দ করে হাসানকে।এমন অবস্থায় হাসানের এক সিদ্ধান্ত পাল্টে দেয় সমস্ত পরিস্থিতি। কি ছিল সেই সিদ্ধান্ত? হাসান-নাদিয়ার বিয়ে কি হবে? বিদ্যতেরই বা কি হবে? পাঠ প্রতিক্রিয়া : এককথায় বললে মোটামুটি। বলা যায় বইটা আমাকে আশাহত করেছে। আমি যেভাবে বইটার নাম শুনেছিলাম অর্থাৎ বইটা '৬৯ এর বর্ণনা তার সামান্যই আছে বইটাতে। অথচ উৎসর্গপত্রে লেখক আসাদকে উৎসর্গ করেছেন বা প্রাককথনে '৬৯ এর কথা বলেছেন বিশেষ তাৎপর্যের সাথে। তাই বলছিলাম বইটা পড়ে আমি হতাশ। আবার বইটার আঙ্গিক নিয়েও কেমন যেন অস্বস্তি লেগেছে। লেখক নিজেই শিকার করেছেন ( " '৬৮ ও '৬৯ এর মাতাল হাওয়া আমার উপর দিয়ে গিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেব। উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণে এই বিষয়টা চলে না, তবে মাতাল হাওয়া কখনোই নিয়ম মানে না।") উপন্যাসের ভিতরে ব্যক্তিগত কথা চলে না তবু মাতাল হাওয়ার দোহায় দিয়ে চালিয়েছেন। আমার মনে হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ঐ সময়টাকে ধরতে লেখক ব্যর্থ হয়েছেন বলেই বোধহয় নিজ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তা পূরণ করতে চেষ্টা করেছেন। তাইতো ঐসময়ের যতটুকু বয়ান পাই তার সবটুকুই তাঁর অভিজ্ঞতা। যেমন এনএসএফের গুন্ডামী, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের অবস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবস্থান ইত্যাদি। আর তাঁর নিজের অবস্থানও কেমন যেন, উত্তাল সেইসময়ও তিনি রসায়ন আর গল্পের বই পড়েই সময় কাটিয়েছেন। তবে অস্পষ্ট না রেখে নিজের অবস্থান বর্ণনা করার যে সততা তিনি দেখিয়েছেন তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এছাড়া বইয়ের যে বাদবাকি কাহিনী তা মোটামুটি কমন। প্রেম, তৃতীয়পক্ষ, কঠিন বাবা, অদ্ভূত কিছু চরিত্রের সমাবেশ, কিছু হাস্যরস ইত্যাদি। বইটা সম্পর্কে আরেকটা ইন্টারেস্টিং তথ্য হলো নাদিয়া চরিত্রটা সম্পূর্ণ বাস্তব, তাঁর সাথে করা চিঠি চালাচালি থেকেই লেখক উপন্যাসটি নির্মাণ করেন। তো পড়তে পারেন বইটা। তবে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : ১৯৬৯ এর বয়ান খুঁজতে যাবেন না, হতাশ হবেন!
Was this review helpful to you?
or
হাতে আসছে টাকা এক দিনে ফাঁকা দুই দিনে ধার তিন দিনে গঙ্গা পাড়। গল্প শুনবা? একটা গল্প বলব? বলতে চাইলে বলেন।আমারে গাছ ভাবছেন? ভাবছেন গাছের মতো আমিও আপনার গফ শুইন্যা মজা পাব? আমি গাছ না। এক কাঠুরের গল্প।সে কাঠ কাটতে বনে গিয়েছে।হঠাৎ তার কুড়ালটা পড়ে গেল পানিতে।মনের দুঃখে সে কাঁদছে।তখন পানি থেকে জলপরী উঠে এসে বলল,কুড়ালের জন্য কাঁদছ? এই সোনার কুড়ালটা কি তোমার?? এই গল্প আমি জানি। কাঠুরে বলল,না তখন জলপরী একটা রুপার কুড়াল তুলে বলল,এইটা তোমার? কাঠুরে বলল, না।আমার কুড়াল লোহার।তখন তার ভালোমানুষি দেখে জলপরী খুশি হয়ে তিনটা কুড়ালই দিয়ে দিল। আমি যে গল্পটা বলব সেটা এখানেই শেষ না।আরেকটু আছে। বলি? বলেন। সেই কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।হঠাৎ স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্বা শুরু করেছে। জলপরী অতি রূপবতী রাজকন্যার মতো এক মেয়েকে পানি থেকে তুলে বলল, এই কি তোমার স্ত্রী? কাঠুরে বলল,জি এই আমার স্ত্রী। জলপরী বলল,ভালো করে দেখে তারপর বলো। কাঠুরে বলল,আর দেখতে হবেনা।এই আমার স্ত্রী। জলপরী বলল,আগের বার তোমার সততা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।এখন তুমি এটা কি করলে? রূপবতী মেয়ে দেখে স্ত্রীকে ভুলে গেলে? তখন কাঠুরে বলল,আমি বাধ্য হয়ে বলেছি এইটাই আমার স্ত্রী। যদি না বলতাম, আপনি এরচেয়ে একটু কম সুন্দর আরেকটা মেয়ে তুলতেন। আমি যদি বলতাম এই মেয়ে না। আপনি সবশেষে আমার স্ত্রীকে তুলতেন এবং আগের বারের মত তিনজনকেই আমাকে দিয়ে দিতেন। আমি নিতান্তই গরিব মানুষ। তিন বউ পালব কীভাবে? এই কারণে প্রথমবারই বলেছি এটা আমার স্ত্রী। ♥ফরিদের বলা গল্পটা সফুরার সাথে সাথে আমারও খুব ভালো লেগেছে। আজই তাদের দুজনের বিয়ে হলো। বিয়ের রাতেই দুজন গল্প করছে। বিয়ের তারিখ ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সন।এই তারিখটা গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে এই দিন শেখ মুজিবুর রহমান বেকসুর খালাস পান। ফরিদ ময়মনসিংহ পাবলিক লাইব্রেরির মেম্বার। অনেক বই এনে পড়ে,একই বই যেনো দুইবার না আনা হয় সেজন্য কোন বই তার নিজের পড়ে কেমন লাগল তা ও অল্পকথায় লিখে রাখে। যেমন_ দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডার :মোটামুটি। ভারতবর্ষের ইতিহাস :খুবই বাজে। দু'টি ফুল এক বৃন্ত :ভালো।প্রেমের বই। জানবার কথা:জ্ঞানের বই।মোটামুটি। দস্যু বাহরাম:খুবই ভালো। প্রেত কাহিনী :অত্যাধিক ভালো।ভূতের। কপালকুণ্ডলা :ভাষা খারাপ।বই খারাপ।😁 পথের দাবী :খুবই সুন্দর। ♥এই বিষয়টা আমার সাথে পুরোপুরি মিল আছে।আমিও বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় অল্প কথায় লিখে রাখি। ♣"বানানো দুঃখের গল্পে যে অশ্রুবর্ষণ করে সে প্রিয়জনদের দুঃখে কখনো অশ্রুবর্ষণ করবে না।" ♣পড়াশোনা করার এই এক লাভ। আমজনতা যেটা জানবে তার চেয়ে বেশি জানা। ♣আসাদুজ্জামানের রক্তমাখা শার্ট নিয়ে কবি শামসুর রাহমান তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'আসাদের শার্ট " লেখেন।
Was this review helpful to you?
or
মিশ্রিত উপন্যাসের একটি চমৎকার উদাহরণ মাতাল হাওয়া।উপন্যাসটির কাহিনী মূলধারা থেকে বারবার চ্যুতি দেখা যায়। নিজের জীবনের অনেক কাহিনী লেখক তুলে ধরছেন মাঝেমাঝেই। উপন্যাসের পটভূমি ১৯৬৯ এর সময়কার। তখনকার দিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন কাহিনী উঠে এসেছে উপন্যাসটিতে। তৎকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় উপন্যাসের পাতায় পাতায়।
Was this review helpful to you?
or
মাতাল হাওয়া আমার কাছে ওভাররেটেড একটা বই। মাতাল হাওয়া'র কথা আমরা প্রায় ই শুনি। হুমায়ূন আহমেদ এর অন্য অনেক বই এর চেয়ে অনেক ভালো লেগেছে।
Was this review helpful to you?
or
One of the best novels of Humayun Ahmed.
Was this review helpful to you?
or
বই একদম সুন্দর অবস্থায় হাতে পেয়েছি, ধন্যবাদ রকমারি রে এরকম পরিস্থিতিতেও সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য 🌸
Was this review helpful to you?
or
মাতাল হাওয়া বইটি হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি জনপ্রিয় বই । বইটিতে লেখক খুব সহজ সরল ভাবে ঘটনাবলি উপস্থাপন করেছেন । বইটির কাহিনি আসাধারন । এই গল্পের প্রেক্ষাপট হল ঊনসত্তর । আমার কাছে বইটি খুবই ভালো লেগেছে । বইটি পড়ার সময় আমি প্রতিটি মুহূর্তে পুলকিত হয়েছি । হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা আমার খুবই ভালো লাগে । এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয় । বইটি পড়তে পারেন ,আমার মনে হয় বইটি পড়ার পর আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে...............।
Was this review helpful to you?
or
হাবীব বললেন, আমাদের এই বাড়ি একটা প্রাচীন বাড়ি। প্রাচীন বাড়ির প্রাচীন নিয়ম কানুন। অনাত্মীয় পুরুষ মানুষদের অন্দরমহলে প্রবেশ নিষেধ। নাদিয়ার শরীরের এখনো অবস্থা না যেঁ সে বাইরে এসে আপনার সাথে দেখা করবে। আপনার স্কলারশিপের কি যেন সমস্যার কথা নাদিয়া বলেছিল। কাগজপত্রগুলি যদি রেখে যান, তাহলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারি। বিদ্যুৎ কান্তি দে বললেন, স্কলারশিপের সমস্যার চেয়ে নাদিয়ার সাথে দেখা করা এখন অনেক জরুরি। হাবীবের চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ হলো। তিনি তাঁর সামনে বসা যুবকের দিকে তাকিয়ে রইলেন। যুবকের কথাবার্তার মাঝে উদ্ধত ভঙ্গি আছে। তবে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছেলে। আত্মবিশ্বাস চোখের তারায় ঝলমল করছে। হাবীব বললেন, আমার মেয়ের সাথে দেখা হওয়া জরুরি কেন? অন্যরকম লাগবে বইটি পড়লে,আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে।
Was this review helpful to you?
or
আচ্ছা এত সুন্দর একটা উপন্যাসের এত জঘন্য সমাপ্তি কি করে হতে পারে আমি ভেবে পাই না। ভাল মানুষের করূন পরিনতি যদি নিয়তি হয়, ভাল হয়ে কি লাভ? তবে উপন্যাসের গতি অসাধারণ ছিল। এবং লেখকের মাঝে মাঝে স্মৃতিচারণ উপন্যাসের ভাললাগা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে হয়েছে।
Was this review helpful to you?
or
কিছু কিছু বই আছে যা শেষ করার পর ইচ্ছে করে বালতি ভর্তি পানির মাঝে মাথাটা গুজে দেই,যাতে কেউ চোখের জল না দেখে।।। মাতাল হাওয়া এমনই একটি বই,,,১৯৬৯ সালের গনঅভুথ্যান এর সময় হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র সেই সময়কার স্মৃতিপটে এবং কাল্পনিক একটি গল্প নিয়ে বইছে মাতাল হাওয়া,,,, হুমায়ূন স্যারের বইয়ে ভালো লাগার শেষ নেই,, এখানে হাজেরা বিবি কে প্রথম প্রথম খারাপ লাগলেও পরে হাজেরা বিবিই চোখের জল আনবে,, নাদিয়া এর জন্য হয়ত একটু আর হাসান রাজা চৌধুরীর জন্য আরেকটু,,,, শেষে কি হাবিব বাদ যাবে, না। কেউ বাদ যাবেনা,,, সত্যিকার অর্থে অসাধারন,,,,হুমায়ূন আহমদ এর আরেকটি বেস্ট ঐতিহাসিক উপন্যাস,, মাতাল হাওয়া,, মাতাল করেছে আমাকে।
Was this review helpful to you?
or
Greatest novel of Humayun Ahmed I ever read. The main character of this novel os Habib who is criminal lawyer. Hasan Raza Chowdhury , Nadia, Biddut Kanti , Hajera Begum, Farid, Laili are the other characters. Simply Great.
Was this review helpful to you?
or
উনসত্তরের উত্তাল সময়কে উপজীব্য করে লেখা হয়েছে। সেই সময়ের হাওয়াকেই মাতাল হাওয়া বলা হয়েছে। খুনের মামলাকে ঘিরে কাহিনি এগোতে থাকে। নাদিয়া নামের একটি চরিত্র আছে যে অনেক স্বপ্নবিলাসী। আরেকটি চরিত্র হাজেরা বিবি। উনার কিছু কিছু কথায় না হেসে পারা যায় না। এছাড়াও আছে ফরিদ ও সীতা নামের চরিত্র। যাদের করুণ-কাহিনি উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে।
Was this review helpful to you?
or
বুক রিভিউ: "মাতাল হাওয়া" এই বইটিতে নাদিয়া নামের অসাধারণ একটি চরিত্র আছে। আমার খুব ভালো লেগেছে হাসান রেজা চৌধুরী কে।আমার যে ভালো লেগেছে শুধু তাই না বইয়ের মধ্যে জজ এর চরিত্র আছে একজনের তিনি নিজে হাসান নামের ছেলেটির সাথে হ্যান্ডশেক করে বলেছেন এই প্রথম আমি কোন আসামির সাথে হাত মেলালাম। অবাক হচ্ছেন জন আসামিকে কেন ভালো লেগেছে। গল্প টি পড়লেই বুঝতে পারবেন।
Was this review helpful to you?
or
১৯৬৯ সালকে কেন্দ্রে রেখে একটা উপন্যাস। হুমায়ূন সুলভ কিছু খেয়ালী চরিত্রের সমাবেশ। মাঝে মাঝে লেখকের নিজস্ব স্মৃতির বয়ান। সব মিলিয়ে, দারুন। নিজের চোখে দেখা ঘটনার সঙ্গে ফিকশন আর ইতিহাস মিলিয়ে চমৎকার গল্প বলার মাধ্যমে লেখক এমন একটি অবস্থা সৃষ্টি করেছেন যে বই শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত ওঠা যায় না। ইতিহাসের জটিল বিষয়কে তিনি এমন করে লিখেছেন যে অদেখা সে সময় উঠে আসে চোখের সামনে।
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ একটি উপন্যাস
Was this review helpful to you?
or
বইঃ মাতাল হাওয়া লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ ইতিহাস ঐতিহ্য আর জিবনীর মিশেলে অসাধারণ একটি উপন্যাস। উপন্যাসের একদিকে যেমন বর্ণিত হয়েছে হাবীব, নাদিয়া,হাসানদের গল্প, আবার বর্ণিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের জিবনীও। সবমিলিয়ে উপন্যাসটির তুলনা হয়না।
Was this review helpful to you?
or
মাতাল হাওয়া হুমায়ূন আহমেদের লেখা অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস । যদিও উপন্যারের পাশাপাশি ইতিহাস ও লেখকের আত্মজীবনী এসেছে লেখায় । উপন্যাসের চরিত্রে হাবিবুর রহমান তার মা তার আশেপাশের লোকজনের সাথে স্থান পেতে থাকে তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে তার শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি দে, হত্যা মামলার আসামী হাসন রাজা, ইতিহাসের নায়ক অমর শহীদ আসাদ, মাওলানা ভাষানী বেঁকে বসা চরিত্র, এন এস এফের সন্ত্রাসী কার্যকর্ম, গন মানুষ ও নেতাদের উৎকণ্ঠা আর লেখকের স্মৃতি চারণ । ময়মনসিংহ নেত্রকোনা হাওর অঞ্চলের হাওয়া বয়ে চলার মতো বয়ে চলে একটি দেশের ইতিহাসের আস্থির সময় । রাজপথে শহীদ আসাদের রক্তমাখা শার্ট নিয়ে পতাকা মিছিল, হাসন রাজার মৃত্যুদন্ড এবং নাদিয়ার নির্মম মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয় মাতাল হাওয়া ।
Was this review helpful to you?
or
এককথায় বললে মোটামুটি। বলা যায় বইটা আমাকে আশাহত করেছে। আমি যেভাবে বইটার নাম শুনেছিলাম অর্থাৎ বইটা '৬৯ এর বর্ণনা তার সামান্যই আছে বইটাতে। অথচ উৎসর্গপত্রে লেখক আসাদকে উৎসর্গ করেছেন বা প্রাককথনে '৬৯ এর কথা বলেছেন বিশেষ তাৎপর্যের সাথে। তাই বলছিলাম বইটা পড়ে আমি হতাশ। আবার বইটার আঙ্গিক নিয়েও কেমন যেন অস্বস্তি লেগেছে। লেখক নিজেই শিকার করেছেন ( " '৬৮ ও '৬৯ এর মাতাল হাওয়া আমার উপর দিয়ে গিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেব। উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণে এই বিষয়টা চলে না, তবে মাতাল হাওয়া কখনোই নিয়ম মানে না।") উপন্যাসের ভিতরে ব্যক্তিগত কথা চলে না তবু মাতাল হাওয়ার দোহায় দিয়ে চালিয়েছেন। আমার মনে হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ঐ সময়টাকে ধরতে লেখক ব্যর্থ হয়েছেন বলেই বোধহয় নিজ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তা পূরণ করতে চেষ্টা করেছেন। তাইতো ঐসময়ের যতটুকু বয়ান পাই তার সবটুকুই তাঁর অভিজ্ঞতা। যেমন এনএসএফের গুন্ডামী, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের অবস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবস্থান ইত্যাদি। আর তাঁর নিজের অবস্থানও কেমন যেন, উত্তাল সেইসময়ও তিনি রসায়ন আর গল্পের বই পড়েই সময় কাটিয়েছেন। তবে অস্পষ্ট না রেখে নিজের অবস্থান বর্ণনা করার যে সততা তিনি দেখিয়েছেন তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।
Was this review helpful to you?
or
A set of different feelings with various lessons from different angle of views. একটি খুনের মামলা নিয়ে শুরু হওয়া গল্পটির প্রকৃত আসামীর আসামী হয়ে ওঠার এবং মৃত্যদণ্ড প্রাপ্ত হওয়ার পেছনের কারণ জানতে গল্পের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নিঃসন্দেহে গল্পের প্রধান চরিত্র জনাব হাবীব (সিনিয়র উকিল)। পেশার স্বার্থে তিনি মন্দ বটে, তবে মানুষ হিসেবে তাকে ভালো মন্দের গভীর মিশ্রণ বলা যায় (ভালো খারাপে কাটাকাটি)। মাতৃভক্তি এবং কন্যাস্নেহের পাশাপাশি কপটতা, অর্থলোভ, দুরদর্শিতা এবং মৃদু মানবতা তার চরিত্রের প্রধান অঙ্গ। বিদ্যুৎ কান্তি দে (অস্থায়ী প্রভাষক-পদার্থবিদ্যা), নাদিয়া (ফিজিক্স এর ছাত্রী), হাসান রাজা চৌধুরী (প্রকৃত আসামী), ফরিদ (পুতুল আসামী) গল্পটির শক্তিশালী ধনাত্নক চরিত্রকতক হিসেবে আগত এবং প্রকৃত ঋণাত্নক চরিত্র ভাদু (মানুষরূপী পশু)। হাবীবের সহকারী প্রণব বাবুর চরিত্রে জিরো এবং ওয়ান উভয়ই প্রকাশিত, ওয়ান যদিও প্রকট। নাদিয়ার (গল্পের অন্তিমে যে প্রাণোচ্ছল চরিত্রটির পাশবিক অন্ত) সাথে লেখকের পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়েই। এরই হাত ধরে গল্পে লেখকের বাস্তব আবির্ভাব। ’৬৯ এর গণ-আন্দোলনের গন্ধ, লৌহশাসক আইয়ুব খানের ক্ষমতা ত্যাগ, কবি নির্মলেন্দু গুণ, শহীদ আসাদ প্রমুখের অস্তিত্ব গল্পে বিরাজমান।
Was this review helpful to you?
or
এটা এমন একটা উপন্যাস যে উপন্যাসের পাশাপাশি হুমায়ুন আহমেদ ১৯৬৯ সালে তার দেখা কিছু অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। অনেকটা দেয়াল উপন্যাসের মতো। যারা যারা দেয়াল উপন্যাসটি পড়েছেন তারা এই বইয়ের ধরনটি বুঝতে পারবেন। দেয়াল উপন্যাসটিতে যেভাবে ১৯৭৫ সালের কথা বলা হয়েছে, এই উপন্যাসটিতেও তেমনিভাবে ১৯৬৯ সালের কথা বলা হয়েছে। সর্বপরি এই উপ্নন্যাসটি একটি মনে রাখার মতো উপন্যাস।
Was this review helpful to you?
or
#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- মাতাল হাওয়া। লেখক- হুমায়ূন আহমেদ। ধরন- সামাজিক। পৃষ্ঠা- ২৩১। প্রকাশনী- অন্যপ্রকাশ। প্রধান চরিত্র- হাবীবুর রহমান, হাসান রাজা চৌধুরী, নাদিয়া, বিদ্যুৎ কান্তি দে, হাজেরা বেগম, লাইলী, প্রণব, ফরিদ, সফুরা, রশীদ। ময়মনসিংহের জর্জকোটের উকিল হাবীবুর রহমান। তার নামে গুজব আছে সে একবার এক গ্লাস গরুর খাটি দুধকে সেভেন আপ প্রমান করে আসামী খালাস করেছিলেন। হাজেরা বেগম হাবীবের মায়ের নাম। তাকে কিঞ্চিৎ মাথা খারাপ মনে হতে পারে কিন্তু তার চিন্তাধারা সব পরিষ্কার। হাজেরা বেগম ইচ্ছা করেই সবসময় পূত্র হাবীবকে অপমানমূলক কথাবার্তা বলেন। কিন্তু হাবীব কখনোই রাগ দেখায় না। সে ইস্পাতের মতো ধৈর্য্যের প্রদর্শন করে যায়। নাদিয়া হাবীবের একমাত্র মেয়ে। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। তার পর্দাথ বিজ্ঞানের শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি দের প্রতি দুর্বলতা আছে কিন্তু বিদ্যুৎ তার দুর্বলতাকে এড়িয়ে চলে। সম্ভবত ধর্মের বাধাই হতে পারে আসল কারন। নাদিয়া ছুটিতে বাড়িতে আসে। সেখানে তার পরিচয় হয় হাসান রাজা চৌধুরীর সাথে যিনি নিজ মামাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এবং হাবীবকে তার কেস লড়তে হবে। বইতে ফরিদ নামের আরেকটি সহচরিত্র থাকে যাকে গুরুত্বহীন মনে হলেও একটা সময় সেই হয়ে ওঠে বেশ গুরুত্বর্পূণ চরিত্র। হাবীব হাসানকে নির্দোষ প্রমান করতে কাজে নামেন। তবে এর পিছনে তার একটি উদ্দেশ্য থাকে। সে চায় তার মেয়ের সাথে হাসানের বিয়ে দিতে। কিন্তু একটা খুনীর সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে চাওয়ার কারনটা কি? হাসান কেনোই বা তার নিজ মামাকে হত্যা করতে যাবে? সেই কারনটা কি? কেনো হাসানের মামাতো বোন রেশমা সব জানার পরও হাসানকে পছন্দ করে? সর্বশেষে কি পরিণতি হয় হাসান, নাদিয়া ও বিদ্যুৎ কান্তির? মাতাল হাওয়া হুমায়ূন আহমেদের লেখা অন্যতম সেরা উপন্যাস। উপন্যাসটির পটভূমি রচিত হয়েছে স্বাধীনতা পূর্ব ৬৯সালের সময়কে কেন্দ্র করে যখন বাংলাদেশ ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানের উপনিবেশ। উপন্যাসটির সবচেয়ে ভিন্ন এবং আকর্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে এতে হুমায়ূন আহমেদ নিজ স্মৃতিকথনও ঢুকিয়ে দিয়েছেন। জানান দিয়েছেন কবে কখন মিসির আলীর আইডিয়া তার মাথায় এলো। এসেছে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ। সেইসাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থির অবস্থা এবং গুন্ডাবাহিনীর ব্যাপারও। উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের দুজন রাজনিতীবিদ রাশেদ খান মেনন এবং মতিয়া চৌধুরী সর্ম্পকে মজার তথ্য আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন গুন্ডাবাহিনী এনএসএফের কার্যক্রম বিশদভাবে এসেছে। হুমায়ূন আহমেদ টুকটাক ম্যাজিক ও হিপনোটাইজ জানতেন যা দিয়ে তিনি সামান্য বিখ্যাত হয়েছিলেন। সেসব মজার ব্যাপার সুন্দর ভাবে এসেছে। আছে আসাদুজ্জামানের গল্প যার রক্তমাখা শার্ট ছিলো সেসময়ের আন্দোলনের প্রাণ। বইয়ের কিছু প্রীয় উক্তি আমি পাঠকদের জ্ঞার্তাথে তুলে ধরছি। “সব মানুষের মধ্যেই ভালো থাকে। অতি মন্দ মানুষের মধ্যেও থাকে অতি ভালো। ভালো এবং মন্দ মিলে সমান সমান হয়”। “চোখের আড়ালে যে থাকে মানুষ তাকে দ্রুত ভুলে যায়। ব্রেইন নতুন স্মৃতি রাখার জন্য পুরোনো স্মৃতি ধুয়ে ফেলে”। “ন্যায় অন্যায় সব ভগবান করান। ভগবানের অনুমতি ছাড়া কেউ ন্যায়ও করতে পারেনা, অন্যায়ও করতে পারেনা”। মাতাল হাওয়া হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী উপন্যাস। আমার মতে এটি তার লেখা সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের একটি। এই বই যে পড়বে সে বইতে হারিয়ে যাবে তা গ্যারান্টি। বইয়ের শেষটা কিন্তু এমন যে পাঠককে বিশাল একটা নাড়া দেবে। আমি বলবো যারা এই বই পড়েননি তারা সাহিত্য জগতের সবচেয়ে সেরা, সবচেয়ে জ্বলজ্বলে একটি বই মিস করে বসে আছেন এবং তাদের জন্য আফসোসই রয়ে যায়। মাতাল হাওয়া আপনার মনকেও মাতাল করে দিবে। রেটিং- ৫.০০/৫.০০
Was this review helpful to you?
or
বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ বই গুলোর একটি। হুমায়ূন স্যার এর সব বই ই সেরা, কিন্তু তার পরেও সেরার মাঝে কয়েকটি সর্ব সেরা বই এর তালিকা তৈরি করে তাহলে এই বই অবশ্যই স্থান পাবে।
Was this review helpful to you?
or
”মাতাল হাওয়া” উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট ১৯৬৯। এই বইয়ের কাহিনীকে মোটামুটি দু'ভাগে ভাগ করা যায়। নাদিয়া-হাবীব-হাসানদের কাহিনী আর হুমায়ূনের আত্মকাহিনী। নাদিয়া-হাবীব-হাসানদের গল্প বলার ফাঁকে ফাঁকে হুমায়ূন তার নিজের দেখা অভিজ্ঞতাগুলো বর্ণনা করে গিয়েছেন। ব্যাপারটা হুমায়ূন বলেছেন এভাবে:----'৬৮ এবং '৬৯-এর মাতাল হাওয়া আমার ওপর দিয়ে গিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেব। উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণে এই বিষয়টা চলেনা, তবে মাতাল হাওয়া কখনই নিয়ম মানে না।” সেই সময় তিনি থাকতেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলে। সেইসময়কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিশেষ করে বিভিন্ন সংঘটনের ছাত্রনেতাদের নিয়ে তার অভিজ্ঞতা এবং তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনৈতিক অবস্থান আংশিকভাবে এই লেখায় এসেছে। আর প্রাসঙ্গিকভাবে এসেছে সেই সময়ের দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বর্ণনা। এনএসএফ যে সেসময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল তার কিছু চিত্র উঠে এসেছে এই উপন্যাসে। সেইসময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সম্পর্কে হুমায়ুন আহমেদের নিজস্ব মত ছিল এরকম-----ছাত্রইউনিয়ন, ...এদের ভাষা শুদ্ধ। নদীয়া শান্তিপুর ষ্টাইল। যেকোনো বিপদ-আপদে দ্রুতস্থান ত্যাগ করতে পারদর্শী। মিছিলের সময় পালাবার সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে এরা পেছনদিকে থাকে। ছাত্রলীগ, পড়াশোনায় মিডিওকার এবং বডিবিল্ডার। এদের প্রধান কাজ হলো এনএসএফ এর গুন্ডাদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইসলামী ছাত্রসংঘ, মওদুদীর বই বিলিয়ে 'দীনের দাওয়াত দেয়া' তাদের অনেক কাজের একটি। পূর্বপাকিস্তানকে হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করা, মসজিদ ভিক্তিক সংগঠন করা এদের কাজ। এনএসএফ, প্রধান এবং একমাত্র কাজ সরকারি ছাতার নিচে থেকে গুন্ডামি করা।সরকার এদের উপর খুশি। কারন এদের কারনে অন্য সঙ্গগঠনগুলো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছেনা।” অন্যদিকে নাদিয়া-হাবীব-হাসানদের নিয়ে যে গল্প, তা অনেকটা প্রচলিত। হাবীব সাহেব ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা অঞ্চলের বিশিষ্ট আইনজীবি। সেইসময়কার গভর্নর মোনায়েম খান তার আত্মীয়। তার মেয়ে নাদিয়া (অন্য নাম তোজল্লি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এবং সেখানকার শিক্ষক বিদ্যুত কান্তিকে তার ভাল লাগতে শুরু করে। হাবীব তারই মত ময়মনসিংহ অঞ্চলের আরেক বিত্তশালী জমিদার বংশীয় পরিবারের ছেলে হাসান রাজাকে একটা খুনের মামলা থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে এবং হাসানের সাথে মেয়ে নাদিয়ার বিয়েও ঠিক করে।
Was this review helpful to you?
or
এটা আসলে কোন টাইপের উপন্যাস তা বলতে পারছিনা। কারন যতটুকু জানি ঐতিহাসিক, আত্মজীবনিমুলক উপন্যাস হয় আবার এদের ছায়ায় ইতিহাসআশ্রিত বা জীবনী আশ্রিত উপন্যাসও হয় যেমন রক্তাক্ত প্রান্তর বা শ্রীকান্ত। কিন্ত এই উপন্যাসে এই দুটি উপাদানের সংমিশ্রন আছে। এ সম্পর্কে বইয়ের মাঝে স্যার খুলেই বলেছেন- "এটা যেহেতু মাতাল হাওয়া তাই গল্পের ফাকে ফাকে আমার নিজের গল্পও ঢুকবে।" সে যাইহোক, এই গল্পের প্রেক্ষাপট ১৯৬৯। তখনকার বাংলাদেশ এর অবস্থা, প্রেক্ষাপট, মানুষের সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন পরিস্থিতি, ছাত্র-ছাত্রীদের ভুমিকা বর্ণিত হয়েছে। সেই সাথে এসেছে উল্লেখযোগ্য সব চরিত্র। শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানি, তাজউদ্দিন আহমেদ, ইয়াহিয়া খান, ভুট্টো, মোনায়েম খান সহ প্রভৃতি ব্যক্তিগন। এই গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র হচ্ছেন হাবিব যিনি কঠিন আকারের ক্রিমিনাল ল'ইয়ার। সেই সাথে আছে আরও অনেকগুলো চরিত্র। এই গল্পে দেখানো হয়েছে সমাজের ভাল খারাপ মানুষগুলোর চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। একজন খারাপ মানুষের ভেতরে থাকেন একজন ভাল মানুষ আবার একজন ভাল মানুষের ভেতরে থাকেন একজন খারাপ মানুষ। এই দৃশ্যটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় মুল গল্প। সেই সাথে তৎকালীন ইতিহাস। গল্পের ফাকে ফাকে ঢুকেছে লেখকের তৎকালীন ছাত্রজীবনের একাংশ। অর্থাৎ মুহসিন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা সারা দেশের সেই সময়ের সার্বিক অবস্থা। পরিশেষে এটাই বলতে চাই মধ্যাহ্ন, দেয়াল আর এই মাতাল হাওয়া পড়েছি। সবগুলো বই ই ছিল স্বাস্থবান। হতাশ হইনি। বাকি রইল জ্যোৎস্না ও জননীর গল্প আর বাদশাহ নামদার। এগুলো মূলত ঐতিহাসিক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। ইনশা আল্লাহ আজ পড়ব বাদশাহ নামদার। আর এই দুটি বই সাথী আপা দিয়েছেন পড়ার জন্য। ধন্যবাদ উনাকে।




