
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
বইটির অনুবাদ সুখপাঠ্য নয়। আনেক আশা নিয়ে এই বইটি কিনেছিলাম, কিন্তু পড়তে যেয়ে পুরাই হতাশ। লেখক বাংলায় পড়াশোনা করেছেন দেখে আশান্বিত ছিলাম, কিন্তু উনি এই জিনিসটাই বুঝতে পারেন নাই যে শুধু কঠিন শব্দ লিখলেই সাহিত্য হয় না, আর মানুষ যদি পড়ে আনন্দ না পায় সে সাহিত্যের মূল্য কি?
Was this review helpful to you?
or
#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নামঃ ইলিয়াড লেখকঃ হোমার অনুবাদঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন জন্মান্ধ এ গ্রীক মহাকবির যে দুইটি মহাকাব্য জগদ্বিখ্যাত, তার মধ্যে এটি অন্যতম। গ্রীক পুরাণ কাহিনীকে অবলম্বন করে এ মহাকাব্য রচিত হয়েছে। এখানে মুখ্য চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে গ্রীক বিশ্বসুন্দরী হেলেনাকে। বইটিতে উল্লেখিত কাহিনীতে দেখা যায়, হেলেনাকে কেন্দ্র করে গ্রীসের দুই নগরীতে ইতিহাস বিখ্যাত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ যুদ্ধে ঝড়ে পড়ে অসংখ্য বীরের প্রাণ। গ্রীক পুরাণে উল্লেখিত কাহিনী অনুযায়ী, এ যুদ্ধে দেবদেবীরাও অনেকে অংশ নেন। ধর্মকে কেন্দ্র করে অনেক ধর্মযুদ্ধ (ক্রুসেড) দেখা গেলেও এরকম ঘটনা একেবারে বিরল। কেবল একজন মানুষের জন্য পুরো ট্রয় নগরী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এ কাহিনী আমরা সকলেই কম-বেশি জানলেও হোমারের লিখনভঙ্গী এককথায় অনবদ্য ছিল। সার্বিক বিবেচনায় বেশ ভালো লেগেছে বইটি। রকমারি লিংকঃ www.rokomari.com/book/130752
Was this review helpful to you?
or
ঈলিয়াদ মহাকাব্যের কাহিনী ট্রয় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে। ট্রয়য়ের অধিবাসীদের বলা হতো ট্রোজান। ট্রোজানদের সাথে গ্রীকদের ১০ বছরের যুদ্ধই ঈলিয়াদ মহাকাব্যের বিষয়বস্তু। জলপরিদের দেবী থেটিসের বিয়ের অনুষ্ঠানে সকল দেব-দেবীদের আমন্ত্রন জানানো হলেও যুদ্ধের দেবতা এরিসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রাগে দুঃখে এরিস বিনা দাওয়াতেই চলে আসলো। এসে বাদালো এক ঝামেলা। সে একটি আপেল রেখে গেল। আপেলের গায়ে লেখা যে সবচেয়ে সুন্দরী তারই প্রাপ্য এই আপেল। এই নিয়ে হেরা, এথেনা ও অ্যাফ্রোডেটের মধ্যে চুলছেরা অবস্থা হলো। অবশেষে জিউসের কাছে গেল সঠিক বিচারের জন্য। জিউস এক রাখাল বালককে দেখিয়ে বললো সে যাকে সেরা সুন্দরী বলবে সে পাবে আপেল। রাখাল ছেলেটির নাম প্যারিস। প্যারিস মোটেও রাখাল ঘরে জন্মায়নি। সে রাজার ছেলে। প্যারিসের জন্মের আগে তাঁর মা স্বপ্ন দেখলো, সে একটি আগুনের দলা প্রসব করছে আর তাতে ট্রয় নগ্রী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবাই সিদ্ধান্ত নিল, ছেলে জন্মাবার সাথে সাথে তাকে মেরে ফেলতে হবে। কিন্তু জন্মের পর প্যারিসের চেহারা দেখে সবার মায়া হলো। তাকে এক চারণভূমিতে ফেলে আসা হলো। এক রাখাল তাকে পেয়ে বড়ট করতে লাগলো। যাইহোক প্যারিসের কাছে এসে সমস্ত ঘটনা বললো দেবীরা। সবাই প্যারিসকে ভালো ভালো উফার দেওয়ার লোভ দেখালো। অবশেষে সে অ্যাফোডেটকে আপেলটা দিল। অ্যাফ্রোডাইট তাকে তাঁর আসল পরিচয় দিল এবং সবচেয়ে সুন্দরী নারীকে তাঁর বউ হিসেবে পাইয়ে দিতে সাহয্য করবে বলে কথা দিল। প্যারিস রাজ মহলে গিয়ে নিজের পরিচয় দিলে সবাই তাকে গ্রহন করে নিল। প্যারিস বড় হলো। গ্রীসের সুন্দরী রাজকন্যা হেলেনকে ইতমধ্যে সবাই পেতে চায়। তাদের মধ্যে একজন ওদিসিয়াস। রাজসভায় বলা হলো হেলেন যাকে পছন্দ করবে তাঁর সাথেই বিয়ে হবে। হেলেন পছন্দ করলো রাজকুমার ম্যানিলাসকে। প্যারিস এসে পৌছাল হেলেনের দেশে। সে সময় ম্যানিলাসকে চলে যেতে হলো জরুরী কাজে। এই সুযোগে প্যারিস হেলেনা পটাতে লাগলো। দেবী অ্যাফ্রোডেটই মূল কাজ করে দিয়েছিল। হেলেনকে ভুলিয়েভালিয়ে বিয়ে করে ট্রয় নগরীতে নিয়ে আসলেন। সাথে কোষাগারে থাকা সব ধনরত্নও। ম্যানিলাস ফিরে এসে হেলেন ও সম্পত্তি না পেয়ে রেগে গেলেন। হেলেনকে ফিরিয়ে আনতে গ্রীস ও ট্রোজানদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ট্রোজানদের মধ্যে ছিলেন মহান বীর হেক্টর। গ্রীকদের ছিল দেবীর পুত্র আকিলেস। আকিলেসের জন্মের পর তাঁর মা তাকে দেবতাদের সমুদ্রে ডুব দেওয়ায় অমরত্বের আশায়। কিন্তু অমরত্ব না পেলেও তাঁর শরীরে মানুষের আঘাতে কিছুই হতোনা। কিন্তু আকিলেসের পায়ের গোড়ালি ধরে ডুব দেওয়ালে গোড়ালী ভেজানো হয়নি। ফলে তাঁর একমাত্র দূর্বল জায়গা হয়ে রইলো পায়ের গোড়ালি। শুরু হলো যুদ্ধ। গ্রীকদের সাথে ট্রোজানরা পেরে উঠছিল না। ট্রয়ের বিভিন্ন শহর দখল করে সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে গেল গ্রীক বীরেরা। তাদের মধ্যে একজন পূজারীর কন্যা। তাকে নিয়েছিল গ্রীকদের সর্দার আগামেনন। পূজারী আগামেননের কাছে মেয়েকে ভিক্ষা চাইলে পুজারীকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। পূজারী দেবতাদের কাছে বিচার দেয়। ফলে গ্রীকদের মধ্যে দেবতারা একটি রোগ ঢুকিয়ে দেয় এবং অনেকে সৈনিক রোগেই মারা যায়। এই নিয়ে আকিলেসের সাথে আগেমেননের ঝগড়া হয়। অবশেষে আগেমেনন পূজারীর কন্যাকে ফেরত দিতে রাজী হয়। তবে শর্ত হলো আকিলেসের স্ত্রীকে আগেমেননকে দিয়ে দিতে হবে। ফলে রাগে আকিলেস যুদ্ধ বর্জন করে। দুই দলের লাক্ষো লাক্ষো মানুষ শহীদ হওয়ার পর তাঁরা একটি চুক্তি করলো। প্যারিসের সাথে গ্রীকদের যেকোনো একজন লড়াই করবে। প্যারিস জিতলে হেলেন সহ সকল সম্পত্তি তাঁর আর গ্রীক বিরদের কেউ জিতেলে সব গ্রীকদের ফিরিয়ে দিতে হবে। যুদ্ধ শুরু হলে প্যারিস যখন পরাজিত হবে সে সময় দেবী তাকে লুকিয়ে ঘরে নিয়ে গেল। আবার যুদ্ধ শুরু হলো। এরপর বীর হেক্টর আবার তাঁর সাথে একজনকে যুদ্ধের আহব্বান করলো। গ্রীকরা মেনে নিল। দুজনার যুদ্ধ শুরু হলে দেবতাদের সাহায্য নিয়ে হেক্টর গ্রীক বীরকে মেরে ফেললো। এই বীর ছিল আকিলেসে বন্ধু। অন্যায়ভাবে বন্ধুর মৃত্যুতে আকিলেসে রেগে আবার যুদ্ধ যোগদান করলো। আকিলেস হেক্টরকে পরাজিত করলো। প্যারিসের ছোরা একটি তীর এসে লাগলো আকিলেসের পায়ের গোড়ালিতে। মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লো আকিলেস। এরপর ওদিসিয়াসের চাতুর্য্য ও অভিনব বুদ্ধিতে গ্রীকরা ট্রোজানদের পরাজিত করলো। এভাবেই শেষ হয় ঈলিয়াদের কাহিনী।




