
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
good
Was this review helpful to you?
or
best
Was this review helpful to you?
or
বইয়ের নাম : শেষের কবিতা লেখক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট ১৩ টি উপন্যাস রচনা করেন। তার মধ্যে "শেষের কবিতা" অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। মূল চরিত্র অমিত, লাবণ্য, শোভনলাল এবং কেতকী এদের প্রেমময় সময় গুলো কে যুগলবন্দি করে রাখার ইচ্ছেগুলোকে কবি সমর্পণ করেছে তার 'শেষের কবিতায়'। ভালোবাসার নির্মম সত্যটুকু তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। কাউকে ভালোবাসা মানে এই না যে তাকে সারা জীবনের জন্য সঙ্গী হিসেবে পেতেই হবে। সারা জীবনের জন্য সঙ্গী হিসেবে না পেয়েও হাজার মাইল দূরে থেকে ভালোবাসা যায়। কেতকীর সঙ্গে অমিতের সম্পর্ক ভালোবাসারই,কিন্তু সে যেন ঘড়ায়-তোলা জল,প্রতিদিন তুলবে,প্রতিদিন ব্যবহার করবে। আর লাবণ্য'র সঙ্গে অমিতের যে ভালোবাসা তা হলো দীঘি; যা ঘরে আনবার নয়। লাবণ্য অমিতের সংস্পর্শে এসে সে শোভনলালকে পেল- অমিত কে বিদায় দিল। অমিতও লাবণ্য কে ধরে রাখল না, কারণ বন্যাকে ধরে রাখা যায় না। লাবণ্য অমিতের সমস্ত পৃথিবীর রুপ বদল করে চলে গেল। অপরদিকে অমিত লাবণ্যর অন্তরালে কেতকীকে দেখতে পেল। অথচ লাবণ্য থাকলো দূরে- বহুদূরে। দুজনেই দুজনের কাছে সত্য হয়ে রইল। সর্বোপরি বলা যায় যে প্রেমের দুটি স্বরুপকে খুব স্পষ্ট করে উপস্থাপন করা হয়েছে 'শেষের কবিতা' উপন্যাসে।
Was this review helpful to you?
or
বইয়ের ভাষা গুলো বোঝা খুবই কঠিন।
Was this review helpful to you?
or
best
Was this review helpful to you?
or
Good
Was this review helpful to you?
or
Onk valo chilo. R apnader delivery system tao onk valo.
Was this review helpful to you?
or
Faltunath
Was this review helpful to you?
or
ও
Was this review helpful to you?
or
লাব্যণের কৌতূহল আর বাধ মানল না, জিজ্ঞাসা করে ফেললো, “লাইন কী-বলুন না।” “For God’s sake, hold your tongue and let me love!” লাবণ্যের বুকের ভিতরা কেঁপে উঠলো। বিশ্বকবি, কবিগুরু, মননের গুরু, আমার রবি’দা উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’র একটি অংশ বিশেষ এটি। অমিত-লাবণ্যের প্রেমময় সময়গুলোকে যুগলবন্দী করে রাখা ইচ্ছেগুলোকে কবিগুরু সমর্পণ করেছেন তাঁর ‘শেষের কবিতায়।’ আমি বারবার শৈল্পিক মুগ্ধ হয়ে পড়ি রবি’দার শব্দে, উঁনার গল্পে। এতো চমৎকার প্রেক্ষাপট আর যুগলবন্দীতে আমি যেন অকপটে রাখতে থাকি সময়ের সাথে। বইটি শুরু হয়...... উপন্যাস শুরু হয় নায়ক চরিত্রের অমিত রায়কে দিয়ে, যার বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার। অমিত রায়-ও নিজের বাবার মতো ব্যারিস্টার। অক্সফোর্ড এর ছাত্র, পড়াশোনার পার্ট মোটামুটি চুকিয়ে অমিত ফিরে আসে দেশে। তারপর দেশে আসার পর শুরু হয় বিয়ের তোড়জোড়! অমিতের পরিবার বেশ ভাল ভাবে ধরে অমিতকে বিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু বিয়ের ইচ্ছা থাকলেও বিয়ে করতে ঠিক রাজি নয় অমিত। কারণ বিলেতে পড়াশোনা করে আসলেও অমিতের মত সুক্ষ্ম আর মার্জিত রুচিবোধের ছেলের বিয়ে করার জন্য মেয়ে ঠিক পছন্দ হয়না। অমিতের আশেপাশে অবশ্য মেয়েদের ভীড় কম নেই। তবে এরা সবাই আধুনিক হওয়ার এতো কম্পিটিশনে নেমেছে যে অমিত ঠিক নিজের মনের মানুষটাকে খোঁজে পাচ্ছিলনা।অন্যদিকে অমিতের দুই বোন ‘সিসি’ ও ‘লিসি’ নাম শোনে বুঝে নেয়া যায় এরা কোন পর্যায়ের আধুনিক! ভাইয়ের ঠিক উল্টো! আধুনিকতার ছোঁয়ায় এদের যেন ঠিক মতো চিনতে পারেনা অমিত রায়। যাইহোক, ভাগ্যের কোন এক যোগসূত্রে অমিত ঘুরতে যায় শিলঙ পাহাড়ে। বিষন্নতায় কাটল অমিতের কিছুটা দিন শিলঙে। তারপর.... দেখা হয় ‘লাবণ্যের’ সাথে! রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসে যার নাম লাবণ্য, বুঝে নেয়া যায় সে কতটা লাবণ্যময়ী! অমিত আর লাবণ্যের পরিচয় পর্বটা বেশ মনোমুগ্ধকর, চলচ্চিত্রের অংশের মতো। ধীরে ধীরে ভাল লাগার সৃষ্টি হয় অমিতের মনে লাবণ্যের জন্য আর সেটা প্রকাশ করতেও দেরী করেনা সে। লাবণ্যের মনে যে ভাল লাগা ছিলনা তা বলা যায়না তবুও কোন এক অজানা ভয় ছিল লাবণ্যের মনে... কি ভয়? ভয়টা কি যথার্থ? লাবণ্যের বাবা অবনীশ দত্তের ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে প্রায়ই পড়তে আসে শোভনলাল। সেখান থেকেই লাবণ্যের প্রতি ভালবাসাটা জন্ম নেয় শোভনলালের। অবনীশ দত্তের অবশ্য বেশ পছন্দ শোভনলালকে। অবশ্য নিজের মতামত মেয়ের উপর চাপিয়ে দেয়ার মানুষ নন অবনীশ। শিলঙ পাহাড়ে যোগমায়ার বাড়িতে এসে হঠাৎ উপস্থিত অমিতের বোন সিসি, সাথে আসে ‘কেতকী।’ যোগ পরিবর্তন আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় নামটা এমন অদ্ভুত রূপ নেয়। তারপর....... কাহিনী বদলে যায় হঠাৎ করে! কেতকীর আগমনে হঠাৎ করেই কোথায় চলে যায় লাবণ্য? আর কেনই কেতকীর মত মেয়ের চোখে নেমে আসে আবেগের জল? কি হয় অমিতের? আর শোভনলাল, কি হয় সেই জ্ঞানপিপাসু শোভনলালের? নিজের ব্যক্তিগত পাঠ প্রতিক্রিয়ায় ‘শেষের কবিতা’ বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ। বাংলা সাহিত্যে রোমান্সে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। আর, তার রোমান্টিক উপন্যাসের মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় আর পাঠক-নন্দিত হলো ‘শেষের কবিতা’। শেষের কবিতার কিছু লাইন আপনাকে দিবে দর্শনের পূর্ন প্রান, আর কিছু লাইন আপনাকে ভাসাবে রোমান্সের সাগরে। শেষের কবিতা উপন্যাসে রবি ঠাকুরের অসাধারণ কিছু উক্তি আছে, আছে কিছু অসাধারণ চিত্র বর্নণা। যেমনঃ (ক) কমল-হীরের পাথরটাকে বলে বিদ্যে, আর ওর থেকে যে আলো ঠিকরে পড়ে, তাকে বলে কালচার। পাথরের ভার আছে, আলোর আছে দীপ্তি। (খ) সায়াহ্নের এই পৃথিবী যেমন অস্ত-রশ্মি-উদ্ভাসিত আকাশের দিকে নিঃশব্দে আপন মুখ তুলে ধরেছে, তেমনি নীরবে, তেমনি শান্ত দীপ্তিতে লাবণ্য আপন মুখ তুলে ধরলে অমিতের নতমুখের দিকে। (গ) সেইখানে পশ্চিমের দিকে মুখ করে দুজনে দাঁড়ালো। অমিত লাবণ্যের মাথা বুকে টেনে নিয়ে তার মুখটি উপরে তুলে ধরলো। লাবণ্যের চোখ অর্ধেক বোজা, কোণ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। শেষের কবিতা, যে উপন্যাসের কোনো শেষ নেই; সাহিত্যপ্রেমীদের এবং সব প্রেমপোষণকারীদের রবি’দার এই অমর অনবদ্য প্রেমকাহিনী পড়ার সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি…
Was this review helpful to you?
or
বাংলা সাহিত্যের রোমান্সে রবীন্দ্রনাথের প্রভাবের জুড়ি নেই। শেষের কবিতাও তার এক অনন্য সৃষ্টি। কাহিনীর পটভূমির বেশিরভাগ রচিত হয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলঙে। লাবণ্য আর অমিতের হাত ধরে কখনও ফুটে উঠেছে দর্শন শাস্ত্র , কখনওবা অতি আবেগের উত্তপ্ত দুটি লাইন। বাবার যোগ্য পুত্রের ন্যায় , বাবার মতো ব্যারিস্টারি পড়াশুনা শেষ করে অমিত। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করে দেশে ফিরে আসে সে। পরিবারের সবাই অমিতকে বিয়ের জন্য জোর করতে থাকলেও, অমিত বিয়ে করতে পারে না। কারণ সে যে এখনও তার মনের মানুষ খুঁজে পায়নি। এমনই এক সময় শিলঙে পরিচয় হয় এক মেয়ের সাথে, নাম লাবন্য। ধীরে ধীরে তাদের একে অপরকে ভালোলাগা শুরু হয়। মাঝে মাঝে লাবণ্যকে ইংরেজি কিছু কবিতার লাইন শুনাতো অমিত। For God’s sake, Hold your tounge and let me love. (The Canonization, John Donne ) লাবণ্যের বাবার লাইব্রেরিতে মাঝে মাঝে আসত শোভনলাল। সেও লাবন্যকে ভালোবাসত। তেমনি অমিতের বোন সিসির সাথে কেতকী যখন আসে তখন থেকেই মোড় নিতে থাকে কাহিনী। লাবন্য বুঝতে পারে না যে অমিত কি তাকে সত্যীই ভালোবাসে। নাকি এটা তার সাময়িক ভালোলাগা। শেষটায় কি হয়েছিল???




