User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Shohag

      08 Jan 2026 12:44 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      I like the book. It’s really enjoyable. Happy reading!

      By Md Nobi Hossain

      13 Jan 2025 09:40 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ একটা বই।একদিনেই পড়ে শেষ করলাম।ধন‍্যবাদ রকমারি।

      By Ishfak

      26 Aug 2024 10:50 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Dr. Asif Nazrul-এর লেখা 'পিএইচডির গল্প' বইটা শেষ করলাম। খুব অল্প কথায় যদি বলি বইটা উনার আত্মজীবনীমূলক একটা বই এবং এই ক্যাটাগরিতে আমার পড়া অন্যতম সেরা একটা বই। মানুষের জীবন যে কত উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পার হয় সেটা খুব ভালোভাবে বোঝা যায় বইটা পড়লে। বইটার শুরুর অংশ এবং শেষের অংশ এক কথায় অনবদ্য। পার্সোনাল রেটিং- ৯/১০

      By 880****999

      12 Aug 2024 04:13 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      An extraordinary self reflection from an extraordinary man! Exemplary work 💯

      By shonali

      13 Apr 2024 02:31 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটির প্রতিটি বাঁকে বাঁকে রয়েছে তিলে তিলে নিজেকে তৈরি করার গল্প।রয়েছে দৃষ্টিকে গভীর এবং দূরদর্শী করার শিক্ষা।

      By MAHEDI MORSHED DHRUBO

      03 Dec 2023 12:15 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      প্রত্যেকেরই তো জীবনের গল্প থাকে। এই বইয়ে আসিফ নজরুলের গল্প আছে। উনি যে এত মেধাবী ছাত্র ছিলেন তা আমার জানা ছিলো না এবং এতশত নামকরা মানুষের সাথে যে উনার পরিচয় তা জেনেও অবাক হয়েছি। তিনি জীবনের দৌড়ে যতবার ভালোবাসার সম্মুখীন হয়েছেন সেটাও এ বইয়ে অবলীলায় ব্যক্ত করেছেন সাথে পি.এইচ.ডি সংগ্রাম! সবমিলিয়ে বলবো যদি আপনি ব্যক্তি আসিফ নজরুল কে পছন্দ করে থাকেন তবে অবশ্যই এই বইটিও ভালোই লাগবে...

      By Muhammad Kefayet Ullah

      11 Mar 2023 07:52 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ একটি আত্মজীবনীমূলক বই। বেশ প্রাঞ্জল ও রম্য রসাত্মক লেখনীর মাধ্যমে স্যার তাঁর পিএইচডি জার্নি সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন এই বইতে।

      By TARIQUL ISLAM

      07 Sep 2022 05:00 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      I liked this book. The book could be bigger, Thanks

      By Sammo Preonty

      26 Aug 2022 03:58 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Masterpiece 💖

      By Md. Abdul Kadir

      06 Aug 2022 09:24 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      চমৎকার লেখা। ভালো লেগেছে।

      By Md. Hassan Shahriar

      03 Aug 2022 01:42 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      good

      By Pijus Ch Dey Dipu

      03 Aug 2022 12:06 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      আমি পিএইচডি শিক্ষার্থী নই। কিন্তু কৌতূহলী পাঠক। তাই পড়ে ফেললাম আসিফ নজরুল স্যারের পিএইচডি'র গল্প। ভালোই লাগলো। মনে হ'লো এক সাদামাটা কিশোরকে যেনো চোখের সামনে এক চিলতে আসিফ নজরুল হয়ে উঠতে দেখলাম। সরকারি চাকুরীজীবী বাবার সংসারের টানাপোড়েন, বাবা মায়ের বিদ্যাশিক্ষার প্রতি দারুণ টান, তুলনামূলক অনাদরে বেড়ে ওঠা এক মুখচোরা কিশোরের এসএসসি পরীক্ষায় দেশসেরা (স্ট্যান্ড করা) ফলাফল করেও উচ্ছ্বাস প্রকাশের সংকোচ আর পারিবারিকভাবে উদযাপনের ঔদাসিন্যের পাশাপাশি পরের বছর ধনী পরিবারের মামাতো ভাইয়ের প্রথম বিভাগ অর্জনে উদযাপনের আতিশয্য, কিশোর মনের নানাবিধ অভিব্যক্তি - সব মিলিয়ে যেনো সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যদিনের সংকটের প্রতিচ্ছবি। এছাড়াও প্রবল আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান একজন লেখক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় তরুণ শিক্ষকের বিলেতে পিএইচডি প্রোগ্রামে গিয়ে খাবি খাওয়ার বিভিন্ন টুকরো ঘটনা পাঠককে নিশ্চয়ই কিছুটা মজা দিবে। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, অচেনা মানুষের ভীড়ে চেনা কিছু মানুষের অচেনা রূপ, চেনা ও অচেনা মানুষের অযাচিত ভালোবাসা সব মিলিয়েই ছোট্ট আয়তনের এই গল্প লেখকের স্মৃতিচারণেরই মলাটবদ্ধ সংস্করণ। জীবন বহতা নদীর মতো। তাইতো এতসব সঙ্কটের মধ্যেও লেখক হঠাৎ করেই বিয়ে করেন তাঁর প্রিয় একজন ছাত্রীকে। যদিওবা নানান সংকটে তা বেশিদিন টেকেনি। কিন্তু শেষ অবধি এমনকি পারস্পরিক বিচ্ছেদের পরেও তাদের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও অনুভূতির প্রাবল্য নিঃসন্দেহে আমাদেরকে প্রতিটি সম্পর্কের প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষাই দেয়। লন্ডনে থাকাকালীন লেখকের বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমরা সেখানকার জীবনযাপনের একটি খেরোচিত্র পাই। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, বুয়েটের অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত স্যারের রেফারেন্সে পিএইচডি'র ৬ রকম প্রকারভেদঃ ১. জালিয়াতি ২. তেজারতি ৩. খয়রাতি ৪. মারফতি ৫. মেহনতি ও ৬. তেলেসমাতি; এবং এই প্রত্যেক ধরনের পিএইচডি সম্পর্কে বেশ মজাদার বিশ্লেষণ যা একইসাথে রসব্যঞ্জক, বাস্তবধর্মী ও কিছুটা শ্লেষাত্মক। এর বাইরে বাংলার অন্যতম দিকপাল লেখক হুমায়ুন আহমেদ স্যারের সাথেও তাঁর সম্পর্কের এক ঝলক এই লেখায় দৃশ্যমান হয়। তবে লেখাটি আরও একটু গোছানো হতে পারতো। পিএইচডি'র গল্পে জীবনের অন্যান্য গল্প বেশ কিছু জায়গা নিলেও তা খুব বেশি অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়নি। এসব গল্পের ভীড়ে নিজের লেখকসত্তার ছোট্ট কিছু বিজ্ঞাপন, বিচিত্রার কল্যাণে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচিতি ও প্রভাব, বিনা আয়াসে সিভিল সার্ভিস তথা প্রশাসন ক্যাডারে চাকুরি লাভ ও যৎসামান্য কারনে কোনপ্রকার অবলম্বন ব্যতীত তা পরিত্যাগের উল্লেখ, সমকালীন অনেক গণ্যমান্য'র প্রতি তাঁর ঈষৎ ক্ষোভ তথা তাচ্ছিল্যবোধ ইত্যাদি গল্পের কলেবর বাড়ালেও কিছুটা ধারাবাহিকতা নষ্ট করেছে এবং এসব উপস্থাপনার ধরন লেখকের ব্যক্তিত্বের মহিমাকেই বেশ খানিকটা খর্ব করেছে বলে পাঠক হিসাবে আমার মনে হয়েছে। অবশেষে নানারকমের বাঁধা বিপত্তি কাটিয়ে উদয়াস্ত পরিশ্রমের দামে বহু আকাঙ্ক্ষিত পিএইচডি ডিগ্রি লেখক অর্জন করেন। আর তাঁর এই অর্জনের গল্প পড়ে আমরা সাধারণ পাঠক পিএইচডি'র শানে নজুল সম্পর্কে খুব বিস্তারিত কোন ধারণা না পেলেও ব্যক্তি আসিফ নজরুলের বেড়ে ওঠা ও বড় হয়ে ওঠা সম্পর্কে একটা স্থুল ধারণা পাই। ২০২১ এর ফেব্রুয়ারিতে বইটি প্রকাশ করেছে সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা বাতিঘর। সব্যসাচী হাজরা'র প্রচ্ছদে ১২০ পৃষ্ঠার এই বইটির মুদ্রিত মূল্য ২৫০ টাকা।

    • Was this review helpful to you?

      or

      লেখক কতটা প্রতিকূলতার মাঝে পি.এইচ.ডি অর্জন করেছিলেন, তার বিশদ বর্ণনা রয়েছে বইটিতে। খুব ভালো লাগেনি।

      By Fahmida Lubna

      26 Mar 2022 09:30 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      পড়তে শুরু করার পর থেকেই আসিফ নজরুল স্যারের লেখা পছন্দ করতাম। তবে বেশিরভাগই খুচরো লেখা পড়া হয়েছে। আমার মনে হয় 'পিএইচডির গল্প' স্যারের সব লেখাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। সাধারণ পরিবারের অতি সাধারণ এক তরুণ নজরুল ইসলামের Asif Nazrul হয়ে উঠার গল্পটা সত্যিই অসাধারণ। টকশোতে, সংবাদপত্রের কলামে আমরা যে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব দেখি, তিনিও যে জীবনের কোন এক সময় হতাশ হয়েছেন, হোঁচট খেয়েছেন, দুঃখে আকুল হয়ে কেঁদেছেন তা এই বই না পড়লে হয়তো বিশ্বাসই করতাম না। নামের আগে ডক্টর যোগ করতে ঠিক কতখানি ত্যাগ, পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাসের দরকার তার হিসেব কেই বা রাখতে যায়। ঢাকার লালবাগ থেকে লন্ডন হাউজ, আইন বিভাগের বারান্দা থেকে সোয়াস; এত ছোট পরিসরে এত সাবলীল পিএইচডির গল্প, মুহুর্তগুলোকে চোখের সামনে নিয়ে আসছিলো। আমাদের আমুদে বোরহান স্যারকে মফস্বলের ছেলে রানারূপে দেখাও ছিলো একটা বোনাস। আমি নিজে আত্মজৈবনিক লেখার ভক্ত। কারণ আমার কাছে মনে হয়, আত্মজৈবনিক বইয়ের মাধ্যমে মানুষের আত্মার সাথে পরিচয় ঘটে। এই বই পড়ে মনে হয়েছে এটা হয়তো আমাদের আশেপাশের আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদেরই গল্প। স্যার এরকম বই আরো লিখবেন এই প্রত্যাশাই রাখি।

      By Kaniz Suchona

      17 Mar 2022 03:41 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ লেগেছে বইটা। শেষ হয়ে যাওয়ায় আফসোস হচ্ছে এত তাড়াতাড়ি কেনো শেষ হয়ে গেলো.....

      By Monir Ahmed

      14 Mar 2022 11:16 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ!❣️

      By Foysal Hossain

      09 Mar 2022 12:55 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Well written!

      By Somoy Farhan

      07 Mar 2022 10:01 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      It’s really a inspiring story.I really enjoyed it.It’s a very relatable story for middle class family students.I think Asif Nazrul is a must read writer.

      By Mohammad Abdul Momin

      19 Feb 2022 08:13 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Good

      By Ishaque Kader Zedan

      13 Feb 2022 03:47 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ বই। মুক্তঝরা লেখনী

      By Sabbir

      28 Jan 2022 07:01 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      গ্রন্থটি শুধুমাত্র পিএইচডি নিয়ে না, যেমনটা আমি ভেবেছিলাম। এটা আসলে তার আত্মজীবনী তার পিএইচডি লাইফের। কিভাবে তিনি বেড়ে উঠেছেন, কেনই বা গেলেন লন্ডনে পিএইচডি করতে, আর সেটা করতে গিয়ে কিভাবে তার জীবন পরিবর্তিত , আবর্তিত হয়েছে তার সাহিত্যক বর্ণনাই এই গ্রন্থ। কেও শুধু পিএইচডি ডিগ্রির আদ্যোপান্ত জানার জন্য গ্রন্থটি ক্রয় করলে হতাশ হবেন হয়তো। তবে আমার কাছে আসিফ নজরুল এর ব্যক্তি জীবনও অনেক কৌতুহলোদ্দীপক লেগেছে। যারা তাকে আরেকটু গভীরে জানতে চান তাদের জন্য এটি তার একটি অকপট জীবণবিবরণী।

      By Md. Ibrahim Hossain

      21 Jan 2022 01:56 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ❤️❤️❤️

      By obaidul

      27 Dec 2021 11:43 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Lovely

      By MD. FARUK HOSSAIN

      13 Dec 2021 11:23 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Captivating 💖

      By Sakib Al Hasan

      06 Dec 2021 08:51 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আসিফ নজরুল স্যার ছোট বেলায় বোকা ছিলেন ওনাকে দেখলে বুঝাই যয় না, ওনার পিএইচডির গল্পটা সত্যিই রোমাঞ্চকর আর সবচেয়ে মজার বেপার হলো ওনার মাথার চুল কমে যায় পিএইচডি করতে গিয়ে, ওনি যে বিসিএস দিয়ে ম্যাজিট্রেট হয়েছিলেন যা আমার অজানা ছিল, এমন আরো অনেক কিছু জানতে পারবেন এই বইটি পরলে। এই বইটি শুধু পিএইচডির গল্পই বলবে না ওনার জীবনের চড়াই উৎড়াইয়ের গল্পও বলবে। সবমিলিয়ে খুবই ভালো লেগেছে বইটি পড়ে, বইয়ের সাথে হোক জীবনের পথচলা।

      By Morshed Alam

      13 Nov 2021 12:58 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #বুকরিভিউ বইঃপিএইচডির গল্প প্রকাশনীঃবাতিঘর অধ্যাপক আসিফ নজরুলের "পিএইচডির গল্প" একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ,যেখানে একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের ঘটনাবলি বর্ণনা করা হয়েছে। পুরান ঢাকার একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করা এ শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বিলাতে উচ্চশিক্ষা অর্জনে বাঁধা সমূহ এবং উত্তরণের বাস্তবতা বলা হয়েছে। আশির দশকে তিনি সাপ্তাহিক বিচিত্রায় সাংবাদিক ছিলেন।এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকুরি করেছেন মাত্র এক মাস,পরবর্তীতে চবি হয়ে ঢাবিতে আইন বিভাগে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত হয়েছেন।লেখালেখি করার সুবাদে তার মাঝে যে আত্নহংকার এসেছিল তা বেশিদিন টিকতে পারিনি।আমাদের দেশের কথিত মেধাবী শিক্ষার্থীরাও ইউরোপীয় শিক্ষাব্যবস্থায় যেভাবে খাবি খেতে থাকে তা নির্মমভাবে বর্ননা করা হয়েছে। ১২০ পৃষ্ঠার এ বইতে প্রথম ৭০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ব্যক্তিগত জীবনালাপ,পরবর্তী ৫০ পৃষ্ঠায় একাডেমির ডিগ্রি অর্জনের অভিজ্ঞতা বিবৃত হয়েছে।আন্তর্জাতিক পানি আইন বিষয়ে গবেষণা করতে কমনওয়েলথ বৃত্তি পেয়ে তিনি লন্ডন শহরে থিতু হন।তার সুপারভাইজার ছিলেন ফিলিপ নামের এক ব্রিটিশ ভদ্রলোক যিনি বাংলাদেশ-মায়ানমার সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির আমাদের পক্ষের একজন পরামর্শক। এ বইয়ের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা এর কলেবর,কলেবর ছোট করতে গিয়ে স্যার তার একাডেমিক বিষয়বস্তু কম উল্লেখ করেছেন।তিনি যে তিনটি হাইপোথিসিস দাঁড় করিয়েছিলেন,পরবর্তীতে কি কি সংশোধনী আনতে হয়েছিল, এ বিষয়ে কিছুই উল্লেখ নেই।বাংলাদেশ ও ভারতে তথ্য সংগ্রহ করতে তিনি কি কি প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হয়েছেন সেটিও অনুপস্থিত। তাঁর গবেষণার মেথডলজি কি ছিল,গঙ্গা পানি চুক্তিতে যেসব সীমাবদ্ধতা ছিল সেগুলি উল্লেখ থাকলে,যারা ভবিষ্যতে গবেষণা করতে ইচ্ছুক তারা উপকৃত হতে পারত। "তুই তো একটা কুতুবউদ্দিন।তুই লন্ডনে আইলি ক্যামনে?" এমন উক্তি পাঠকতে হাসাতে বাধ্য। "পড়তে পড়তে প্রায় পাগলের দশা হলো আমার।সপ্তার পর সপ্তা ঘরে থাকতাম বন্দী থাকতাম খাওয়ার কথা ভুলে যেতাম কখনো কখনো" এমন অধ্যবসায় ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত করবে। আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষায় গবেষণার প্রতি আগ্রহ অনেক কম।এ বইটি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহী করতে সক্ষম।

      By Khaled Muhammad

      21 Oct 2021 12:04 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      The book is a good reading. The narrative style and simple language will attract you to the end.

      By Zakaria Habib

      14 Oct 2021 08:29 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Like a super-hit cinema but real!!!!

      By Eyamin Hossain

      06 Oct 2021 09:43 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      আসিফ নজরুল স্যারের পিএইচডির গল্প গ্রহন্থটি শুধু তার শিক্ষাজীবন বা পিএইচডির অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা না। এই বইটি লেখক তার পুরো জীবনের স্মৃতিচারণ স্মরণ করেছেন। তার বৈচিত্র্যময় জীবনে রয়েছে অসাধারণ কিছু অভিজ্ঞতা এবং নির্মম কিছু বেদনা যে গুলো তিনি বইটিতে প্রকাশ করেছেন। এই বই থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। পাঠকগণ বইটি পড়ার সময় লেখকের আবেগ এবং অনুভূতি অনুভব করতে পারবেন। ব্যক্তিগতভাবে বইটি আমার খুব ভালো লেগেছে। সর্বস্তরের পাঠকদের এ বইটি ভালো লাগবে বলে আশাবাদী...

      By ABU MOHAMMAD YOUSUF BIN AHAMMAD

      22 Sep 2021 02:49 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      EX

      By Jamil Ahammed

      03 Sep 2021 09:59 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      পড়তে পড়তে মনে হলো আমিই পিএইচডি করতে গেছি।

      By Sumadh Chakma

      16 Aug 2021 06:49 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      good

      By Moshiur Rahman

      03 Aug 2021 10:21 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Disappointed.

      By Hridi Rahman

      28 Jul 2021 12:33 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Interesting book

      By Parban

      03 Jul 2021 11:14 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Really enjoyed the Ph.D. journey of my dear Asif sir. It's really adventurous and fine one!

      By Md Nasif Mahmud

      01 Jul 2021 08:11 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      onek valo ekta boi !

      By shagufta afreen

      23 Jun 2021 04:51 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইয়ের নামঃ পিএইচডির গল্প লেখকঃ আসিফ নজরুল প্রকাশনীঃ বাতিঘর দামঃ ২৫০ পৃষ্ঠাঃ ১২০ প্রচ্ছদঃ সব্যসাচী হাজরা পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ শিক্ষক,লেখক,আইনজ্ঞ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে আসিফ নজরুল সমাদৃত।।সাপ্তাহিক বিচিত্রার সাংবাদিক হিসেবে তুমুল খ্যাতিমান ছিল একসময়।।তার পিএইচডি করার সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই বইটা।। কেমন করে উনি কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পেলেন,ইংল্যান্ডে যাওয়া,থাকা, খাওয়া, ভাষা নিয়ে স্ট্রাগল।নতুন বন্ধু তাদের সাথে কাটানো সময়,পারিবারিক টানাপোড়েন, বিদেশ বিভুইয়ে খাপ খাওয়ানো।সাথে আছে পিএইচডি র সময়ে যে অমানুষিক পড়াশুনা (২৪ ঘন্টার ২০ঘন্টা) , উনার সুপারভাইজারের অমানবিক আচরনের বর্ননা।। বইটা দেখে সাথে সাথে অর্ডার করার একটা কারন হচ্ছে আমার শখ ছিল পিএইচডি করার।। বইটা পড়ার পর যা অনেক কমে গেছে।।🤣 তাও নতুন দেশ দেখার ইচ্ছার জন্য বাকি শখটুকু ধরে রেখেছি।।। লেখকের চোখে লন্ডন এর দিন, পড়ালেখার ঘটনা জানতে চাইলে পড়তে পারেন।।

      By Zakir Hossain

      12 Jun 2021 03:42 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      It's an excellent book...the author was my respected teacher. This book can be a good guideline pursuing higher study.

      By Lutfar Rahman

      09 Jun 2021 09:01 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      একটু রাখঢাক করে লেখা। তবে ভালো লেগেছে।

      By Nuruzzaman

      01 Jun 2021 09:30 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বেশ ভালো লেগেছে

      By Noshin Tahsin

      29 May 2021 02:03 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      পিএইচডির গল্প নামের ১১৯ পৃষ্ঠার এই বইটা এর থেকে পারফেক্ট করে লেখা যেত না। নিজের গল্প এইভাবে নিজে বলতে পারাটা সহজ না। কোনো কিছু অতিরিক্ত বলা হয় নি, কোনো কিছুকে আলাদা করে গ্লোরিফাই করার চেষ্টা করা হয় নি, সবকিছু নিয়ে ঠিক যতটুকু বলা যথেষ্ট ঠিক ততটুকুই বলেছেন লেখক। অল্প কথায়ই বলা হয়ে গেছে অনেক কিছু। তার নিজের ভাষায়ই বলি - "এই গল্প মানুষের জিতে যাওয়ার গল্প। এমন বিজয় আমাদের সবার জীবনে যদি নাও থাকে, তাকে ভালোবাসে না এমন মানুষ বোধহয় নেই একজনও।" আমার সবসময় মনে থাকবে এমন একটা বই এটা। এসএসসিতে স্ট্যান্ড করা আসিফ নজরুল ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। তার বাবার ইচ্ছায়। পিএইচডির গল্প বইয়ে তিনি বলেছেন তার লালবাগের বাসা, বাবা-মা-ভাই-বোন-আত্মীয়দের গল্প, কলেজের গল্প, সাংবাদিকতার গল্প, বিচিত্রায় লেখালেখির কথা, বিসিএস দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে মাত্র ৩৬ দিন চাকরির কথা। একঘেয়ে লাগায় সেই চাকরি ছেড়ে তিনি যোগ দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রভাষক হিসেবে। তার মাত্র নয়দিন পর যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। ততদিনে বই প্রকাশ হতে থাকে তার। এরই মধ্যে কমনওয়েলথ স্কলারশিপে পিএইচডি করতে যান ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনে। পড়াতে পছন্দ করতেন, লিখতে পছন্দ করতেন। পিএইচডি করার খুব একটা ইচ্ছা তার ছিল না। দেশ ছেড়ে যাবার সময় তাই মন খারাপও হল। কিন্তু পরিবারের কথা ভেবে গেলেন শেষ পর্যন্ত। এই বইয়ে তিনি বলেছেন তার সাড়ে চার বছরের পিএইচডির সূচনাপর্ব, মেহনতিপর্ব আর মরিয়াপর্বের কথা। বলেছেন লন্ডন হাউজের গল্প, বেবিসিটার হওয়ার গল্প, গুজ প্লেসের বাসার গল্প, তার সুপারভাইজার ফিলিপের কথা, যিনি একেবারে শুরুর দিকে বিস্মিত হয়েছিলেন তার গবেষণার নিম্নমান ও অগভীরতায়, তার প্রবল তাচ্ছিল্যে লন্ডনের ফুটপাতে বসে কাঁদার কথা। শেষে ফিলিপের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। আসিফ নজরুলের পিএইচডির টপিক ছিল আন্তর্জাতিক নদী আইন। ১৯৯৪ এ তার পিএইচডি থিসিস শুরুর দিকে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে না ধরে নিয়ে গঙ্গা নদীর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন দূর্বল এমন একটা সেন্ট্রাল থিমের ওপর পিএইচডি থিসিস লেখা শুরু করেন তিনি৷ ১৯৯৬ এর ডিসেম্বরে দু'দেশের মধ্যে গঙ্গা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তার৷ আগের সেন্ট্রাল থিম বদলাতে হয়, লিখে ফেলা চ্যাপ্টারগুলো অনেক পরিবর্তন করতে হয়। তখন তার স্কলারশিপও শেষের দিকে৷ সময় খুব কম। শেষদিকে তার ছিন্নভিন্ন মানসিক অবস্থায় তার পাশের বাড়িতে ওঠেন তার কলিগ, আইন বিভাগের শিক্ষক লিয়াকত আলী সিদ্দিকী। তার সাথে আসিফ নজরুল চলে যান লিডসের একটি মসজিদে তবলিগে। তারপর এসে শুরু করেন অমানুষিক কষ্ট৷ তার মা চলে যান হজে। ছেলের জন্য প্রার্থনা করতে। ১৯৯৯ এর ২৬ মে তার ডিফেন্সের দিন তার সুপারভাইজার তাকে বলেন "লুক নাজরুল, দিস ইজ ইওর থিসিস, ইয়োর ডিফেন্স। ইফ ইউ ক্যান্ট মেক দিস, দিস ইজ নট মাই ফল্ট।" তার ডিফেন্সের ফলাফল কী হয়? ডিফেন্স শেষে তার সুপারভাইজার তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন "ইউ হ্যাভ ডান এক্সট্রিমলি ওয়েল। আই এম প্রাউড অফ ইউ।" আসিফ নজরুল ভুলে যান সাড়ে চার বছরের অপমান আর অবহেলার কথা। মাকে আর স্ত্রীকে রেজাল্ট জানিয়ে ছুটে যান গুজ স্ট্রিটের মসজিদে, সেজদায় পড়ে শুরু করেন কান্না। তার একজন সিনিয়র তাকে একবার বলেছিলেন "তোর যখন পিএইচডি হবে তখন এইসব দিন মিস করবি। আমাকে যদি আবার কেউ ফান্ড দেয় আমি খুশি হয়ে আরেকটা পিএইচডি করব।" তার গা জ্বলে যেত এইসব শুনে। এখন এত বছর পরে আসিফ নজরুলেরও তাই মনে হয়। পিএইচডি শেষ করে আর লেখাপড়ার ধারেকাছেও যাবেন না এমন সংকল্প করার পরও তাই জার্মানি আর ইংল্যান্ডে কাজ করেছেন পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে। তার পিএইচডির গল্প বইয়ে তিনি বলেছেন তার আশেপাশের এই মানুষগুলোর মমতার গল্প, বলেছেন অনেকের অবহেলা আর তাচ্ছিল্যের গল্প। বলেছেন সাহস আর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। এই গল্পটা নিজের উপর অগাধ বিশ্বাসের, এই গল্পটা আত্মঅনুসন্ধানের। আবার বলি - এই বইটা এর থেকে পারফেক্ট করে আর লেখা যেত না।

      By A.F.M. MONJURUL ISLAM SHOUROV

      22 May 2021 06:04 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      এক কথায় অসাধারন একাট লেখা।

      By Salmanur Rahman Liman

      18 May 2021 02:11 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ভালো বই

      By Md Rakib Hasan

      03 May 2021 10:24 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      আমাদের দেশ থেকে যারা পড়াশোনা বা কাজ করার উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমায় তাদের সম্পর্কে তার আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব সবাই ভাবতে থাকে যে বিদেশের জীবন কতই না সুখ-স্বাচ্ছন্দের। কিন্তু বাস্তবতা যে কতটা ভিন্ন আর কঠিন এটা একমাত্র বিদেশগামী /বিদেশ অবস্থানকারীই একমাত্র হাড়ে হাড়ে টের পায়। লেখকের কথাগুলো যেন বিদেশে অবস্থানরত সকল ভাই-বোনদের প্রাণের কথা এবং তাদের নিত্যদিনের সুখ-দুঃখের কথারই প্রতিফলন।

      By Julian Jawad Ahmad

      19 Apr 2021 02:46 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      দেশে মানহীন পিএইচডি-এর বাড়বাড়ন্ত সময়ে এই বইটি সময়োপযোগী লেগেছে। যে কোন বিড়াট সৃষ্টিকর্ম সন্তানের মত, আর সে পিএইচডির ক্ষেত্রে তা অবশ্যই প্রযোহ্য। পিএইচডি-র যে প্রসববেদনা কত তীব্র হতে পারে তার উদাহরণ হিসেবে আসিফ নজরুলের এই বইটি পড়া যেতে পারে। আসিফ নজরুল বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরিচিত মুখ, একজন রাজনৈতিক বুদ্ধিজীবি হিসেবেই স্বনামধন্য। তার জীবন নিয়ে লেখা অনেক ঘটনাও এ বইয়ে খুজে পাওয়া যাবে, ছোটখাট একটা memoir বলা যায়। আর তাই রাজনীতি সচেতন যেকারো বইটি ভাল লাগতে পারে।

      By Jarif Ahmad

      27 Mar 2021 12:35 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      No

    • Was this review helpful to you?

      or

      কি সাবলীল আর প্রাণবন্ত একজন আসিফ নজরুল কে দেখতে পাই আমরা পিএইচডির গল্পে ! টকশো কিংবা পত্রিকার কলামের আসিফ নন এ যেন অন্য কেউ ! আর ছোটবেলা,বেড়ে ওঠা ,হোঁচট খাবার গল্প এই পিএইচডির গল্প । কিছু কিছু জায়গায় সচেতন পাঠকের মনে হতে পারে আরে এতো আমার গল্প, আমাদের গল্প ! প্রচন্ড রকমের ভালো লাগা কাজ করে পড়তে পড়তে যেন ,হাহাকার বোধ হয়, শূন্য লাগে পাঠশেষে । সবাইকে পরার অনুরোধ জানাই নিরাশ হবেন না ।

      By Muhammad Mahbubur Rahman

      05 Jun 2022 12:12 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      পিএইচডির গল্প ব‌ই ________________ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের আইন অনুষদের প্রিয় শিক্ষক আসিফ নজরুল স্যারের লেখা পিএইচডির গল্প পড়ে শেষ করলাম। আমার চেনা-জানা যে কয়জন বেঁচে থাকা বুদ্ধিজীবী সুসাহিত্যিকের লেখা পারতপক্ষে দৃষ্টি এড়ায় না তাদের একজন আসিফ নজরুল স্যার। স্যারের কেতাদুরস্ত চেহারা দেখে আন্দাজ করার জো নেই এই মানুষের জীবনে এত সংগ্রাম এত সাধনা এত ত্যাগ। স্যারের ব‌ইয়ের শিরোনাম পিএইচডির গল্প হলেও একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অবহেলিত সন্তানের মেধার জোরে লড়াই করে দেশের শীর্ষস্থানীয় বরেণ্য ব্যক্তিদের কাতারে উঠে আসার গল্প এটি সুখপাঠ্য কাহিনী। এই ব‌ইয়ের কিছু কিছু ঘটনা পরাবাস্তব অতিমানবীয় বিষয়কেও হার মানায়। এই যেমন লেখকের ডিপার্টমেন্টের মেধাবী চৌকস মুখ শেরীর প্রেমে উন্মত্ত উতালা হ‌ওয়া একপর্যায়ে সেই শেরীর অকালে পরিবারসহ গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হ‌ওয়ার ঘটনা যেভাবে শেলের আঘাতে লেখককে বিধ্বস্ত করেছে নিঃসন্দেহে তা পাঠককেও ভারাক্রান্ত করে। ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি নিয়ে বের হ‌ওয়া কঠিন তা যদি হয় পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ গুলোর একটি থেকে তা যে কত দুরূহ ব্যাপার সেটি এই ব‌ইয়ের পরতে পরতে ছবির মতো আঁকা রয়েছে। ব‌ইয়ের ১০৭ পৃষ্ঠার শুরুতে লেখা: "পড়তে পড়তে প্রায় পাগলের দশা হলো আমার এরপর। সপ্তার পর সপ্তা ঘরে থাকতাম বন্দি হয়ে। খাওয়ার কথা ভুলে যেতাম কখনো কখনো। বড় ভাবি এসে মনে করিয়ে দিতেন। হঠাৎ হঠাৎ এসে জিজ্ঞেস করতেন, বাত খাইসোনি। আমি বিমূঢ় মুখভঙ্গি করে মনে করার চেষ্টা করতাম। তিনি হেসে গড়িয়ে পড়তেন। মাতাত দুষনি তোমার? আমাকে বহুদিন ধরে তিনি এ প্রশ্ন করেছেন। প্রতিবার আমি খুশি মনে বলেছি জি ভাবি, মাতাত দোষ! এই দুর্দিনেও তাই করি। তিনি আরও খুশি হন। আমাকে প্রায় ধমকে নিয়ে যান খেতে।" থিসিস ভালো করার জন্য লেখকের চেষ্টার অন্ত ছিল না। সেটা ছিল অক্ষর বাই অক্ষর। যেমন লেখক বলেন, "সেই চেষ্টা করেছি এপ্রিলের ১৮ তারিখ থিসিস জমা দেয়ার আগ পর্যন্ত। আমি জানি না, এটা কোন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য কিনা, তবু সত্যি যে শেষ তিনটা মাস গড়ে প্রায় ২০ ঘন্টা করে পড়েছি। একটা একটা লাইন, একটা একটা শব্দ ধরে ধরে নিজের থিসিস পড়তাম। একশ পার্সেন্ট সন্তুষ্ট না হ‌ওয়া পর্যন্ত বারবার এডিট করতাম একেকটা চ্যাপ্টার।" এতে মজা করে লেখক আরেক গবেষক আইনুন নিশাতের জবানীতে পিএইচডি জগতের অন্ধকার দিকের রকমফের ফাঁক ফোকরের কথাও বলেছেন অনায়াসে। আইনুন নিশাত স্যারের মতে পিএইচডি ছয় প্রকার: ১. জালিয়াতি ২. তেজারতি ৩. খয়রাতি ৪. মারফতি ৫. মেহনতি ও ৬. তেলেসমাতি। এগুলোর একটা রসালো ব্যাখ্যা করা আছে স্যারের ব‌ইতে। ব‌ইয়ের অনেক জায়গায় মুমিনের শেষ আশ্রয় হিসেবে তাঁর বিপদে আপদে সঙ্কটে এমনকি বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে খোদার দরবারে হাজিরা দিতে কিংবা সেজদায় লুটিয়ে পড়তে কসুর করেননি। তাই তাঁর জীবনে আল্লাহর সাহায্য ছিল অশেষ অবারিত। মায়ের দোয়া আর আল্লাহর রহমতে তিনি সফলভাবেই উতরে গেছেন সকল পরীক্ষায়। ব‌ইয়ের ১০৯ পৃষ্ঠায় লেখক তাঁর প্রভুভক্তি এভাবে প্রকাশ করেন: "মাঝে মাঝে মন ভেঙ্গে যেত। ভয়‌ও পেতাম। আমার ঘরের মেঝেতে ২৪ ঘন্টা পাতা থাকতো জায়নামাজ। কতবার যে সেজদায় গিয়ে নিঃসাড় পড়ে থাকতাম। আল্লাহ ডোন্ট লিভ মি। রহম করো প্রভু। এই দুই বাক্যেই তাঁর কাছে ছিল সকল প্রার্থনা আমার।" তার ব‌ইটি পিএইচডির গল্প হলেও প্রেম, ভালোবাসা, বিরহ, সংগ্রাম, সাধনা, ত্যাগ কি নেই। সর্বোপরি প্রবাস জীবনের নানান কষ্ট আর দুর্গতির সাথে মানুষের ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের জীবন যে একটা যুদ্ধ, আর এ যুদ্ধে জিততে হলে নিশ্চিত ভাবে আসিফ নজরুল স্যারের মতো ইস্পাত কঠিন একটা মন, সুদৃঢ় পণ আর অবারিত কষ্ট করার সুদৃঢ় ইচ্ছা শক্তির প্রয়োজন। জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজয় কি করে ছিনিয়ে আনতে হয়, এই ব‌ই তার অত্যন্ত নাতিদীর্ঘ অথচ পরিপূর্ণ জীবন্ত দলিল। এ পথের পথিক যারা, তাদের জন্য এটি টনিকের মতো কাজ করবে। দীর্ঘ সাধনার বন্ধুর পথ শেষে স্যারের পিএইচডি সুপার ভাইজার ফিলিপ স্যারকে জড়িয়ে ধরে বলেন, "ইউ হ্যাভ ডান এক্সট্রিমলি ওয়েল। আই অ্যাম ভেরি প্রাউড অব ইউ।"

      By Fatin Israq

      24 Jun 2021 08:30 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #Rokomari_Book_Club_Review_Competition রিভিউ লিখেছেনঃ ফাতিন ইসরাক আবির বই: পিএইচডির গল্প “পিএইচডির গল্প” বইয়ের নাম দেখে যে কেউ আন্দাজ করতে পারবে বইয়ের বিষয়বস্তু কি। হ্যাঁ, এই বইয়ে পিএইচডি করতে লন্ডনে যাওয়া এক যুবকের (লেখকের) কিছু তিক্ত-মিষ্টি অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণ ফুটে উঠেছে। উচ্চ শিক্ষা নিতে দূর পাশ্চাত্যের দিকে ছুটে চলার বাস্তব স্মৃতি লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন ডঃ আসিফ নজরুল। তিনি তাঁর শিক্ষাজীবনের বেশ ক’বছরের কাটানো সময়গুলোকে টেনে এনেছেন ১২০ পৃষ্ঠার মধ্যে। আসিফ নজরুলের প্রকৃত নাম মোঃ নজরুল ইসলাম। কিন্তু লেখালেখির ক্ষেত্রে তিনি আসিফ নজরুল নামেই সমাধিক পরিচিত। তাঁর জন্ম পুরান ঢাকার গলিতে। নাটকীয় ঘটনাচক্রে তিনি লন্ডনে গিয়েছিলেন পিএইচডি করতে। যাওয়ার আগে তাঁর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়েছিল এবং যে সময় তিনি পিএইচডি করতে যান সেসময় তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক। বুঝতেই পারছেন! তাঁর মধ্যে পিএইচডি নিয়ে ছিলো তাচ্ছিল্যের ভাব। (বলে রাখা ভালো! তিনি কিন্তু বিসিএস পরীক্ষায় ২য় হয়ে ৩৬ দিন ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।) প্রথম থিসিস জমা দেওয়া পর্যন্ত তাঁর এই মনোভাব ছিলো বেশ প্রকট! কিন্তু এর পরেই তিনি বাস্তবতা বুঝতে পারেন। ঘটনা চক্রে বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখামুখি হতে হয় তাঁকে। যেমন, আসিফ নজরুলের পিএইডির টপিক ছিল আন্তর্জাতিক নদী আইন। ১৯৯৪ সালের দিকে পিএইচডি থিসিস করার ক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হবেনা ধরে ‘গঙ্গা নদীর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন দুর্বল’ এমন একটা থিমের উপর থিসিস লেখা শুরু করেন। তবে দুর্ভাগ্যের কথা, ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সই করে ফেলে!! এখন কি করবেন তিনি? এদিকে তিন বছরের স্কলারশিপ প্রায় শেষের দিকে। যদিও শেষ পর্যন্ত নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৯৯ সালে তথা পিএইচডি করতে যাওয়ার সাড়ে চার বছরের মাথায় পিএইচডি শেষ করে ফেলেন! তাঁর এই যাত্রা কিন্তু মোটেই সহজ ছিলো না! গল্পে তিনি তাঁর লন্ডনের প্রবাস জীবন, পিএইচডি সুপারভাইজার, প্রবাসী বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়গুলো কিংবা বিয়ে করার পর কি হয়েছিল তাঁর দশা- এসব বর্ণনাই ফুটিয়ে তুলেছেন। লন্ডন যাওয়ার আগে তিনি কাজ করতেন সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘বিচিত্রায়’। সেই কাজকে ও পত্রিকাকে তিনি কি পরিমাণে মিস করতেন, তাঁর আকুতি থেকেই তা স্পষ্টভাবে উপলদ্ধি করা যায়। এ বইটিকে তাঁর জীবনের কিঞ্চিৎ সময়ের আত্মজীবনী বললেও ভুল হবেনা। ব্যাক্তিগত অভিমতঃ সফল মানুষদের জীবনী পড়লেই বুঝা যায়, কত চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তাদের এ অবস্থান। যারা জীবনে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখে, কিন্তু ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারেনা। তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ পাওয়া যায় গল্পে। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো আসিফ নজরুলের ‘পিএইচডির গল্প’। এক নজরে বই সংক্রান্ত তথ্যঃ বইয়ের নামঃ পিএইচডির গল্প লেখকঃ আসিফ নজরুল পৃষ্ঠাঃ ১২০ মূল্যঃ ২৫০ টাকা

      By রিফাহ

      09 Jul 2021 10:40 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      #Rokomari_Book_Club_Review_Competition পাঠকের নামঃ রিফাহ তাবাসসুম রিভিউ নংঃ০৪ বইয়ের নামঃ পিএইচডির গল্প ক্যাটাগরিঃছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ পৃষ্টাসংখ্যাঃ১২০ মুদ্রিত মূল্যঃ২৫০ টাকা প্রকাশনাঃবাতিঘর "ডালগোশ মানে মুগের ডালে মুরগি দিয়ে রান্না করা।রান্নাটি লন্ডনের ভাবিকুলের কারো কাছে থেকে শেখা।প্রচুর ঝাল দিয়ে যখন রান্না করতাম,বাটারিতে খবর হয়ে যেতো।মসৃণ ত্বকের জাপানিদের কেউ জেউ রান্নার গন্ধে ঘামতে শুরু করতো।আমার জীবনের সেরা অধ্যবসায় দিয়ে এই স্পেশাল রান্নাই করলাম দাওয়াতের জন্য।সঙ্গে সেঁকে দেওয়া সেফওয়ের রুটি। আমাকে বিস্মিত করে সেই খাবারের তারিফ শুরু করলো সবাই।দুই মুরগির ডালগোশ চোখের নিমিষে খালি হয়ে গেলো!তারপরের অবস্থা অবর্ণনীয়। বিষ্ণু ঝালের চোটে টিস্যু দিয়ে রগড়ে ওর জিবের চামড়া প্রায় তুলে ফেলে। মিমি " মরে যাচ্চি" বলে চেঁচাতে থাকে।মার্কের শুধু গড়াগড়ি খাওয়া বাকী।আমি যতই বলি স্যরি,ওরা ততই "আরে ইয়ার যো খিলায়ে না" টাইপের কথা বলতে থাকে। মধ্যরাতে এ রণাঙ্গন শান্ত হলে আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচি।দুদিন পর বিষ্ণুর সঙ্গে দেখা করিডোরে।খুব গম্ভীর চেহারা ওর।প্রথমে কথা বলতে চায় না। ব্যাপার কী বুঝতে পারি না!বিষ্ণু চলে যেতে নেয়। তারপর হঠাৎ কী মনে হয় ওর। "শোন," বিষ্ণু আমাকে ডাকে। থমথমে গলায় বলে, 'ইয়োর ফুড ওয়াজ গুড।বাট এভ্রিওয়ান হ্যাড টু গো টু দ্য টয়লেট থাউজেন্ড টাইমস!" এই গল্পটি ছিল আসিফ নজরুলের 'পিএইচডির গল্প' বই থেকে নেওয়া। আসিফ নজরুলকে আমরা কমবেশি সবাই চিনি। আমাদের অধিকাংশের কাছেই তিনি রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবেই পরিচিত।কিন্তু আমরা কেউ কি তার পিএইচডির পেছনের গল্পটি জানি?আমাদের অজানা গল্পটি সবার কাছে পৌঁছে দিতেই লেখকের এই প্রচেষ্টা! "পিএইচডির গল্প" বইটিকে দুটি অংশে ভাগ করা যায়। প্রথম অংশে লেখক সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরেছেন তাঁর এসএসসি পাশ করা থেকে শুরু করে পিএইচডি করতে যাওয়ার আগের সময়টি। আর দ্বিতীয় অংশটি যেটি একইসাথে এই বইয়ের চৌম্বক অংশ,জুড়ে রয়েছে এক সংগ্রামের গল্প! জানতে চান কিসের সংগ্রাম? "পিএইচডির সংগ্রাম!" বইয়ের শুরুর অংশটিতে আমরা পাই এক অন্তর্মুখী মোঃ নজরুল ইসলামকে, "কুতকুতে চোখ,উঁচু হাড়ের গাল,বাটকু আর শীর্ণদেহী" মোঃ নজরুল ইসলাম ছিলেন সবার মাঝে অনুজ্জ্বল, ভীতু আর কিছুটা অবহেলিতও বটে! মা হিসেবে পেয়েছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা নারীকে;আর বাবা হিসেবে বেশ কিছুটা মিতব্যয়ী কিন্তু অনুপ্রেরণাদায়ক বাংলাদেশ বেতারের একজন ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসারকে। মিতব্যয়ী এই পরিবারে জন্ম নিয়ে বিভিন্ন শখ কিংবা আহ্লাদ মাটিচাপা দিলেও পড়াশোনার জন্য তাগাদা কিন্তু এই পরিবার থেকেই পেয়েছিলেন। তাই-ই হয়তো স্কুলজীবন থেকেই সাফল্যের স্বাক্ষর সবজায়গায় ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন। এই অংশটিতে তিনি আরো তুলে ধরেছেন নিজের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা উত্থান-পতনের কথা, আরো শোনালেন আইন বিষয়টা বোরিং লাগতে শুরু করার পর একসময়ের তরুণ সাংবাদিকদের craze "বিচিত্রায়" চাকরি করার কথা। এই বিচিত্রা লেখকের আত্মার সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল যেটা পরবর্তীতে তাঁর প্রবাসজীবনেও প্রভাব ফেলে। লেখক আরো জানালেন মোঃ নজরুল ইসলাম থেকে আসিফ নজরুল হওয়ার কথা; উঠে এলো বিচিত্রায় কাজ করার মাধ্যমে রাতারাতি 'সেলেব্রিটি" বনে যাওয়ার গল্প। বিচিত্রার প্রভাব যে লেখকের জীবনে কতখানি সেটা বোধহয় সচেতন পাঠক এই বইটি পড়ার পরই বুঝে ফেলবেন। এছাড়াও এই অংশটিতে রয়েছে একাধারে লেখকের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ৩৬ দিন চাকরির কথা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে মাত্র ৯ দিন চাকরির গল্প। লেখক আরো জানালেন ঢাকা আর বিচিত্রার কাছাকাছি থাকতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেও সহকর্মীদের চাপে পিএইচডি করতে বাধ্য হওয়ার ইতিহাস। তিনি চাননি দেশ এবং বিচিত্রা ছেড়ে "শৈশবের স্বপ্নের শহর" লন্ডনে যেতে! কারণ বিচিত্রা তাঁকে বেশ কিছু সুন্দর মনের সহকর্মীর পাশাপাশি অনেক সুনামও দিয়েছিল; পাশাপাশি লেখক চেয়েছিলেন সাংবাদিকতা আর লেখালেখিতে উন্মত্ত হয়ে থাকতে। বইয়ের দ্বিতীয় অংশটিকে বইয়ের প্রাণও বলা যায়। এই অংশটিতেই লেখক তুলে ধরেছেন মুদার অপর পিঠের ইতিহাস। ১৯৯৪ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বরের ফ্লাইটে অবশেষে লেখক চলে এলেন সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে পিএইচডি করার উদ্দেশ্যে। দেশের স্বার্থে আন্তর্জাতিক নদী আইনকে পিএইচডির বিষয় হিসেবে আগেই ঠিক করে নিয়েছিলেন। এই অংশটিতেই উঠে এসেছে দেশে বেশ সাফল্যের তুঙ্গে থাকা তরুণটির লন্ডনে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার কথা;আধো আধো ইংরেজি বলে সবার মন জয় করতে না পারা তরুনটির একাকী জীবনের ইতিহাস। লন্ডন হাউজে অল্পকিছু বন্ধু জুটে যাওয়ার পর তাদের সাথে বেশ কিছু হাস্যরসাত্মক গল্পের পাশাপাশি পরবর্তীতে লন্ডন হাউজ ছেড়ে নাইম আর রানা ভাই এর মতো অসাধারণ মানুষটির সাথে গুজ স্ট্রিট এ থাকার গল্প। এছাড়াও লেখক এনেছেন বেশকিছু অনিয়মিত চাকরির গল্প যার মধ্যে কোনোটা করেছেন ইংরেজিতে দুর্বলতা এবং একাকিত্ব ভাব ঘোচাতে,কোনোটা করেছেন অপরের অনুরোধে;আবার কোনোটা করেছেন নিতান্তই শখের বশে কিংবা দেশের সাংবাদকতার স্বাদ কিছুটা হলেও লন্ডনে আস্বাদন এর উদ্দেশ্যে! সবচেয়ে কৌতুহলোদ্দীপক ছিল বাংলাদেশের ব্রিটিশ এম্বেসীতে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়া ড্যারেল গফকে বাংলা শেখানোর গল্প। বাংলা শেখানোর এক পর্যায়ে সে বেশ কিছু গালি শিখতে চায় যাতে ভিসার জন্য যাওয়া প্রার্থীদের তাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া গালিগুলো সে বুঝতে পারে। লেখক তাকে একে একে "শালা" থেকে শুরু করে " চ বর্গীয় গালি " গুলো পর্যন্ত শিখিয়ে দিলেন। ড্যারেল বেশ আগ্রহের সাথে এই গালিগুলো তার নোটবুকে ইংরেজিতে উচ্চারণ লিখে নিল। এছাড়াও ফুটে উঠেছে পিএইচডি করাকালীন সময়ে অল্পকজন সত্যিকারের বন্ধু পাওয়ার গল্প,যার মধ্যে ভিভি কিংবা রানা ভাইদের কথা বিশেষভাবে না বললে হয়তো অন্যায় হয়ে যাবে এরমধ্যে লেখক দীর্ঘ নয়মাস পর ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে দেশে যান। দেশ এ যাওয়া আর ফিরে আসার পর আর বেশকিছু ঘটনা ঘটে লেখকের জীবনে যেগুলো স্বল্পপরিসরে বলা হয়েছে। সোয়াসে লেখকের সুপারভাইজার ছিলেন ফিলিপ স্যান্ডস যিনি আগাগোড়া একজন 'পারফেকশনিস্ট"! এই পারফেকশনিস্টের পাল্লায় পড়ে লেখক যখন ধীরে ধীরে নিজেকে এবং নিজের থিসিসকে পারফেক্ট করার চেষ্টায় ছিলেন,তখনই হঠাৎ করে ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে দুদেশের মধ্যে গঙ্গা চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যায়। এই স্বাক্ষর যেন লেখকের মাথায় বাজ ফেলে দেয়। কারণ লেখক যেখানে শুরুতে 'চুক্তি হবে না' ধরে নিয়ে থিসিস শুরু করেছিলেন,সেখানে এমন একটা চুক্তি সত্যিই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মত! এই চুক্তির কারণে সেন্ট্রাল থিম বদলাতে হবে যে! পিএইচডির অর্থ, "গবেষণা" র সারমর্ম, ইংরেজিতে দূর্বলতার কারণে ভারী শব্দগুলো বুঝতে অপারদর্শিতা, সোয়াসের চারতলা বিশাল লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় বই,জার্নাল,রিপোর্ট,ডিবেট খুঁজতে না পারা, ভয়াবহ আর্থিক অবস্থা এবং একাকিত্বের পাশে আরেকটা যোগ হলো এইবার প্রথম থেকে থিসিসের চ্যাপ্টারগুলোতে বড়সড় পরিবর্তন! কেউ যেন তাঁকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছিল যে 'দেশে তুমি যতটাই পারফেক্ট হও না কেন,এই খানে তুমি কিছুই না!" এতটা সংগ্রাম আর অনিশ্চয়তার মধ্যেও মনের মধ্যে কেউ যেন বলে ওঠে "যে করেই হোক ফিলিপের চোখে পারফেকশনিস্ট হতেই হবে;পিএইচডিটা করতেই হবে!" বইটার নাম যেহেতু পিএইচডির গল্প তাই আমরা সবাই জানি যে আসিফ নজরুল অবশেষে পিএইচডি করতে পেরেছিলেন।কিন্তু পথটা কেমন ছিল? মসৃণ তো নয়ই নিশ্চয়ই! তাহলে নিশ্চয়ই খাঁজকাটা, এবড়োখেবড়ো পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল তাঁকে। পিএইচডি হয় ১৯৯৯ সালের ২৬শে মে! প্রায় সাড়ে চার বছরের জার্নিটা কিন্তু একদমই মসৃণ ছিল না। আমরা প্রায় সবাই-ই কমবেশি মোটিভেশনাল বই পড়েছি বা মোটিভেশনাল স্পিকারদের লেকচার শুনেছি। এই বইটা কিন্তু আত্মজীবনীমূলক বই হলেও "মোটিভেশনাল" হিসেবেও কম যায় না।৷ লেখক যেদিন ঘন্টার পর ঘন্টা আর্গু করে নিজের থিসিসকে পিএইচডি পাবার যোগ্য বলে প্রতিষ্ঠিত করলেন, ঐদিন লেখকের কান্না যেন বইয়ের পাতা ভেদ করে একজন পাঠক হিসেবে আমাকেও স্পর্শ করে যাচ্ছিল।কিছু সময়ের জন্য লেখকের স্থানে নিজেকে দেখতে পাচ্ছিলাম,লেখকের আনন্দ যেন আমাকেও দোলা দিয়ে যাচ্ছিল! এই আত্মজীবনীমূলক বইটি যতটা না আত্মজীবনীর, তারচেয়েও বেশি অনুপ্রেরণার! কেননা এই গল্প ঠেকে শেখার গল্প,এই গল্প মাটি কামড়ে পড়ে থাকার গল্প,এই গল্প ১০০% দিয়ে দিনশেষে জিতে যাওয়ার গল্প। এই 'বেস্টসেলার' বইটি সব বয়সের সব ধরণের পাঠকের জন্য প্রযোজ্য। আমি রকমারির সব পাঠককে অনুরোধ করবো জীবনে একবার হলেও বইটি পড়ে দেখার। কেননা এই বইটি আপনাকে জীবনে অনেকখানি এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি। সবশেষে লেখকের ভাষায় বলতে চাই 'পিএইচডির গল্প মানুষের জিতে যাওয়ার গল্প,অনেক পেছন থেকে এসে কঠিন পরিশ্রম,সংকল্প আর জেদ করে জেতার গল্প" রেটিংঃ ১০/১০

      By Moshiur Rahman

      09 Apr 2021 01:20 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      দারুন একটা বই,,উনার phd জীবনের নানা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি

      By Mohammad shah hafez kabir

      14 Jan 2022 12:10 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আত্মজৈবনিক লেখা পড়া হয়েছে অনেক। কিন্তু পিএইচডি সময়কালীন ও গবেষণার কাহিনী পড়েছি কেবল হুমায়ূন আহমেদ এবং জেমস ডি. ওয়াটসনের লেখায়। হুমায়ূন আহমেদের হোটেল গ্রেভার ইন খুবই সুখপাঠ্য একটা বই। আর জেমস ডি. ওয়াটসনের ডাবল হেলিক্স তো পৃথিবী জোড়া বিখ্যাত। কিন্তু ডা. আসিফ নজরুলের ‘পিএইচডির গল্প’ কিছুটা ভিন্ন এই কারণে, লেখক পিএইচডি করার সময় কি কি সমস্যাই পরেছিল, তাই বর্ণনা করেছেন। কঠোর পরিশ্রম ও ধীরতার মাধ্যমেই পিএইচডি ডিগ্রি তিনি শেষ করতে পেরেছিলেন, যেখানে ফাইনাল ডিফেন্স দেয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ছিলেন অনিশ্চিত! তার এই গল্প কেবলমাত্র পিএইচডি শেষ করা একজন ডক্টরেটের না, বরং পিএইচডি শুরু করা প্রতিটা মানুষের গল্প। বইয়ের শুরুটা হয় লেখকের ছোটবেলা থেকে। অবহেলার নানা বর্ণনা ছিল সেখানে, ছিল ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট বোনের হৃদ রোগে মৃত্যুর কথা। পুরো বই জুড়ে বিচিত্রার কথা এসেছে বারবার। এই থেকে বুঝা যায়, সেই সময়ে বিচিত্রা ম্যাগাজিনের জনপ্রিয়তা। তারপর একসময় তিনি বিভিন্ন পেশার পর হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক এবং সেখান থেকেই আসে ইংল্যান্ডে পিএইচডি করতে যাওয়ার সুযোগ। ইংল্যান্ডে পৌছনোর পর লেখক তার অভিজ্ঞতার যে বিবরণ দিয়েছেন, তা মিলে যায় বিদেশে এমএস কিংবা পিএইচডি করতে আশা অনেকের সাথে। যেমন, দাওয়াতের কথা, চেনা মানুষের আন্তরিকতা/তাচ্ছিলতা, ভিনদেশী মানুষের সাথে আলাপচারিতা কিংবা সখ্যতার নানা বিবরণ। কিন্তু বইয়ের শেষ ভাগে শুধু পিএইচডি ডিগ্রি পাওয়ার আকুলতা ও সংগ্রামের কথা এসেছে বারবার। অবশেষে যখন তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন, পাঠক নিজেও তার সাথে সাথে রোমাঞ্চিত হয়ে পরবেন। পিএইচডি করার সময় নানা মানুষের সাহায্যের কথা লেখক স্বীকার করেছেন অকপটে। আত্মজৈবনিক লেখায় অনেক ক্ষেত্রে অন্য মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় উঠে আসে, সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় শুধু একপেশে গল্প জানা যায়। সেক্ষেত্রে সঠিক ভাবে বিষয়টা বোঝা যায় না। কিন্তু লেখক এখানে বেশ দক্ষতার সাথে এইসব বিষয় এড়িয়ে গেছেন। আমার কাছে এই বইটি বিশেষভাবে অনুসরণীয়, যেহেতু আমি নিজেই পিএইচডি করছি এবং অনেক বিষয় লেখকের সাথে আমার মিলে যায়।

      By Naibur Rahman

      24 Jun 2021 07:46 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আসিফ নজরুল নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের এক পরিচিত নাম। তিনি হয়ত আপনার চোখের সামনে এসে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক হিসেবে, অথবা চ্যানেল পরিবর্তন করতে গিয়ে চলতে থাকা কোনো টক শোর শাণিত যুক্তির পরিবেশনার আঁটকে যাওয়া কোনো মুহূর্তে, আর নয়তো “বিচিত্রা” পত্রিকার সেই নামকরা অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে। কিন্তু “পিএইচডির গল্প” নামের প্রথম আত্মজৈবনিক গ্রন্থে আমরা যতটা না খুঁজে পাই মোঃ নজরুল ইসলামের, ডঃ নজরুল ইসলাম হয়ে ওঠার কথা, তার থেকে বেশি খুঁজে পাই তা্র আজকের আসিফ নজরুল হয়ে ওঠার কথা এবং এই বিনির্মাণে তার পিএইচডি জীবনের অবদানের গল্প। যে গল্প তথাকথিত সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বেপরোয়া জেদ আর কঠোর পরিশ্রমের আলোয় উদ্ভাসিত এক তরুণ আসিফ নজরুলের। ঝরঝরে শব্দ আর সাবলীল গল্প বলার ছলে তার যাপিত জীবনের ছায়া ভেসে উঠেছে কখন বইয়ের পাতায়,কখনো পাঠকের চোখের ছায়ায়। বইয়ের শুরুতেই লেখক আমাদেরকে নিয়ে যাবেন পুরানো ঢাকার গলিতে নিজের বাড়িতে আর চোখের সামনে মেলে ধরবেন বড়ঘরে পড়ে থাকা পত্রিকার পাতাটি। চোখ আটকে যাবে মানবিক বিভাগে ১০ নম্বর সেরা ছাত্রের নামটা দেখে। মোঃ নজরুল ইসলাম, স্কুল ঃ ওয়েস্ট অ্যান্ড হাই স্কুল, রোল ঃ ঢাকা, ৩০৮২! বৈঠকি মেজাজে তিনি বলে যাবেন তার শিক্ষানুরাগী পরিবারে বেড়ে উঠার গল্প, মেধাবী বড় ভাইয়ের ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ছিটকে পড়ার আকস্মিকতা, উচ্চশিক্ষার্থে যাওয়ার জন্য সেই বড় ভাইয়ের জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এর নাটকীয়তা অনেকটাই লেখনীতে ফুটে উঠেছে কৌতুকের ঘনঘটায়, আবার পরমুহূর্তেই প্রকাশ করেছে তার অভিযোজনের গল্প।এরই মাঝে আমরা পরিচিত হব ১৯৮২ সালে এইচএসসি পাশ করা দেশসেরা সব মেধাবীদের – রুবানা হক, শেরেজাদ আহমেদ শেরী। লেখকের শেরীর প্রেমে পড়ার অকপট স্বীকারোক্তি, তাঁর চোখে পড়ার নিষ্পাপ চেষ্টা অনেকটাই প্রভাবক হিসেবে কাজ করে এক নতুন আসিফ নজরুলকে খুঁজে পেতে। বিচিত্রার সেই নামকরা অনুসন্ধানী সাংবাদিক চষে বেড়াচ্ছে সারা বাংলাদেশ, খবর সংগ্রহ করতে বাসে, আবার হয়তো কখনো বন্যাদুর্গত সন্দ্বীপে পৌঁছতে হেলিকপ্টারের পেছনের সিটের স্বল্প জায়গায় নিজের শরীরের কিছুটাকে কোনমতে উপুড় করে দিয়ে- আর বাকিটা আটকে আছে পাইলটের চালকের মুগ্ধ চোখে।এই তাহলে সেই সাংঘাতিক সাংবাদিক! বইটি অবশ্যই শেষ হবে তাঁর পিএইচডি জীবনের অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট, পিএইচডি সুপারভাইসার ফিলিপের অনিচ্ছাকৃত অবহেলা, উদযাপিত একাকীত্ব আর বিলাতে পরিচিত হওয়া অসংখ্য বাংলাদেশি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হওয়ার ঘটনাবহুল সময়কাল নিয়ে। লেখায় জীবন্ত হয়ে এসেছে এমন কিছু চরিত্রের মানুষ যাদেরকে আমরা এখন অনেকেই চিনি। লেখক অবলীলায় স্বীকার করেছেন তার পিএইচডি বিষয়ক অনেক অজ্ঞতার কথা আবার একিই সাথে বিদেশে বাংলাদেশিদের বিস্ময়কর অর্জনে অনুপ্রানিত হয়েছেন, আর হয়েছেন অনেক জেদি যার জন্যই হয়তো সফল হয়েছিলেন সেই পিএইচডি জীবনের সুখময় ইতি টানতে। বইটি শেষ হতেই কিছু প্রশ্ন আপনাকে ভাবিয়ে তুলবে।বিসিএসে(প্রশাসন)দ্বিতীয় হয়ে ৩৬ দিন কাজ করে নির্দ্বিধায় চাকুরী ছেড়ে দেওয়া বেখেয়ালি এই চরিত্রটি কি তবে আজও সাংবাদিকতাকে মিস করেন? পিএইচডি করতে দেশ ছাড়ার আগের মুহূর্তে শেরীর কবরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আসিফ নজরুলের ঝাপসা চোখে কি সেই জিজ্ঞাসা? এরকম গোটা কয়েক প্রশ্নের শুরু আর হাজারো ঘটনা মিলে মিশে একাকার এই পিএইচডির গল্পে। বইটি খুললেই সুযোগ থাকছে প্রচ্ছদের লাল টেলিফোন বুথে প্রবেশ করার।পাতা ওলটাতেই কল চলে যাচ্ছে, আর ফোনের ওপাশে লেখক আসিফ নজরুল নিজে।বলা শুরু করছেন তার গল্প, আর তার পিএইচডির গল্প।

      By Ahmed

      27 Mar 2021 07:55 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আসিফ নজরুল সাহেব এর লেখা ফেসবুক এই প্রায় সময় পড়া হয়। এই বইটি হলো উনার ছাত্র জীবনের স্মৃতিচারণ মূলক বই। বইটি এককথায় অসাধারণ বলতে পাড়েন।

      By Shishir Mijan

      05 Apr 2021 12:39 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      স্যার একাধারে একজন অধ্যাপক,লেখক,রাজনীতিবিদ, অসম্ভব মেধাবী মানুষ।অাশা রাখছি ভাল কিছু হবে..।ধন্যবাদ

      By Farid Uddin

      11 Apr 2021 03:31 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      দারুণ একজন ব্যক্তিত্ব আসিফ নজরুল স্যার। উনার প্রতিটি কথাই যুক্তিক এবং লজিক্যাল। খুবি প্রছন্দের মানুষের। উনার পিএইচডির গল্প আশাকরি ইন্টারেস্টিং হবে।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!