
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
সেরা এক তা বই
Was this review helpful to you?
or
onk joss
Was this review helpful to you?
or
খুবই বাজে । গল্পের কিছুই স্পষ্ট ও গুছানো নয় । কোন রকম লেখা দিয়ে পৃষ্ঠা ভরা ছাড়া আর কিছুই নয়
Was this review helpful to you?
or
বইটি একদমও ভালো না। বইয়ে ৪ টা গল্প আছে আর চারটি গল্প একদম ফালতু। পুরো বইটা পড়লাম বইয়ের মধ্যে আকর্ষণীয় কোন কিছুই পারলাম না।
Was this review helpful to you?
or
Very nice and interesting book.. 😊😊
Was this review helpful to you?
or
Very good one
Was this review helpful to you?
or
সহজ ভাবে অনুবাদ আশা করেছিলাম
Was this review helpful to you?
or
নাহ! অন্যদের কথা যানি না। কিন্তু যাই বলি না কেন এই বইটা অসাধারণ। আসলেই অসাধারণ। আমি আগে ড্রাকুলা পরেছি তাই বইটার মূল বিষয়বস্তু আমার জানা ছিল। বইটা অনেক ভালো, আমি অনের আনন্দ পেয়েছি বইটি পড়ে।
Was this review helpful to you?
or
আমার ছেলে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র বইটি পড়ে সে খুব মজা পাচ্ছে।
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ একটি বই! ❣️
Was this review helpful to you?
or
valo boi, jodi dracula pore thaken tahole prothom dui ta golpo porte subidha hobe
Was this review helpful to you?
or
Nice. but the book is small
Was this review helpful to you?
or
আমি বইটা নিয়েছি এখন এটাতে কয়েক পেজে লেখা নাই আশা করছি এটা ফেরত নিয়ে ভালো বই বেচে দিবেন ধন্যবাদ
Was this review helpful to you?
or
The story was very nice.I am a big fan of Sherlock Holmes and also Drakula.I love the story.
Was this review helpful to you?
or
very nice story book
Was this review helpful to you?
or
#আড্ডাখানায়_রকমারি #রিভিউ_২০২৩ বইটা পড়ার আগে ভেবেছিলাম ড্রাকুলা ও শার্লক হোমসের মাঝে বুঝি এসপারওসপার হয়েই গেলো! কিন্তু পড়ার পর বুঝলাম আমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বইটিতে আছে ৪ টি ছোটগল্প। দুইটি ড্রাকুলা সম্পর্কিত আর বাকি দুটো শার্লক হোমসের। আর এ দুইয়ে দুইয়ে চার মিলেই ‘ড্রাকুলা ভার্সেস শার্লক হোমস’। 💠 গল্পের নাম- ড্রাকুলা'স গেস্ট লেখক- ব্রাম স্টোকার অনুবাদ- অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য মিউনিখ থেকে এক লোক ভ্রমণে বেরিয়েছেন। কিন্তু যাত্রাপথে তাকে বারংবার বাঁধা ও অদ্ভুত কিছু আচরনের সম্মুখীন হতে হয়েছে। তার যাত্রার কথা শোনে সেই এলাকার লোকেরা আকাশের দিকে তাকিয়ে বারবার ক্রস আঁকছিল আর বিড়বিড় করছিল। এছাড়াও একটা শব্দও বেশ কয়েকবার শুনতে পেয়েছে আগন্তুক। ওয়ালপারগিস নাহ্ট! লোকে বলে, এ রাতে মৃ-ত আত্মা ও শক্তিশালী অশুভ শক্তিরা কবর থেকে জেগে উঠে ও উল্লাস করে। কিন্তু এতোকিছু জানার পরেও লোকটি নিজের কৌতূহলের কাছে হেরে যায়। শত হলেও ইংল্যান্ডের রক্ত বইছে তার শরীরে। তাদের ভয় পাওয়া মানায় না! লোকটি এগিয়ে চলেছে নিষিদ্ধ ও হাজার বছর ধরে পরিত্যক্ত এক গ্রামে। যে গ্রামে বহুবছর হলো কোনো মানুষের পায়ের ছাপ পড়ে না। সময়টা সন্ধ্যার পরপরই। ঝড় ও তুষারপাত লোকটিকে একদম কাবু করে ফেলেছে। সামান্য ছাউনির আশায় এক পরিত্যক্ত ঘরের কাছাকাছি গিয়ে দেখতে পেলো সেটা আসলে সমাধিস্থল। সাহসী যুবক সেখানেই আশ্রয় নেওয়ার মনস্থির করলো। ঠিক সেসময়ই বেশ জোরে বর্জ্রপাত হলো আর সামান্য আলোর ঝলকে লোকটি দেখতে পেলো অপরূপা সুন্দরী এক মেয়ে বসে আছে সমাধিস্থলে। রোমাঞ্চকর, শিহরণ ও ভয়ের একটা স্রোত লোকটির মেরুদণ্ড বরাবর নেমে গেলো যেন! চারদিক থেকে নেকড়ে ও কুকুরের সম্মিলিত ডাকের পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বেড়ে চলেছে তুষারপাত ও ঠান্ডা। অন্যদিকে, লোকটি মিউনিখের যে হোটেলের উঠেছিল, সেখানে লোকটির উদ্দেশ্যে একটি চিঠি এসেছে। প্রেরকের স্থানে জ্বলজ্বল করছে হাড় হিম করা একটি নাম। ড্রাকুলা...! কি আছে লোকটির ভাগ্যে? সে কি ভয়ংকর এই স্থান ও অশরীরীগুলোর হাত থেকে মুক্তি পাবে? নাকি কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে নিজের প্রাণটাই খোয়াবে? গল্পটিতে আমি নতুন কিছুই পাইনি। বরং পড়ার পর মনে হচ্ছিল এমনটাই আশা করছিলাম মনে মনে। আর পুরো ব্যাপারটা যতদ্রুত শুরু হয়েছিল, তার থেকেও দ্রুত গতিতে যেন সমাপ্তি ঘটেছে। মজা পাইনি! তার উপরে অনুবাদও ভালো না। বুঝতে পারছিলাম আমি কোনো অনুবাদ বই-ই পড়ছি। সবমিলিয়ে আমি হতাশ। 💠 গল্পের নাম- দি এস্কেপ অভ জোনাথন হারকার লেখক- নিঝুম এই গল্পটি পড়ার পূর্বে ড্রাকুলা বইটা পড়ার দরকার হবে। তবে এক্ষেত্রে একটা সমস্যাও থেকে যায়। ড্রাকুলা পড়ার সময় যেই টানটান উত্তেজনা পাওয়া যাবে, এখানে সেটা মিসিং থাকবে। ফলে যেই আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করবেন সেটা ফিলআপ হবে না। বইটিতে আছে জোনাথন হারকারের ট্রানসিলভ্যানিয়ার ড্রাকুলা ক্যাসল থেকে পালানোর সেই ঘটনাটা। খুবই সাধারণ লেগেছে সবটা। ড্রাকুলা যখন কফিনে করে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় ঠিক তখন থেকে জোনাথনের পালানোর তোড়জোড় শুরু। গল্পটিতে ক্যাসলটির যে উচ্চতা দেখানো হয়েছে আর ড্রাকুলা বইয়ের ক্যাসলটির উচ্চতার মাঝে আমি বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করেছি। গল্পটিতে বলা আছে জোনাথন বিছানার চাদর লম্বালম্বি করে নিয়ে প্যাঁচিয়ে দড়ি বানিয়ে এরপর প্রাসাদ বেয়ে নামে। সেখানে বলা হয় চাদরটা ঠিকভাবে ছেড়ে দেওয়ার পর এমন একটা জায়গায় শেষ প্রান্ত পৌঁছায়, যেখান থেকে জোনাথন খুব সহজেই কাছাকাছি একটা কার্নিশে চলে যেতে পারবে। সেখানে থেকে কিছুটা লাফ দিলে আরেকটা কার্নিশ আর এরপর খুব সহজেই মাটিতে নেমে যাওয়া যাবে। পাশেই আবার মস্ত বড় খাদ। এসবটা বিবেচনায় ক্যাসলটার উচ্চতা কমই মনে হলো আমার। কিন্তু ড্রাকুলায় সেটা ছিল বিশাল। এছাড়াও আমার মনে হলো জেনাথনের ভাগ্য একটু বেশিই তার সহায় হয়েছে। চাদরটার এরকম জায়গায় এসে পৌঁছানো, হাত ফসকে গিয়ে খাদে না পড়ে মাটিতে পড়া আবার সেই জায়গার মাটি নরম হওয়ার কারণে হাত-পা বা পুরো শরীরই অক্ষত থাকা একটু বেশিই কাকতালীয় না? এরপর নতুন এক লোকের দেখা পাওয়া, সে লোকটির জোনাথনের জ্ঞান ফেরানো, এরপর তিন পিশাচিনীর খবলে নিজেকে তুলে দিয়ে জোনাথনকে বাঁচানো! সবটাই কেমন যেন সহজ লাগলো পূর্বের ঘটনারগুলোর সাথে তুলনা করলে। এছাড়াও আরেকটা অসাঞ্জস্যতা পেয়েছি বইয়ে। ❝রামোনা পথপ্রদর্শক হয়ে আমার আগে আগে হাঁটছিল। আর আমিও নিঃশব্দে তাকে অনুসরণ করছিলাম। মনের মাঝে অজানার কৌতূহল, লোকটা কে?❞ এখানে স্পষ্টতই দেখা যায়, জোনাথন লোকটিকে চিনে না। এমনকি তখন পর্যন্ত লোকটিও নিজের নাম বলেনি। তাে জোনাথন জানলো কি করে লোকটির নাম রামোনা? লেখক বোধহয় এখানে এই ছোট্ট ভুলটি করে ফেলেছেন। 💠 গল্পের নাম- দ্য থ্রি মোনার্কস লেখক- অ্যান্টোনি হরোউট্জ অনুবাদ- শাবাব আব্দুল্লাহ অ্যাথেলনি জোনাস এক অদ্ভুত কেস নিয়ে শার্লক হোমসের দ্বারস্থ হয়েছে। একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে মালিকপক্ষের হাতে চোরের খু-ন। খুবই সহজ ঘটনা। খালি চোখে দেখলে আত্মপক্ষ সমর্থনের মতো যুক্তিও হাতের কাছেই। নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে চোরের উপর আক্রমণ! কিন্তু সবথেকে অদ্ভুত বিষয় হলো চোরের থলে থেকে খুবই মামুলী তিনটি মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। তাও আবার মূর্তি তিনটি দেখতে একইরকম। হাটে বাজারে যে মূর্তি চাইলেই অল্পকিছু পয়সা খরচ করে নিজের কাছে নিয়ে আসা যায়, সেই মূর্তি চুরি করতে গিয়ে কে নিজের প্রাণ হারাতে চায়? সে যতই চোর হোক। পুরো কেসের এ জায়গাটায় এসেই যত জট। শার্লক হোমসের তদন্ত শুরু। সাথে আছে সহযোগী ওয়াটসন। তদন্তে বেরিয়ে আসতে লাগলো একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অপরাধী আসলেই দুর্ভাগা! নয়তো এতো সুন্দর সাজানো গুছানো কেসটার কেনই বা শার্লক হোমসের হাতে এসেই পড়তে হলো? আর কেনই বা তাকে যেতে হলো গরাদের পেছনে? কিন্তু সবথেকে বড় প্রশ্ন হলো অপরাধীই বা কে? আর সে একজন সামান্য চোরকে খু-নই বা করতে গেলো কেন? এই গল্পটা পড়ে মজা পেয়েছি আর শার্লক হোমসের তুখোড় বুদ্ধি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। তবে অনুবাদ খানিকটা কাঠখোট্টা ছিল। মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে। 💠 গল্পের নাম- দ্য ডক্টর'স কেস লেখক- স্টিফেন কিং অনুবাদ- জাওয়াদ উল আলম বরাবরই আমরা শার্লককে কেস সলভ করতে দেখেছি আর ওয়াটসন ছিল তার বোকাসোকা সহকারী। কেমন হয় যদি সেই বোকা ছেলেটাই শার্লক হোমসের আগেই কোনো কেস সলভ করে ফেলে? ঠিক এমনটাই ঘটেছে এই গল্পে। কেসটা হলো লক রুম মিস্ট্রি। বন্ধ রুমে হয়েছে খু-নটা। রুমটির একটাই দরজা। সেক্ষেত্রে বাহির থেকে কারো ঢুকাও সম্ভব নয়। সবথেকে বড় কথা হলো খু-ন হওয়া লোকটি ছিল খুবই বাজে চরিত্রের। যিনি নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে আজীবন চাকরের মতো ব্যবহার করে এসেছেন। স্ত্রীর গায়ে হাত তোলা তার শখের মধ্যে পড়ে। এতো সহায়-সম্পত্তির মালিক হয়েও তার স্ত্রী সন্তানদের থাকতে হতো লোকটির পায়ের নিচে। আজীবন সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে তাদেরকে দিয়ে নিজের আঁখের গুছিয়েছেন। শেষ বয়সে এসে নিজের সমস্ত সম্পত্তি তিনি বিড়ালদের এতিমখানায় দান করার জন্যও উইলও করে যান। কিন্তু এ খু-নের পেছনের মোটিভটা কি? কোনোভাবে তার অভদ্র আচরণ ও সম্পত্তিই দায়ি নয়তো? শার্লক হোমস তদন্তে নেমেছে। সাথে আছে ওয়াটসন। সে শার্লকের জিজ্ঞাসাবাদ চুপচাপ শুনে যাচ্ছে। এরপর তারা চলে এলো ক্রাইম সীনে। পুরো ঘরটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে গিয়েই পিলে চমকে উঠলো ওয়াটসনের। এতটা ক্রিয়েটিভ আইডিয়া? শুধু খুন করার পদ্ধতিই নয়, সে ইতোমধ্যে খু-নিকেও আইডেন্টিফাই করে ফেলেছে। কিন্তু এরপর? নিজের সাগরেদের এই উন্নতি শার্লক হোমস কেমন চোখে দেখবেন? আর কেসটিতে অপরাধীই বা কে অথবা বলা যায় কয়জন? কেনই বা খু-ন করা হলো বৃদ্ধ লোকটিকে? দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়ে করা অপরাধের শাস্তি কি পেতেই হয় সবসময়? এই গল্পটা ভালো ছিল। সবগুলো গল্পের চেয়ে এটা অনেকটাই বড়। অনুবাদও ভালো লেগেছে আমার। খু-ন করার পদ্ধতি দেখে আমি যারপরনাই অবাক হয়েছি। ব্রিলিয়ান্ট বলাই চলে! বই- ড্রাকুলা ভার্সেস শার্লক হোমস সম্পাদনায়- নিঝুম প্রকাশনী- বেনজিন প্রকাশন পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৬০ মুদ্রিত মূল্য- ২৫০ টাকা




