
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
এই বইটি তে প্রচুর পরিমাণে তথ্য রয়েছে। লেখক কে ধন্যবাদ তার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য। এটাও ভালো লেগেছে যে তিনি ধার্মিক মুসলমান দের জন্য সতর্কতা দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। খুবই বুদ্ধিমান লেখক।
Was this review helpful to you?
or
liked it
Was this review helpful to you?
or
অসধারন
Was this review helpful to you?
or
অনেক জটিল কিন্তু অসাধারণ তথ্যবহুল বই এটা। অনেক অজানা তথ্য পেলাম রেফারেন্স সহ। অনেক অনেক দোয়া এবং শুকরিয়া লেখক কে।
Was this review helpful to you?
or
সর্বশেষ হিসাব মতে বর্তমান পৃথিবীতে খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী ২.৮ বিলিয়ন যা পৃথিবীর বর্তমান জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ। আমাদের কি কখনো মনে হয়েছে যে এত বেশি সংখ্যক মানুষ যে ধর্মের অনুসারী সেই ধর্ম সম্পর্কে জানার? কখনো কি আগ্রহ জেগেছে যে এই ধর্মের গোড়াপত্তন হয়েছিল কখন, কিভাবে, কার মাধ্যমে? তখনকার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটই বা কেমন ছিল? বা কখনো কি মনে হয়েছে যীশুকে কেন শুলে চড়ানো হয়েছিল। আমি এখানে বারবার যীশু উচ্চারণ করছি, আমাদের ধর্ম মতে আমরা উনাকে ঈসা আলাইহিস সালাম বলেই চিনি। জেনে হয়তো অবাক হবেন উনাকে মূলত নবী হিসেবে পাঠানো হয়েছিল বনি ইসরাইলীদের কাছে। তাঁর ভাষ্যমতে, "আমি ইসরাইলের অর্থাৎ ইহুদিদের হারানো ভেড়াদের প্রতি প্রেরিত হয়েছি"। কিন্তু সেই ইহুদীরা তাকে নবী বলে মেনে নেয়নি, এমনকি তৎকালীন ইহুদি ইমামরা তৎকালীন রোমান সাম্রাজ্যের গভর্নর এর নিকট যীশুকে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করে এবং তাকে কালার করে ফেলে। সত্য মিথ্যার মিশেল ঘটিয়ে ইহুদি ইমামরা রোমান শাসকদের বোঝাতে সক্ষম হয় যে যীশু তোমাদের সাম্রাজ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এবং এবং তারা এক প্রকার রোমান শাসকদের বাধ্য করে যীশুকে শূলে চড়িয়ে হত্যা করানোর। যদিও এর পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী ভিন্ন। তারা যীশুকে অর্থাৎ ঈসা (আ) কে হত্যা করতে পারেনি আল্লাহ উনাকে রক্ষা করেন। এবং তাঁকে চতুর্থ আসমানে উঠিয়ে নেন। কিন্তু শুলে চড়ানোর আগে ইতিহাস এবং ঘটনা প্রবাহ একই ধারায় প্রবাহিত। ইহুদিরা যীশুকে নবী রুপে মেনে না নেওয়ার অনেকগুলো কারণ তারা বলে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম হলো- ১.তাদের ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী যীশু মাসিহ্ (ত্রাণকর্তা)হবেন দাউদ (আ:) বংশধর । এখন যীশু যদি পবিত্র আত্মা থেকে থেকে আগত সন্তান অর্থাৎ পিতা ছাড়া শুধুমাত্র মরিয়ম অথবা মেরির মাধ্যমে যদি জন্ম হয়ে থাকে, তাহলে উনি পিতার দিক থেকে তো দাউদের বংশধর হতে পারেনা। ২.তারা আরো বিশ্বাস করে যিনি মাসিহ্ অর্থাৎ যীশু হবেন তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত টেম্পেল অফ সোলেমান পুনঃনির্মাণ করবেন। কিন্তু তখন সেকেন্ড টেম্পেল অফ সোলেমান ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল না। এবং কোনা সত্যিকারের নবী তার কাজ শেষ না করে মারা যাবেন না অর্থাৎ ক্রুসে চড়ে মৃত্যুবরণ করা তৎকালীন এবং বর্তমান ইহুদিদের জন্য একটি অপমানজনক মৃত্যু। এবং ইহুদীরা যীশুকে ভন্ড নবী হিসেবেই দেখে ইহুদিদের ইতিহাসে তিনি একজন খল চরিত্র। যাহোক সে এক বিস্তারিত আলাপ। কথা প্রসঙ্গে যখন রোমান সাম্রাজ্যের কথা চলে এল তখন একটি বিস্ময়কর তথ্য বলি, রোমান শাসকরা কিন্তু যীশুকে শুলে চড়িয়ে হত্যা করেছিল, কিন্তু কালের পরিক্রমায় এই রোমান শাসকরাই একসময় খ্রিষ্ট ধর্মের প্রচার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে এবং তাদের রাজ ধর্মে পরিণত হয়। প্রায় আড়াই হাজার বছরের এই ঘটনা প্রবাহ গুলো নিয়ে 'আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ' ভাইয়ের "ব্যাথেলহেমের নক্ষত্র খ্রিষ্ট ধর্মের ইতিহাস" বইটি। এটি শুধুমাত্র একটি বই নয় এটি একটি ইতিহাসের প্রামাণ্য দলিল। যা ইতিহাসপ্রেমী সকল পাঠকদের সংগ্রহে রাখা উচিত বলে মনে করি।
Was this review helpful to you?
or
ইহুদি-খ্রিষ্টান-মুসলিম সব দৃষ্টিকোণ হতে ব্যাখ্যা করেছেন। অনেক অনেক ভালো লেগেছে। তথ্যবহুল লেখা।
Was this review helpful to you?
or
খ্রিস্টধর্মের ইতিহাস অত্যন্ত বিস্তৃত, যা সংক্ষেপে বর্ণনা করা অনেকটাই দুঃসাধ্য। কিন্তু লেখক আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ দুই মলাটের মধ্যে খ্রিস্টধর্মের জানা-অজানা ইতিহাস নিয়ে গভীর বর্ণনা দিয়েছেন, আলোচনা করেছেন ইহুদি-খ্রিস্টান-ইসলাম এই তিন সেমিটিক ধর্মের পরস্পর সম্পর্ক, মিল-অমিল এবং বিরোধ নিয়ে। যারা সহজপঠ্য ভাষায় এইসব ব্যাপারের বেসিকগুলোর ব্যাপারে জানতে চান, বাংলাভাষায় এর থেকে উপযুক্ত বই পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।




