
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
এটা ছোট একটি বই তবে এটা আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছে।এই বইটা আমাদের বুঝতে শেখায় যে সময় আমাদের হাতে খুবই কম।তাই আমাদের এটার যথাযথ ব্যবহার করা উচিত।
Was this review helpful to you?
or
It’s really a great story but lively
Was this review helpful to you?
or
This novel touched my heart deeply—I couldn’t stop my tears while reading it. The way it shows a mother’s love and a son’s regret felt so real and emotional. Brother, you truly have magic in your words. This book is not just a story, it’s a reminder of how important our parents are. May Allah bless you a lot in your writing journey.
Was this review helpful to you?
or
প্রায়শই ছোট ছোট বিষয়ে আমাদের স্নেহময়ীরা অভিমানের সুরে বলে ওঠেন, ‘যখন মা হবা তখন বুঝবা ভুবনে মায়ের মতো মমতাময়ী আর কেউ নেই বা আমি চোখ বুঝলেই দেখবা জগতে আর আলোর আশা নেই।’ সত্যি এ-কথায় এক রত্তিও ফাঁক নেই। মায়ের মাহাত্ম্য বুঝতে আসলে মায়ের থেকে দিন কয়েক ফারাক থাকলেই যথেষ্ট মনে হয়। সৃষ্টিকর্তা যদি আমাদের গল্পে মা নামক চরিত্রটি না রেখে শূন্যস্থান রাখতেন তবে সন্তানরা হয়তো দুনিয়ার পরীক্ষাগারে ছিটকে পড়তো কুঁড়ির মতো। স্নেহময়ীর আঁচলের ছায়াতেই তো মানুষের মনে স্নেহ,মায়া-মমতা, ভালোবাসা আর মানবিক গুণগুলি বিকশিত হয়ে ডালপালা গজায়। সেই ডালপালাই একসময় পথিকের ক্লান্তি দূর করে মনে জাগায় একরাশ প্রশান্তি। আর যদি সেই স্নেহময়ী না থাকেন তবে........... ➡️প্রারম্ভিকা: ‘স্নেহময়ী’ একজন নিরীহ মা এবং তার অভিমানী ছেলের গল্প। একসময় যে ছেলেকে তার মায়ের মুখখানি একঝলক দেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির দিন গুনে অপেক্ষা করে থাকতে হতো, ঘর্মাক্ত খোকা শহরের ব্যস্ত পথ মাড়িয়ে ছুটে আসতো মায়ের আঁচলে নিজের ক্লান্তি মুছে মমতার পরশে দেহ-মন জুড়িয়ে নিতে সেই সন্তানই মায়ের ওপর এক আকাশ অভিমান মেঘের পালকে সাজিয়ে নিয়ে নিজের স্বপ্নের পথে ছুটতে ছুটতে মা-কে ভুলে বসলো শরতের কাশফুলের ঝরে পড়া পাপড়ির মতো কিন্তু তবুও বাতাসে কাশফুলের পাপড়ি হয়ে স্নেহময়ী সুলতানা বেগম খুঁজে বেড়িয়েছেন নিজের খোকাকে। নিজের সবটা খোকা আয়মানের তরে জমিয়ে রেখে নিজে হয়েছেন বিলীন। জীবনের শেষ কালেও স্নেহময়ীর দুআতে ছিল সন্তানের ভালো থাকার ও সন্তানের কল্যাণের ফরিয়াদ। কিন্তু অভিমানী আয়মান যখন স্নেহের আঙ্গিনায় পা রাখলেন ফিরে এলেন সেই মমতাময়ীর বিণের হিল্লোলে নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনটির সাক্ষী করতে তখনও সে জানতো না তার জগতের শেষ আলোটিও আজ নিভে গেছে। যে লাল শাড়ী পড়ে মা এই বাড়ীতে এসেছিলেন তিনি আজ সাদা শাড়ীতে সেজে যেতে প্রস্তুত। আজ আর মা আয়মানের আনা সেই নীল পাড়ের শারী পড়বেন না, কিছুতেই তার আঁচলে আজ আয়মানের ঘাম মুছিয়ে দেবেন না। অভিমান মানুষকে কেমন ছন্নছাড়া করে দেয়। জগতের সব জায়গায় অভিমান জন্মালেও কি মায়ের ওপর ওমন অভিমান কেউ পুষে? ➡️কাহিনি সংক্ষেপ: গ্রামের আদর্শ মাস্টার মোতাহারের একমাত্র ছেলে আয়মান। জীবনের পারাপারে একটা সময় বাবা নামক বটবৃক্ষটি এক সন্ধায় তুমুল ঝড়ে মূলসমেত উপরে আসে। সারারাতের নিভু নিভু বাতিটাও ভোরবেলায় মিয়িয়ে অতলে গহ্বরে হারায়। বাবাকে হারিয়েও বাবা নামক বটবৃক্ষ থেকে ছায়া স্বরূপ যেই আত্মমর্যাদাবোধ এবং বাবার দেখানো স্বপ্ন সে পেয়েছিল তা তখনও দীপ্ত জ্বলছিল। বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে বুকের কষ্ট চাপা দিয়ে মায়ের পরশ দূরে ঢেলে ঢাকায় মামার বাড়ি পাড়ি জমায়। একসময় সেই ঠিকানাটাও তার ছাড়তে হয় অবশেষে ঢাবির বন্ধুদের সাথে মেসে আবাসস্থল পাততে হয়। নিজের জোড়ে কিছু করার উদ্যমে মায়ের কাছে ভীড়ে তার অতী যত্নে রাখা মায়ের বালা জোড়াও চেয়ে বসে (আয়মানের নানীর দেয়া শেষ চিহ্ন) কিন্তু স্নেহময়ী মা জমানো টাকা আর সোনার চেইন খানা দিলেও তার মায়ের শেষ স্মৃতিটুকু হাতবদল করতে চাননি। মায়ের এহেন আচরণে আয়মানের ভারিক্কি অভিমান হয়, মায়ের সাথে যোগাযোগ করার সকল পথ বন্ধ করে সফল হওয়ার জেদকে লালন করতে থাকে। জেদের পাহাড় যখন তার তল হারিয়ে দিকবিদিকশুন্য তখন আয়মান ফিরে আসে মায়ের জন্য নীল পাড়ের শাড়ী নিয়ে কিন্তু মা তো তার আসার আগেই বিদায় নিয়েছেন। ➡️পাঠপ্রতিক্রিয়া: আজ এক বসায় শেষ করেছি বইটি। ১২৫ পৃষ্ঠার ছোট্টো একটি বই কিন্তু এর ভাবার্থ অনেক গভীরে শেকড় গেঁড়ে বসেছে। গল্পের মূল কাহিনি স্নেহময়ী মাকে ঘিড়ে। শুরুতে যদিও আমি তার যোগসূত্র খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। লেখকের প্লট বিন্যাসের তারিফ করতে হয় যে বইয়ের নামের পদচিহ্ন দিয়ে পাঠকদের বেশ ভালো কব্জা করেছেন। গল্পের মূলে স্নেহময়ী এবং তার অভিমানী সন্তান থাকলেও এর পাশাপাশি আমি একজন বাবা এবং তার আদর্শে বেড়ে ওঠা সন্তান আয়মানকেও খুঁজে পেয়েছি। সাপোর্টিভ চরিত্র হিসেবে আয়মানের দরাজদিল নানা আয়মানের শ্বশুর মকবুল হোসেনের রূপেই যেনো ধরা দিয়েছেন। পুরো বইটা ভাবলেশহীনভাবেই পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম কই কোথায়ও তো চোখের বৃষ্টি নামছে না আর অপেক্ষা করছিলাম সেই বৃষ্টিস্নাত ট্রাজেডিক প্লটের। অবশেষে যখন পেয়েই গেলাম স্নেহময়ীর হৃদয় ভেঙে দেয়া বিদায়ের ভেলাটি তখন আমার চোখজোড়াও ভেলায় চড়ে ডুবে গেলো নেত্রবারীতে। আমার বড্ড বেশি রাগ জমেছে আয়মানের ওপর। মায়ের সাথে এমন অভিমান কেমন করে করলো সে! আয়মানের মতো খুব আফসোস হচ্ছে আমার নিজেরও এই ভেবে সে শেষবারের মতো মায়ের কাছে ক্ষমাও চাইতে পারলো না! নিজের সফলতার ভাগটুকুও মাকে দিতে পারলো না। ➡️শেষকথা: ১২৫ পৃষ্ঠায় মন ভরেনি। রেবেকা সুলতানাকে সাথে নিয়ে গল্পটা আরেকটু পথ চললে বোধহয় মনের আঁশ মিটতো..........। যদি 'স্নেহময়ীর' ২য় আরেকটি বই আসে তাও নেহাৎ মন্দ হবে না। ➡️রেটিং: ৪.৫/৫
Was this review helpful to you?
or
'স্নেহময়ী' শুরুর আগেই, বইয়ের লেখককে বলেছিলাম, "আশা করছি অন্য বইগুলোর চেয়ে এ বইটা ছাড়িয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।" কথাটার হেরফের হয় নি আলহামদুলিল্লাহ। এবারের বইয়ের বিষয়বস্তু আগের প্রতিটা বইয়ের চেয়ে ব্যতীক্রম ছিল—এ বিষয়টা চমৎকার লেগেছে। সচরাচর উপন্যাস মানেই প্রেম আর কিছু নিছক গল্প হয়। কিন্তু 'স্নেহময়ী' এমন এক উপন্যাস যার পরতে পরতে রয়েছে বাস্তবতার আভাস। আমি বরাবরই এমন যে, বই পড়ে প্রায়ই কাঁদতে শুরু করি। 'স্নেহময়ী' আমায় সেই খোরাকটাই দিল। এমন কিছু অংশ, এমন কিছু কথা বইতে উঠে এসেছে, যা পড়তে গিয়ে—গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল, অশ্রু যেন ঝরনার ন্যায় গাল বেয়ে ঝরে যাচ্ছিল। অভাবের সংসার থেকেও যে উঠে আসা যায়, অভাবের সংসারকে স্নেহময়ীরা কীভাবে আবার রুপোলি সংসারে পরিণত করেন, পুরনো স্মৃতি যে মানুষকে তিলে তিলে কাঁদায়, জীবনের কোন এক ভুল যে সারাজীবনের দুঃখ হিসেবে বুকের এক কোণে জমা হয়ে থাকে—এমন বাস্তবধর্মী চিত্রগুলোই ফুটে উঠেছে এ উপন্যাসে। স্নেহময়ী নাম হলেও উপন্যাসে শুধু মা চিত্রই ফুটে উঠেনি বরং বাবা নামক পুরুষের এক সৎ চরিত্রও সাহিত্যের ভাষায় ফুটে উঠেছে। পরামর্শ : উপন্যাসটিতে মাঝে মাঝে ছোট ছোট ৩-৪ লাইনের কবিতা যুক্ত করা যেত। পরবর্তী বইগুলোতে লেখক এ কাজ করতে পারলে দারুণ হবে বলে আমার বিশ্বাস। ভারতীয় এক লেখকের উপন্যাসে এমন চিত্র দেখেছি। লেখক নিজেও সে লেখককে চিনেন। সেই লেখকের থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এ পরামর্শ দেয়া। তাই, এ বিষয়টা বাস্তবায়ন করতে পারলে ইনশাআল্লাহ দারুণ হবে। আমি সাধারণত রেটিং করি না রিভিউতে। এ অভ্যাস আমার নেই। তবে উপন্যাসের বিষয়বস্তু এবং প্লট বাছাই আসলেই মাশাআল্লাহ সুন্দর হয়েছে। সবদিক বিবেচনা করলে, আমার বিশ্বাস উপন্যাসটি পাঠককে এক মুহূর্তের জন্যও হতাশ করবে না ইনশাআল্লাহ বরং স্নেহময়ীকে 'তুমি আধুনিক যুগের কী বুঝো!'—এ কথা বলার আগে দশবার ভাবতে শেখাবে ইনশাআল্লাহ। লেখকের একটা চমৎকার গুণ আছে যে কারণে, আমি তার বই পড়ি এবং অন্যকেও পড়তে বলি, তা হচ্ছে—সাহিত্যের ভাষায় সত্যকে উপস্থাপন করা। এ কথাটাও না হয় রিভিউয়ের অংশ হিসেবেই থাকুক, কী বলেন?
Was this review helpful to you?
or
মাত্র কিছুক্ষণ হলো পড়া শেষ করলাম!!!! চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি!!!এখন ও চোখে পানি জমে আছে!!!😭😭😭😭 সত্যি অসাধারণ একটা উপন্যাস!এ যেন বাস্তব কাহিনী!লেখক, মায়ের প্রতি সন্তানদের ভালোবাসা আর,সন্তানদের প্রতি মায়ের ভালবাসার এক অনন্য চিত্র যেন ফুটিয়ে তুলেছেন এই বইটিতে!বইটি পড়লে যেকেউই চোখের অশ্রু ঝরাবেন এটা আমার বিশ্বাস এবং আপনার মায়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা উপলব্ধি করবেন!




