
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
দারুণ থ্রিলার। যেকোন থ্রিলার প্রেমীর অবশ্যই ভালো লাগবে
Was this review helpful to you?
or
৫ আগস্টের(২০২৪) পরবর্তী সময়। সারাদেশ জুড়ে আইনশৃঙ্খলা'র পরিস্থিতি ভয়াবহ রকমের খারাপ। এরই মধ্যে ঘটে যায় কয়েকটি নৃশংস ঘটনা: ১.কোলাহলপূর্ণ নাজিরা বাজারে একে একে কু*পি*য়ে হ*ত্যা করা হয় ১২ জনকে। এমনভাবে ঘটানো হয় যেন ওই ১২ জনকে কেউ চিহ্নিত করতে না পারে। ২. মেট্রোরেলে বো*ম্বি*ং করা হয়। এতে অনেক মানুষ আহত এবং নিহত হয়। ঢাকার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। ৩. বিবিসি সাংবাদিক ওয়াল্টার থর্ন জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন করতে এসেছিল। তার হাতে এমন কিছু গোপনীয় তথ্য চলে আসে যার কারণে তাকে খু*ন হতে হয়। পাশাপাশি চলতে থাকে আরো কিছু গভীর ষড়যন্ত্র। এসব ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এবং ফেনী ব্রিজ। কি হতে যাচ্ছে সেখানে? এতসব ঘটনা ঘটে চলেছে, একটা নির্দিষ্ট সংঘটনের নাম বারবার উঠে আসছে। সেট হলো "ইত্তিহাদ পার্টি"। কি চায় তারা? তদন্তে নেমে পড়ে অব. মেজর রাশেদ উমার। মিলিটারি তে থাকাকালীন আফ্রিকার মিশনে এক পা হারিয়ে ফেলেন। মেটালের পা ব্যবহার করেন। এখন একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ হিসেবে কাজ করেন। নিজেকে মি: উমার নামে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। এর আগে কয়েকটি জটিল এবং কঠিন কেস সমাধান করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। উক্ত ঘটনাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপ পাওয়ার মত অবস্থা তার। যেভাবেই হোক অপরাধীদের খুজে বের করতে হবে এবং দেশের বিরুদ্ধে হতে থাকা ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। "হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন"- রায়হান মাসুদের লেখা একটি ক্রাইম-থ্রিলার জনরার বই। সাথে ডিটেক্টিভ টাচ আছে। উপরে যা যা লিখেছি সেগুলো গল্পের অংশবিশেষ। কিছু সেন্সিটিভ বিষয় নিয়ে গল্প সাজিয়েছেন লেখক। জুলাই পরবর্তী সময়টা যে কত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপজ্জনক ছিল সেটা লেখক তুলে ধরতে চেয়েছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম*ব অ্যাটাক সহ অভ্যন্তরীণ কিছু ষড়যন্ত্রের ঘটনা উল্লেখ করেছেন। মূলত এই ইলিমেন্ট গুলো মিলিয়ে সেসময়ের অল্টারনেট আরেকটা টাইমলাইন তৈরী করেছেন লেখক। প্রশংসনীয়। এই বিষয়গুলো ভালো লেগেছে। কিছু বিষয় আমার কাছে ভালো লাগে নি। আবার কিছু বিষয়ে কনফিউশনে পড়তে হয়েছে। পড়তে গিয়ে বিরক্তবোধ করেছি। সেগুলো হলো: ১. " মি: উমার"- নামের পুনরাবৃত্তি। একটা জায়গায় দেখা গেছে ১০/১১ বার নামের রিপিটেশন হয়েছে। প্রায় সব জায়গায় কমবেশি এই সমস্যা দেখা গিয়েছে। ভালো দেখায় না এটা। লেখকের উচিত ছিল সর্বনামের ব্যবহার করা। ২. শুরুর দিকে বেশ কিছু জায়গায় "ই" ব্যবহার এর আধিক্য দেখা গিয়েছে। চাইলে কমানো যেত। ৩. বইয়ের গল্পটা আসলে "ওয়ান ম্যান আর্মি" টাইপ গল্প। গল্পের প্রয়োজনে যতগুলো ইনভেস্টিগেশন এসেছে সবগুলোতে কীভাবে কীভাবে যেন রাশেদ উমার জড়িয়ে পড়ছে। এখানে ভিন্নতা রাখা দরকার ছিল। ৪. উমারের সাথে ৬/৭ জনের একটা ফাইট সীন আছে। এটা আমার কাছে অতিমানবীয় লেগেছে। প্রতিপক্ষ যদি ২/৩ জন হতো তাহলে পারফেক্ট হতো। ৫. খটকা-১: আমি প্রথমে ৩ টা ঘটনা উল্লেখ করি সাথে অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের কথাও উল্লেখ করি। আচ্ছা এখানে কি ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট এর ডিটেইলস দেওয়া যেত না? এতে গল্পের স্ট্রাকচার আরো ভালো হতো বলে আমি মনে করি। খটকা-২: ওয়াল্টার বিদেশি একজন সাংবাদিক। তাকে হ*ত্যা করা হয়। একজন বিদেশি সাংবাদিকের এই পরিণতি হলো। কিন্তু দেশের উপর কোনো কূটনীতিক চাপ আসলো না। এটা কি উল্লেখ দরকার ছিল না? এখন অনেকে বলতে পারেন, লেখকের কল্পনা প্রসূত লেখা এটা। কিছু বিষয় উল্লেখ নাও করতে পারেন। কিন্তু উনি যেসব কনসেপ্ট এর উপর গল্প লিখেছেন সেখানে এসব পয়েন্টগুলো ব্যাখ্যা করা দরকার ছিল। ওভারল বইটা আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে। বেশি ভালোও না আবার বেশি খারাপও বলব না। যাদের ওয়ান ম্যান আর্মি টাইপ বই পছন্দ তারা পড়তে পারেন। আর লেখকের পরবর্তী উমার সিরিজের বইয়ের জন্য শুভকামনা রইল। এইতো! ভালো থাকবেন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক। ধন্যবাদ! বই : হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন লেখক : রায়হান মাসুদ প্রকাশনা : অনুজ প্রকাশন/Anuj Prokashon প্রচ্ছদ : নিভৃতচারী
Was this review helpful to you?
or
🔥 মস্তিষ্ক ওলট-পালট করা এক মাস্টারপিস থ্রিলারঃ "হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন" 🔥 পুরান ঢাকার নাজিরা বাজার। দিনের আলোয় সিসিটিভি বন্ধ করে ১২ জন মানুষকে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হলো। লাশগুলোর চেহারা এতটাই বিকৃত যে চেনার উপায় নেই, এমনকি শরীরে নেই কোনো পোশাকও! ঠিক একই সময়ে মেট্রোরেলে ভয়াবহ বোমা হামলা। পুরো দেশ যখন আতঙ্কে কাঁপছে, ঠিক তখনই লাশ হলেন বিবিসি-র সাংবাদিক ওয়াল্টার থর্ন। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের গোপন ক্ষত খুঁজতে এসে কী এমন জেনেছিলেন ওয়াল্টার? কেন তাকে মরতে হলো? মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে ওয়াল্টার সাহায্য চাইলেন মিঃ উমারের কাছে। কে এই উমার? এক পা হারানো এই মানুষটি একসময় ছিলেন নাইজেরিয়া মিশনের ‘কিলিং স্কোয়াড’-এর ত্রাস! বাঘ কি কখনো থাবা দিতে ভোলে? সাংবাদিকের সেই ভিডিও বার্তা মিঃ উমারকে টেনে আনে এক ভয়ংকর কন্সপিরেসি থিওরির মাঝখানে। 📘 বই: হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন ✍️ লেখকঃ ডাঃ রায়হান মাসুদ বিপু কেন এই বই আপনার রাতের ঘুম হারাম করবে? ১. ভয়ংকর প্লটঃ ১২টি বিকৃত লাশ, একটি গোপন ভিডিও বার্তা আর ‘ইত্তেহাদ পার্টি’ নামের এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট। গল্পের প্রতিটি সুতো জট পাকানো, আর সেই জট খুলতে গিয়ে পাঠক নিজেই আটকা পড়ে যাবেন। ২. দুর্ধর্ষ প্রোটাগনিস্টঃ মিঃ উমার কোনো সাধারণ গোয়েন্দা নন। নাইজেরিয়ার কিলিং স্কোয়াডের সাবেক এই অফিসার যখন তদন্তে নামেন, তখন তার ভয়ে কুঁকড়ে যায় ষড়যন্ত্রকারীদের দল। তাকে থামানো অসম্ভব! ৩. টুইস্টের খেলা: ডাঃ রায়হান মাসুদ বিপু পাঠকের মন নিয়ে রীতিমতো খেলেছেন। আপনি যা ভাববেন, তা হবে না। টুইস্টের পর টুইস্ট আপনার চিন্তাশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাবে। শেষ পৃষ্ঠায় না যাওয়া পর্যন্ত আপনি বুঝতেই পারবেন না—আসলে কী ঘটছে! ৪. গহীন রাজনীতি ও রহস্যঃ সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী অফিসার আর আন্ডারওয়ার্ল্ডের গোপন আঁতাত—সব মিলে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি। মিঃ উমার কি পারবেন এই মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসতে? পাঠক রায়ঃ "হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন" কেবল একটি থ্রিলার নয়, এটি একটি এক্সপেরিয়েন্স। যারা ভাবছেন বাংলা থ্রিলারে নতুন কিছু নেই, তাদের ভুল ভাঙাবে এই বই। বইটা একবার হাতে নিলে শেষ না করে ওঠার সাধ্য আপনার নেই! গ্যারান্টি দিচ্ছি, এই বই পড়ার পর অনেকক্ষণ আপনি ঘোর থেকে বের হতে পারবেন না। এখনই সংগ্রহ করুন!
Was this review helpful to you?
or
Poira vallagse ... Writer er boi always pre order Kori ...
Was this review helpful to you?
or
শুরুতেই লেখক এর হুঁশিয়ারী, ভিতরে এমন কিছু সিন রয়েছে যার খাবার সময় না পড়াই শ্রেয়। যার বাস্তবতা যতই গল্পে ডুব দিয়েছি ততই অনুভূত হয়েছে। গল্পের প্লট যতই এগিয়েছে ততই মনে হয়েছে এ তো যেন বাস্তবতার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ঘটনা প্রবাহ গুলো এমন ভাবে সাজানো মনে হচ্ছিল দিব্যি চোখের সামনেই ঘটনাগুলো ঘটতেছে। প্রতিটা প্লট প্রতিটা চরিত্র ভিতরে একটি শিহরণ জাগাচ্ছিল, অনুভূত হচ্ছিল যেন কোন এক ভয়াবহ নাটক মঞ্চায়িত হচ্ছে। বিগত বইগুলোর মত বরাবরের মতো এবারও লেখক তার লেখনীর মধ্যে এমন ভাবে চরিত্রগুলোকে ফুটিয়ে তুলেছেন যা সাধারণত কোন লেখক ফুটিয়ে তুলতে পারবে কিনা আমার জানা নেই। লেখনীর মাধ্যমে বাস্তবতাকেও জাগিয়ে তোলা যায় এমন দৃষ্টান্ত মনে হয় এই লেখকের দ্বারাই সম্ভব। যদি নিজেকে এক অকল্পনীয় চিন্তার জগতে হারিয়ে ফেলতে চান তাহলে এই অনবদ্য বইটি হবে আপনার প্রথম পছন্দ।
Was this review helpful to you?
or
এক কথায় অসাধারণ। কারণ খুব সুন্দর মতো একটা থ্রিলার গল্প কি গা ছমছম টুইস্টের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করেছেন লেখক। অসম্ভব দারুণ একটি বই এবং সবাইকে রেকমন্ডেড। ❤️
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ একটা থ্রিলার বই। যারা থ্রিলার প্রেমি আছেন তাদের অবশ্যই এই বইটা পড়া উচিত। আশাকরি ৩গোয়েন্দার মতো আমরা ও আমাদের গোয়েন্দা মি.উমার কে পেতে যাচ্ছি যিনি এখন ১টা ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছে। এভাবেই হাজারো রহস্যের সমাধান এবং ষড়যন্ত্র রুখে দিবেন। ধন্যবাদ লেখক কে এমন একটা থ্রিলিং বই উপহার দেওয়ার জন্য। একই সাথে ধন্যবাদ রকমারি কে বইয়ের সাথে সুন্দর একটা গিপ্ট পাঠানোর জন্য।
Was this review helpful to you?
or
বই: হু কিল্ড ওয়াল্টার থর্ন লেখা: রায়হান মাসুদ জনরা: গোয়েন্দা থ্রিলার প্রচ্ছদ: নিভৃতচারী অনুজ প্রকাশন পৃষ্ঠা: ২০৮ সিরিজ: দ্য এডভেঞ্চার্স অফ মি. উমার (দ্বিতীয় বই) প্রকাশ্য দিবালোকে পুরান ঢাকার নাজিরা বাজারের জনবহুল রাস্তায় সিসি ক্যামেরা অকেজো করে নিশংসভাবে খুন করা হলো বারোজন পথচারীকে। খুনের পর খুনিরা ভিকটিমদের চেহারা বিকৃত করল, এমনকি পোষাক ও সরিয়ে ফেলল, যাতে কেউ ভিকটিমদের চিনতে না পারে। ভিকটিমদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট জোগাড় করলেও এনআইডি ডাটাবেজে কারো সাথে মিল পাওয়া গেল না। একই সময়ে কারা যেন মেট্রোরেল লাইনে বোমা মেরে কয়েকশো মানুষকে খুন করল। এইদিকে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন করতে আসা বিবিসির সাংবাদিক ওয়াল্টার থর্ন এমনকিছু জেনে ফেলল, যা তার জানা উচিত না। কিন্তু কি সেটা তা কাউকে বলার আগে তাকেও কারা যেন খুন করলো। মৃত্যুর আগে ভিডিও বার্তায় বিদেশী মিশনে পা হাড়িয়ে অকালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়া গোয়েন্দা মেজর রাশেদ উমারের কাছে সাহায্য চাইল ওয়াল্টার থর্ন। একসাথে দুইটা আলাদা নৃশংস খুনের তদন্তে নামতে বাধ্য হলো মি. উমার। তদন্ত করতে গিয়ে এক অতি গোপন সংগঠনের খোঁজ পেলো সে, যার নাম ইত্তেহাদ পার্টি। সেই ইত্তেহাদ পার্টিকে পরিচালনা করছে এক গোপন সিন্ডিকেট, যাদের সাথে সম্পর্ক আছে সেনাবাহিনীর কিছু বিদ্রোহী অফিসারের। কারা এই সিন্ডিকেট? কি তাদের উদ্দেশ্য? নাজিরা বাজারের ১২ জন খুনের সাথে এদের সম্পর্ক বা কি? মেট্রোরেল লাইনে বোমা হামলার সাথে কি তাদের কোনো সম্পর্ক আছে? আর ওয়াল্টার থর্নকে কে হত্যা করলো? কি জেনে গিয়েছিল সে? একে একে সব প্রশ্নের উত্তর খুজতে মি. উমার পড়ল এক রক্তাক্ত গোলকধাঁধায়, যে গোলকধাঁধায় একবার কেউ পড়ে গেলে তাকে বাঁচতে দেওয়া হয় না... অসম্ভব সুন্দর করে লেখা একটি বই। যাতে আছে রহস্য, থ্রিলার, সাসপেন্সে ভরা। কোথায় থেকে কোথায় নিয়ে যাবে টেরই পাওয়া যাবে না। গল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত বই থেকে নড়তে দিবে না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে ১০/১০ দিবো।




