
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
❝ শেহরে জাত ❞ যার অর্থ নিজের শহর অথবা ধরে নিতে পারেন নিজের আত্মার শহর৷ উমেরা আহমেদের লেখনি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই—এক কথায় অসাধারণ। 'শেহরে জাত' অনুবাদক আপুর তৃতীয় কাজ। গল্পটি সমাজের এক উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ফালাক মনে করে, স্রষ্টার আনুগত্য বা প্রার্থনা কেবল তাদের জন্যই যাদের জীবনে অভাব-অনটন কিংবা হাহাকার আছে। তার যুক্তি ছিল—সে রূপবতী, বিত্তবান এবং নিজের পছন্দের মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছে; তবে কেন সে অহেতুক আল্লাহকে ডাকতে যাবে? সে তো ভিখারি নয়! কিন্তু জীবনের সমীকরণ কি সবসময় এক থাকে? অস্তিত্বের নিয়তিতে যার 'ভিক্ষুক' হওয়া লেখা, তার প্রাচুর্য কি তাকে রক্ষা করতে পারে? রূপ, ঐশ্বর্য এবং পছন্দের মানুষের সাথে ঘর বাঁধার পর ফালাকের জীবন কোন পথে মোড় নিল? সে কি শেষ পর্যন্ত সিজদায় মাথা নত করেছিল? এই দারুণ আত্মোপলব্ধির গল্প জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে 'শেহরে জাত'। বইটির অনুবাদের মান ভালো। আপনি যদি এটিকে নিছক 'অনুবাদ' হিসেবে না দেখে একটি মৌলিক গল্পের মতো পড়েন, তবে এর প্রতিটি শব্দ আপনাকে ছুঁয়ে যাবে। যদিও উনি নতুন কাজ করছে তবে লিখতে লিখতেই অনুবাদের হাত উন্নতি হবে। আপনারা সংগ্রহ করে পড়তে পারেন ভালো লাগবে অনেক।
Was this review helpful to you?
or
kahini ta ektu agochalo
Was this review helpful to you?
or
"শেহরে জাত” বইটা অসাধারণ। মূল লেখিকা চমৎকার লিখেছেন। যিনি অনুবাদ করেছেন, তিনিও সহজ সাবলীল এবং স্পষ্ট ভাষায় অনুবাদ করেছেন। সবমিলিয়ে সুন্দর একটা উপন্যাস এটা।
Was this review helpful to you?
or
যেমন চমৎকার গল্পকাহিনী তেমনি অনুবাদও মাশাআল্লাহ..
Was this review helpful to you?
or
উমেরা আহমেদের লেখা "শেহরে জাত" একটি অসাধারণ মাস্টারপিস! চরিত্রগুলি পড়া শেষ করার পরেও অনেকক্ষণ আপনার সাথে থাকবে । আর যিনি অনুবাদ করেছেন,তিনি অনেক গুছিয়ে এবং সাবলীল ভাষায় অনুবাদ করেছেন। সবমিলিয়ে অসাধারণ।
Was this review helpful to you?
or
বইটা পড়লাম। খারাপ না ভালোই লাগছে ☺️ একটা সুন্দর ধনী মেয়ের স্বামীর দেওয়া এক কষ্টে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার গল্প।
Was this review helpful to you?
or
কী নিখুঁতভাবে গল্প সাজিয়েছেন, অনেক সুন্দর বইটা। গল্পটাও আকর্ষণীয় করে সাজানো। লেখিকার প্রশংসনীয় কাজ।
Was this review helpful to you?
or
*শেহরে জাত* উমেরা আহমেদ এর বই। তার প্রতিটি বই যেন আমাকে নীরবে গভীর আঘাত করে। লম্বা হতে পারে এই আলাপ।তাই শুরুতেই ক্ষমা চাই। প্রথমে যদি বলি,পুরুষ কিসে আটকায়? ভালোবাসায়? পরম যত্নে? আনন্দে?সৌন্দর্যে? নাকি শুধু এক মিছে মৌহে? ফালাক শের আফগান ছিল সৌন্দর্যের মূর্ত প্রতীক। সে যেন ছিল আল্লাহর নিখুঁত সৃষ্টি। তার চিন্তা ছিল,যে অভাবী সে আল্লাহর কাছে চাইবে।তার কোনো কমতি নেই তাই তার আল্লাহ কে ডাকার ও প্রয়োজন নেই। কিন্তু সে আটকে গেলো সালমানের প্রেমে।সালমানের প্রতিটি উচ্চারিত শব্দ তার কাছে বাণী মনে হতো। সে সারাক্ষণ সালমানকে ভালোবাসায় আর সলমনের মন মত হওয়ার জন্য দিন রাত চেষ্টা করতো। অবশেষে সে সালমানকে পায়ও।সে নিজেকে সৌন্দর্যের মালিক ভাবতো।নিজেই নিজেকে দেখে ঈর্ষা করতো। বিয়ের কিছুদিন পরই সালমানকে অন্যমনস্ক হতে দেখা যায়। এক গভীর অবহেলার চোখে ফালাক কে দেখতে থাকে। ফালাক এর দিন দিন এই অবহেলার অস্থিরতা বাড়তে থাকে। আসলে বাড়বেই বা না কেন, যার সারা দিনের ধ্যান ধারণা সালমান,তার সামান্য কিছু তে অস্থির হওয়া স্বাভাবিক। এরই মাঝে এক দিন ফালাকের গায়ে এক পাগল কাদা ছুঁড়ে মারে। তার রূপে কাদার দাগ কিছু তেই সহ্য করতে পারছিল না ফালাক।যা তা পাগল কে বলতে থাকে। পাগল বলে, খোদার সামনে এই দাগ কিছুই না।খোদা দাগ দেখে না,রূপ দেখে না,সম্পদ দেখে না,পাগল সুস্থ দেখে না।খোদা মানুষের ভিতরের সত্যিকারের মন দেখে।তার কাছে এই কাদার ছিটা কিছুই না।এই দেখো আমি আমার গায়ে কাদা মাখতেসি তবুও সে আমাকে ভালো বাসে। তার এই সব এ কিছুই যায় আসে না। সে দিন এই কথা গুলো ফালাকের কাছে কিছু অসহ্য কর কথা ছিল। যা তার রাগের কারণ ছিল। কিন্তু এই সব কথায় সালমান একটুও আওয়াজ সে দিন করেনি। দিন যায় সালমান এখন বাসায় ও ঠিক মত আসে না। কারণ তার মনে অন্য এক জন জায়গা করে নিয়েছে। সে তাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারে না।এমনকি সে যদি ঐ নারীর হাতে খুন করাও হয় তাও তা হবে তার জন্য পরম সৌভাগ্যের।কারণ সে নারীর ছোয়া আছে সেই খুনে। সে নির্ভয়ে তার পায়ের নিচে পিষে যেতে পারবে যে রাস্তা দিয়ে সে হেঁটে যায়। তারপর সালমান একদিন ফালাক কে তার দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চায়। ফালাকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে।পাগলের মত সালমান কে আটকে রাখতে চায় কিন্তু তার এই সবে কিছুই যায় আসে না।ফালাক বিয়ের অনুমতি না দিলেও সে ঐ মেয়ে কে বিয়ে করবে। ফালাক ভাবতে থাকে, সে মেয়ে কি আমার থেকে সুন্দর? আমার থেকেও নিখুঁত? আমার থেকে বেশি সালমান কে ভালো বাসতে পারবে? ফালাক সে মেয়ে কে দেখতে যায় গোপনে। যত টাকা দরকার সব দিয়ে দিবে,তবুও যেন সালমান থেকে চির দিনের জন্য সরে যায়। এতে কাজ না হলে তার মুখে এসিড ছুঁড়ে মারবে। সে মেয়ে কে দেখার পর সে কিছুই বলে নি,বাসায় এসে সালমান কে বিয়ের অনুমতি দিয়ে সে তার বাসা থেকে বিদায় নেয়। কিছু দিন পরই সালমান সে মেয়ে কে বিয়ে করে।ফালাক পাগলের মত কাদতে থাকে, এমন অসুস্থ হয় যে কত দিন পর্যন্ত তার জ্ঞান ফিরে না। সে ধীরে ধীরে আধ্যাত্মিক প্রেম খুঁজে পায়।যে কোনো দিন আল্লাহর নাম উচ্চারন করেনি সে এখন আল্লাহ ছাড়া কিছু ভাবতেই পারে না। জানেন? সে দিন ঐ মেয়েকে কিছু বলে নি কেন? কারণ সে ছিল মোটা, কুচকুচে কালো রঙের, এমন ভাবে মেকআপ করেছে যে দেখতে বিশ্রী লাগতে সে। সে দিন ফালাকের টনক নড়ে ছিল। আর পাগলের কথা গুলোর অর্থ খুঁজে পেয়েছিল। আচ্ছা মানুষ কি সত্যিই মানুষ কে ভালোবাসে? ৫ লিটার রক্ত দিয়ে তৈরি মানুষের ১২ সেন্টিমিটার এই হৃদপিণ্ডে কত কিছুর জায়গা দেয়া যায়? এইটা তো আল্লাহর ঘর,এইখানে তো তার থাকার কথা তাই নাহ? মানুষ তার নিজের চোখ দিয়ে এই আকাশকে এক সাথে একই সময়ে দেখতে পায় না,তবে কিভাবে বলে আমি তোমাকে আকাশ পরিমাণ ভালোবাসি? মানুষ তার প্রিয় মানুষের জন্য সব করতে পারে,আল্লাহ কে ছাড়তে পারে কিন্তু মানুষ আল্লাহর জন্য কিছু ছাড়তে পারে না,সামান্য পুরুষ মানুষ কেও না। আচ্ছা,এত ভালবাসার পরও ঐ মানুষের কিছু যায় আসে না যাকে আমরা ভালো বাসি,সে দিকে আল্লাহ কে যদি বলি আল্লাহ আমি আপনাকে আকাশ পরিমাণ ভালোবাসি তখন কি তিনি আমাদের বলতেন? আমার কিছুই যায় আসে না? আমরা যদি তাদের জন্য সারা দুনিয়ার সাথে যুদ্ধ করি,পরবর্তীতে দেখা যায় সেই শত্রু পক্ষের রাজা।যে কিনা আমার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করছেন। সেদিকে আল্লাহর কে পাওয়ার জন্য সারা দুনিয়ার সাথে যুদ্ধ করলে সে কে আমার সাথে এমনটা করতেন? মানুষ কি সত্যিই মানুষ কে ভালোবাসে ? নাকি সে বিশ্বাস করে যে সে ভালবাসে! কোনো মানুষকে কি সব কিছুর উপরে ভালো বাসা সম্ভব? নাকি সে শুধু মিথ্যে ধারণা লালন করে যে সে ভালোবাসে। সে যদি ভালোই বাসতো তাহলে কেউ মরে গেলে কিভাবে তাকে ছাড়া,তার সকল শোক কাটিয়ে আবার নতুন কিছু নিয়ে বাঁচতে থাকে? কিন্তু আল্লাহ? সে তো মৃত্যুর পরও আমাদের ছেড়ে যান না।আমাদের রাসুল্লাহ? সে তো তার উম্মত কে ছাড়া জান্নাতে যাবে না। এত এত সুযোগ থাকার পর সে তো আমাকে বেছে নিয়েছেন বারবার। তাহলে মানুষ কাকে ভালো বাসে? এক মিছে মরীচিকা কে? যার ক্ষয় নির্ধারিত? যে ১২ সেন্টিমিটার হৃদপিণ্ডে সকল কিছু ধারণ করে বলে আমি সব কিছু থেকে বেশি ভালো বাসি? নিশ্চয়ই আল্লাহ শিরক পছন্দ করেন না। আমরাও জান্নাতের স্বপ্ন দেখি সাহাবীরাও জান্নাতের স্বপ্ন দেখতেন, কিন্ত আমাদের দুনিয়া কত ভিন্ন।




