
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
“রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী” মূলত একটা সহজপাঠ্য রহস্য উপন্যাস, যা বিশেষ করে কিশোর পাঠকদের জন্য বেশ উপভোগ্য। প্রথমেই যে জিনিসটা চোখে পড়ে, সেটা হলো লেখকের প্রকৃতি বর্ণনার দক্ষতা। রাঙ্গিছড়ার চা-বাগান, পাহাড়ি পরিবেশ-সবকিছু এত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে পড়তে পড়তে মনে হয় যেন জায়গাটা চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠছে। ওয়াসিকা আপুর লেখার ধাঁচটাই এমন যে সে জায়গা তে না গিয়েও শুধুমাত্র গল্প পড়ে আপনি চোখে দেখার ফিল নিতে পারবেন। শুরুর কাহিনী একদম শান্ত স্বাভাবিক। কোনো ছুটিতে কাজিনরা সবাই মিলে মামার বাড়ি ঘুরতে যায়। সেদিন থেকেই খটকা লাগার মতো ঘটনা ঘটতে থাকে ওদের সাথে। তবে কেউ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু হঠাৎ এক নিখোঁজের ঘটনা পুরো পরিবেশ বদলে দেয়। নিছক মনের ভুল ভাবা ঘটনা গুলো আরও রহস্যময় করে তুলে। এই রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে ওরা বড় চমক পায় এরপরেই সত্যি সামনে আসে। এক বসায় পড়ে ফেলার মতো পিচ্চি একটা বই। যারা রহস্য উপন্যাস পড়া শুরু করতে চান নিশ্চিন্তে কিনে ফেলতে পারেন। বই পড়ার পুরোটা সময় মনে হলো ছোটবেলায় হারিয়ে গেছি। অঙ্কন, তন্ময়, টুসু, ঝিল্লি সবার সাথে আমিও রহস্যের সমাধান করছি। বই: রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী লেখক: ওয়াসিকা নুযহাত প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
Was this review helpful to you?
or
অনেকদিন ধরে রিডার্স ব্লকে ভুগছিলাম—কোনো বই-ই ঠিকমতো পড়তে পারছিলাম না। তাই ছোট্ট বই ভেবে ‘রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী’ হাতে নিয়েছিলাম। বইয়ের ফ্ল্যাপ পড়তেই শ্রীমঙ্গলের শ্রীময় ভূখণ্ডের জাদুকরী বর্ণনা আমাকে ভীষণভাবে টানে, আর সেখান থেকেই শুরু। পড়তে পড়তে যেন হারিয়ে যাচ্ছিলাম রাঙ্গিছড়ার চা বাগানে, সেই সুবিশাল গোলকধাঁধার মতো অট্টালিকায়—যেখানে বিস্তৃত অসংখ্য রহস্যের জাল। মাত্র ৭২ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট বইটিতে চার কিশোর-কিশোরীর দুষ্টু-মিষ্টি খুনসুটি, তাদের অদম্য কৌতূহল আর রহস্য উদঘাটনের দৃঢ় মনোবল অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে উঠে এসেছে। যা শেষ পর্যন্ত চুম্বকের মতো টেনে রেখেছে বইয়ের ভেতরে। প্রতিটি ঘটনা পড়েছি নিঃশ্বাস রুদ্ধ করে—বিশেষ করে গোপন পাতালঘরের অংশটুকু ছিল অসাধারণ রোমাঞ্চকর। পাশাপাশি বইটিতে ফুটে উঠেছে পারিবারিক কলহ অর্থাৎ বাবা-মায়ের মনোমালিন্য সন্তানের ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বইটি পড়তে পড়তে আমি যেন নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলাম। ছোটবেলায় ছুটিতে মামাবাড়ি যাওয়ার দিনগুলোর স্মৃতি ভেসে উঠল—চাঁদের আলোয় উঠোনে কাজিনদের সঙ্গে আড্ডা, নানা রকম মুখরোচক খাবার, আর শীতের পিঠাপুলি। বইয়ের পাতায় একেকটি পিঠার নাম পড়তে পড়তেই যেন তার ঘ্রাণ নাকে এসে লাগছিল! বইয়ে এমন সব চিত্র ফুটে উঠেছে, যা আমার মতো সব বয়সের পাঠককেই শৈশব-কৈশোরের স্মৃতির ভেতর দিয়ে একবার ঘুরিয়ে আনবে। স্কুল পেরিয়ে কলেজে পড়া আপনার পরিবারের কোনো সদস্যের জন্য জন্মদিন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে এই বইটি হতে পারে দারুণ একটি উপহার, পড়ার সময়টাও কাটবে চমৎকার। ওয়াসিকা নুযহাত ফারিয়া আপুর কাছে একটি বিশেষ অনুরোধ—সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরানার এই ‘রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী’র কিশোর দলটিকে নিয়ে সামনে আরও বই দেখতে চাই। গড়ে উঠুক এক সমৃদ্ধ ‘ওয়াসিকা নুযহাত কিশোর সমগ্র’।
Was this review helpful to you?
or
বই: রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী লেখিকা: ওয়াসিকা নুযহাত জনরা: থ্রিলার/অতিপ্রাকৃত প্রচ্ছদ: পরাগ ওয়াহিদ প্রকাশনী: জ্ঞান কোষ পৃষ্ঠা: ৭২ শ্রীমঙ্গলের রাঙ্গিছড়ার চা বাগানে চাকরিরত আছেন অঙ্কনের ছোট মামা। সদ্ব্য ১০ম শ্রেনী পাস করা অঙ্কন তাই মামার বাড়ি বেড়াতে আসলো সাথে এসেছে তার খালাতো ভাই/বেষ্টফ্রেন্ড তন্ময়। তাদের পেয়ে সবাই খুশি। সাথে যোগ দিলো মামাতো বোন টুসুর বেষ্টফ্রেন্ড ঝিল্লি। এদিকে শ্রীমঙ্গলের সৌন্দর্য দেখে তাদের মনে হচ্ছে ছুটিটা খুব ভালো কাটবে। শীতকাল উপভোগ করার জন্য এরচেয়ে ভালো জায়গা হতেই পারে না। ডাইনিং টেবিলে হোক কি বাড়ির বারান্দায়, কাজিনদের খুনসুটি তো লেগেই রইলো। খুনসুটিকে উস্কে দিতে রইলো শীতের নানা রকম পিঠা আর মুখোরোচক সব খাবার। প্রথমদিনটা ভালো কাটলেও পরের দিন থেকে ভৌতিক কিছু বিষয় লক্ষ করা যাচ্ছিলো। একটা পর্যায়ে বেরিয়ে আসলো কিছু নৃশংস ঘটনা। 'রাঙ্গিছড়ার রহস্যরজনী' উপন্যাসিকা টা কিশোরদের জন্য হলেও বড়দের ও একই রকম ভালো লাগবে। পড়তে পড়তে আপনি ছোটবেলায় হারিয়ে যাবেন। মনে হবে এখানে আমি থাকলে কেমন হতো! কিশোর বয়সের তিন গোয়েন্দা পড়ার ফিলটা এই বই আপনাকে দিবে। একটা থ্রিলার গল্পে যতোটা উত্তেজনা থাকে, এই গল্পে ততোটাই উত্তেজনা ছিলো। কি হচ্ছে, সামনে কি হবে জানার জন্য অন্য লেভেলের উত্তেজনা কাজ করবে। বইটা শেষ হওয়ার পরে আপনি উপলব্ধি করবেন কিছুক্ষনের জন্য আপনি কিশোর বয়সে ফিরে গিয়েছিলেন। ওয়াসিকা আপু তার লেখায় সব সময়ই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। এখানেও শ্রীমঙ্গলের চা বাগানের বর্ণনা দেয়া আছে যা গল্পটাকে আরো সুন্দর করেছে। কিন্তু আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে বাংলোটার বর্ণনা। প্রথমেই যখন বাংলোটার বর্ণনা দেয়া হয়েছে তখনই একটা গা ছমছমে বেপার কাজ করেছে। গল্প যতো আগাচ্ছিলো এই ফিলিংস টা আরো জোড়ালো হচ্ছিলো। সাথে অতিপ্রাকৃত বেপারগুলো ছিলো সোনায় সোহাগা। অনেক বছর পরে একটা কিশোর গল্প পড়লাম। এখন মনে হচ্ছে পুরোনো কিছু বই বের করে আবার পড়া লাগবে। বইয়ের প্রচ্ছদ এবং উৎসর্গ দুটোই সুন্দর। লেখিকা বইটি তার বাবাকে উৎসর্গ করেছেন। হয়তো এর মাধ্যমে আংকেল কে আবারো কিশোর বয়সে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। প্রচ্ছদটা প্রথমে দেখে যেমনই লাগুক কিন্তু পড়ার পরে জানবেন পুরো গল্পটার একটা প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে প্রচ্ছদে। 🤍




