
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
সহজ ভাষায় কোয়ান্টাম থিওরির প্রেক্ষাপট...
কিভাবে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার শুরু হল তার ঘটনাই এই বইতে পড়েছি। শুরু হয়েছে রাদারফোর্ড এর বিজ্ঞান চর্চার ঘটনা দিয়ে, পরে তার সাথে পরিচয় হয় ক্যাভেন্ডিস ল্যাবরেটরির প্রধান ও ইলেকট্রনের আবিষ্কারক জে জে থমসনের সাথে। তারা কাজ করেন পরমাণু মডেল নিয়ে। এরপর নীলস বোরও তার বিশুদ্ধ চিন্তা উপস্থাপন করেন। পরমাণুর কক্ষপথকে কোয়ান্টাইজড করে দেন তিনিই। এর পর শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকদের মত বিজ্ঞানীরাও এগিয়ে আসেন আরও বিশুদ্ধ চিন্তাধারা নিয়ে। মূল্যবান ইতিহাস জেনেছি ও বিভিন্ন কোয়ান্টাম সংখ্যা সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারনা পেয়েছি এই ব...See More

এরকম ভালো লেখাই আমরা চাই।
জাফর ইকবাল এর লেখা আমি আগে থেকেই খুব পছন্দ করি। কিন্তু এই বইটা অন্য সব বই কে হার মানায়। বইটা আসলেই চরম। এটা তার বেস্ট উপন্যাস। এই রকম সায়েন্স ফিকশন খুব কমই পাওয়া যায়।

josh
This is nice book. here have a lot of cheat code for playing game.

‘কবি’- তারাশঙ্করের তর্পণ ও তপস্যার দর্পণ
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর বাঙলা কথাসাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় নাম। একালে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বের আগ্রাসী তৎপরতা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে মানব অস্তিত্বকে; নৈরাজ্য-নৈরাশ্য-অনিশ্চয়তা-ক্লেদ-শঙ্কা আর মনস্তাপে বৃহদাঙশ মানুষ খনন করেছে আত্মপ্রতারণার নির্বিঘ্ন বিবর। অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত অধিকার সতর্ক একাঙশ মানুষকে করেছে আশাবাদে সন্দীপিত, প্রাণিত করেছে স্বপ্নময় আলোকময় ভবিষ্যত রচনায়। তবুও প্রত্যাশার বিপরীতে নিরাশার আধিপত্যই মহাসমরোত্তর বিশ্বমানসের প্রবল ও প্রধানতম চ...See More

‘কবি’- তারাশঙ্করের তর্পণ ও তপস্যার দর্পণ
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর বাঙলা কথাসাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় নাম। একালে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বের আগ্রাসী তৎপরতা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে মানব অস্তিত্বকে; নৈরাজ্য-নৈরাশ্য-অনিশ্চয়তা-ক্লেদ-শঙ্কা আর মনস্তাপে বৃহদাঙশ মানুষ খনন করেছে আত্মপ্রতারণার নির্বিঘ্ন বিবর। অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত অধিকার সতর্ক একাঙশ মানুষকে করেছে আশাবাদে সন্দীপিত, প্রাণিত করেছে স্বপ্নময় আলোকময় ভবিষ্যত রচনায়। তবুও প্রত্যাশার বিপরীতে নিরাশার আধিপত্যই মহাসমরোত্তর বিশ্বমানসের প্রবল ও প্রধানতম চ...See More

‘বউ-ঠাকুরাণীর হাট’: পুতুল ভাষ্যে ঐতিহাসিক প্রাণ
রবীন্দ্রনাথ কে? এ প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে হলে রবীন্দ্রনাথকে পড়তে হবে- তাঁর সামগ্রিক সৃষ্টিসত্তার কাছে নিজেকে মেলে ধরতে হবে; এটা এই জন্য যে- রবীন্দ্রনাথ নিজেকে বিকশিত করেছেন ক্রমে ক্রমে, কুসুমের মতো; তিনি ধীর লয়ে অবগাহনের সঙ্গীত হয়ে উঠেছেন এবঙ ক্রমান্বয়ে সুরের ধারায় সৃষ্টি করেছেন নবতর তরঙ্গ। তাই, রবীন্দ্রনাথই একমাত্র বাঙালি, যাঁকে খুঁজে পড়তে হয় এবঙ পড়তে হয় আপাদমস্তক এবঙ তিনি লিখেছেন প্রচুর; তাঁর প্রাচুর্যের বারিবর্ষণে আমরা সিক্ত হতে থাকি, কিঙবা আমাদের আভ্যন্তরীণ চেতনা লীন হয়- রবীন্দ্রনাথের বিশা...See More

একাত্তরের দিনগুলি: দগ্ধ ও কোমল মৃত্তিকার ইতিহাস
এক একটি দিনলিপি। প্রাত্যহিক জীবনের ভাষায় রচিত। বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ এক অর্জনের ইতিহাস এ দিনলিপির বিষয়বস্তু। এটি কোনো মহাকাব্য নয়; এর অন্তঃস্রোতে যখন তখন শিল্পের মহাবাদল নেমে আসেনি। তারপরও- এটি সকল মহাকাব্যের অতীত, বান-ভাসানো এক মহার্ঘ শিল্পের প্রণয়োচ্ছ্বাসে ঋদ্ধ, বিদগ্ধ। বাঙলা ১৩৯২ সনের ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬) মাসে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়; এখনও নতুন। বৈশাখ, ১৪১৭ সনে প্রকাশিত এর অষ্টাবিঙশতি মুদ্রণের প্রচ্ছদ করেছেন কাইয়ুম চৌধুরী। রজত জয়ন্তী সঙস্করণটি সন্ধানী প্রকাশনীর প্রকাশ- মূল্য দুইশত...See More

‘শবনম্’: বিরহিনী নিশীথিনীর অশ্রুশিশির
ভালোবাসার বৃষ্টি নাকি ভেজায়। মানে ভিজতে হয়। চেতনার রঙে সবুজ পান্নার শরীরে জমে ভালোবাসার শিশির; হৃদয়জ এবঙ তার চেয়েও বেশি কিছু, কিন্তু মোহনীয় নয়- মোহ নেই সে-ই ভালোবাসার প্রবাদ শরীরে। এমন ভালোবাসার নির্যাস পেতে হলে হৃদয়কে ‘হৃদয়’ করে গড়ে তুলতে হয়। কেবল হৃদয় হলেই হয় না, তাকে দার্শনিক করে গড়ে তুলতে হয়, কখনো ছাঁচে ফেলে, কখনো আকাশে উড়িয়ে। মতিষ্কের সাথে হৃদয়ের মিলন হয় প্রাণময় ঐশ্বর্যের মতোই। তবেই চোখের আরশিতে ঝড়ে শব্নম্- ভালোবাসার সর্বরঙা সর্বজয়ী শবনম্। সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৫-১৯৭৪) এমন এক মহিম...See More





