১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
"আমার বাংলাদেশ আধুনিক যুগ" বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা: হাজার বছরের বাংলাদেশ ছিল সুখসম্পদে পূর্ণ। বাংলাদেশের উর্বর মাটি ছিল সােনাফলা। আর এদেশের মানুষও ছিলেন মেধাবী ও পরিশ্রমী। তারা সমাজ, শিল্পকলা, শিক্ষা, বিজ্ঞান সকল ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। চমৎকার করে তারা সাজিয়েছিলেন এই দেশটিকে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, পূর্বপুরুষদের এতসব গৌরবের কথা জানার মতাে বইয়ের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাস যেটুকু সহজে জানা যায় তা প্রধানত রাজা, সুলতান আর সম্রাটদের কথা। সাধারণ মানুষের জীবন, শিল্পসংস্কৃতি এসব খুব সহজে জানা যায় না। দেশকে জানার এই শূন্যতা পূরণের জন্যই তিন পর্বে 'আমার বাংলাদেশ' নামে তিনটি বই সাজানাে হয়েছে। বাংলার ইতিহাসে আধুনিক পর্বের সূচনা আঠারাে শতকের মধ্যভাগ থেকে। তখন মুসলমান শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় ইংরেজশাসন। এভাবেই আধুনিক যুগে প্রবেশ করে বাংলা। পলাশির যুদ্ধ, নবাব সিরাজ উদদৌলার পরাজয়-এভাবেই ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়। একশ বছর পরে অবসান হয় কোম্পানির শাসনের। শুরু হয় একশ বছরের ব্রিটিশ শাসন। এরপর বাংলার রাজনীতির ক্ষেত্রে নানা পালাবদল ঘটে। একসময় ভারত ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় ইংরেজ শাসকরা। জন্ম হয় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের। পাকিস্তান রাষ্ট্রের পশ্চিমপাকিস্তানি শাসকরা পূর্বপাকিস্তানের মানুষ অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ন্যায্য আচরণ করেনি। তারা এদেশের সম্পদ পাচার করে নিয়ে গেছে পশ্চিমপাকিস্তানে। শিক্ষাসংস্কৃতিসহ সকল ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে রাখতে চেয়েছে বাংলাদেশের মানুষকে। এদেশের মানুষও প্রতিবাদ করতে থাকে। আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালিকে দমন করার জন্য শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি সৈন্যরা অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু করে গণহত্যা। বাংলাদেশের মানুষও রুখে দাঁড়ায়। এভাবেই শুরু হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ। নয়মাস যুদ্ধ করে বাঙালি ছিনিয়ে আনে বিজয়। এই বইটিতে বাংলাদেশের আধুনিক পর্বের এসব ইতিহাসই প্রাণবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছে।
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ১৯৬০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস বিক্রমপুরের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার গনাইসার গ্রামে। পিতা মরহুম মোসলেম চোকদার ও মা মরহুমা রেজিয়া বেগম। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে যথাক্রমে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে ফারসি ভাষায় সার্টিফিকেট কোর্স সম্পাদন করেন। ১৯৮৫ সালে। ফোর্ড ফাউন্ডেশনের বৃত্তি নিয়ে ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি.এইচ.ডি. অর্জন করেন ১৯৯৪ সালে। সত্তর ও আশির দশকে ‘শাহনাজ কালাম’ লেখক নামে ছড়া ও গল্প লিখিয়ে হিসেবে পরিচিত হলেও পেশা জীবনে এসে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠক্রমভিত্তিক গ্রন্থ রচনা এবং শিল্প-সংস্কৃতি ও প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক গ্ৰন্থ ও প্ৰবন্ধ লেখায় বিশেষ মনোনিবেশ করেন। ড. শাহনাওয়াজের রচিত ও সম্পাদনাকৃত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। এক যুগের বেশি সময়কাল ধরে তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে রাজনীতি ও সমাজ-সংস্কৃতি বিষয়ক কলাম লিখে আসছেন।