১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
ভাসানী জীবনের কয়েকটি অধ্যায়-এ সংকলিত বিভিন্ন লেখকের লেখাগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় এখানে উল্লেখ করা হলো। গোলাম মহিউদ্দিনের ‘রাওয়ালপিণ্ডিতে ভাসানীর শেষ জনসভায়’ রচনাটিতে ভাসানী ঐ সভায় যা বলেছিলেন সে সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং মওলানার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের স্বরূপ উদঘাটন করা হয়েছে। বিনোদ দাশগুপ্তের ‘মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী ও আজিকার জাতীয় কর্তব্য’ প্রবন্ধে ভাসানীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে ও তাঁর অসমাপ্ত কাজকে শেষ করা প্রয়োজন মর্মে বলা হয়েছে। কাগমারী সম্মেলনে ডেলিগেট হিসেবে উপস্থিত কমরেড মেহেদীর ‘শতাব্দীর উজ্জল সূর্যের আকর্ষণে’ প্রবন্ধে কাগমারী সম্মেলনের বিবরণ রয়েছে। মিসির আহমেদ ভূঁইয়ার প্রবন্ধ ‘মওলানা ভাসানী ও শ্রমিক শ্রেণী’ থেকে জানা যায় শ্রমিক আন্দোলনে মওলানার ভূমিকা। সালাউল্লাহ নূরী ‘মওলানা ভাসানী: তাঁর জীবন ও সংগ্রাম’ প্রবন্ধে চমৎকারভাবে জমিদারী শোষণের রূপ তুলে ধরেছেন যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মওলানা দেশান্তরী হয়েছিলেন। মাহবুব আলমগীরের প্রবন্ধ থেকে মওলানা ভাসানী সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের বিষয়টি বোঝা যাবে। মওলানা ভাসানী বলেছিলেন, মার্কিন সা¤্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও স্বৈরাচারী সরকারকে উচ্ছেদের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে পারে একমাত্র সর্বহারা শ্রেণী। ফিরোজ আল মোজাহিদের প্রবন্ধ ‘ভাসানীও কেঁদেছিলেন’ থেকে এক অত্যাচারিত দরদীর অসাধারণ কথা জানা যাবে। এই দরদী ভাসানীর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। ভাসানীকে তিনি তার কষ্টের কথা শোনাতে সক্ষম হন। গোপন কমিউনিস্ট পার্টির কর্মী সাজ্জাদুর রহমান ‘ভাসানী আমার ভাসানী’ প্রবন্ধে ভাসানীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের বিবরণ দিয়েছেন। রাজশাহী জেলের খাপড়া ওয়ার্ডে বন্দী আবদুস শহীদ জেল পুলিশের গুলি বর্ষণের সময়ে সেখানে ছিলেন। তিনি ভাসানীর সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কথা বর্ণনা করেছেন। শ্রমিক নেতা ও সাংবাদিক সিরাজুল হোসেন খান তাঁর ‘মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী’ রচনায় ভাসানীর সংগ্রামী জীবন তুলে ধরেছেন। গাজী শহীদুল্লাহ ‘মহান নেতার অন্তরঙ্গ আলোকে’ প্রবন্ধে ফারাক্কা অভিযানের কথা লিখেছেন। ‘বাংলার কৃষক আন্দোলন ও ভাসানী’ রচনায় দেবেন শিকদার বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। ডা: মোহাম্মাদ জোবায়ের সন্তোষের সম্মেলন সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে লিখেছেন। ‘মওলানা ভাসানী স্মরণে’ সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধটি লিখেছেন অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খাঁ।
আমজাদ হোসেন আমজাদ হোসেনের জন্ম ১৯৪২ সালে যশোর জেলায়। তাঁর পিতা মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান, মাতা খোদেজা খাতুন। ছাতিয়ানতলা প্রাইমারী স্কুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ শুরু। যশোর জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন। যশোর মাইকেল মধুসুদন কলেজ (সরকারী) থেকে আইএ ও বাংলা অনার্সে উত্তীর্ণ। অনার্স পরীক্ষা দেন যশোর সেন্ট্রাল জেল ও রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলে থাকা অবস্থায়। কলেজে পড়াকালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। জেলা সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালের শুরুতে যোগ দেন পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টিতে। প্রথমবার তিনি জেলে যান পাকিস্তান রক্ষা আইনে গ্রেফতার হয়ে ১৯৬৭ সালে। প্রায় ৮ মাস যশোর ও রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলে থাকেন। দ্বিতীয়বার তাঁকে জেলে থাকতে হয় কিছু সময়। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেলিনবাদী) এর সম্পাদক ছিলেন। আশির দশকের মধ্যভাগ থেকে তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলন থেকে সরে গিয়ে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন এবং লেখালেখি চালিয়ে যেতে থাকেন । বহু বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেছেন।