ডিভাইন ইনসাইট: বৈজ্ঞানিক বিস্ময়, আন্তঃবিশ্বাসী সংলাপ এবং কুরআনের আধুনিক জ্ঞান নিয়ে মুলত আলোচনা করা হয়েছে।
এম আলম “ডিভাইন ইনসাইট বইটিতে” আধুনিক চিন্তা ধারার সাথে প্রাচীন জ্ঞানকে একত্রিত করে একটি সুস্পষ্ট বার্তা উপস্থাপন করেছেন। আর এই আকর্ষণীয় কাজটি তিনি তিনটি অধ্যায়ে ভাগ করে একটি বিস্তৃত গবেষণা উপস্থাপন করেছেন।
১/ কুরআনে বৈজ্ঞানিক অলৌকিক ঘটনা: আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সাথে মিলিত কুরআনের অসাধারণ আয়াতগুলি এই অধ্যায়ে উন্মোচন করা হয়েছে। মহাবিশ্বের উদ্ভব, মানবের উন্নতি এবং পরিবেশের নানা জটিল বিষয়গুলোতে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে, আলম দেখান কিভাবে এই প্রাচীন লেখাগুলি বর্তমান বৈজ্ঞানিক ভাবনার সাথে পুনঃসংযুক্ত হয়, যা সত্যিই একটি বিস্ময়কর।
২/ আন্তঃবিশ্বাসী আলোচনা: একটি সমৃদ্ধ আলাপ যা অন্যান্য ধর্মের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ইসলামের মূল শিক্ষাকে অনুসন্ধান করে। এই অধ্যায়ে আলম এমন কিছু বিষয় ও নৈতিক নীতির ওপর জোর দেন যা বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে একটি ক্রমবর্ধমান সংযুক্ত বিশ্ব গঠনের সম্ভাবনার ভিত্তি স্থাপন করে।
৩/ কুরআন থেকে বর্তমান জ্ঞান: সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানসিক সুস্থতার উপর অযৌক্তিক ধারণাগুলির উদ্ঘাটন করা হয় এই অধ্যায়ে। আলম কুরআনের আয়াতের ব্যাখার মাধ্যমে বাস্তবতাকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যা পাঠকদের আধুনিক জীবনের সকল জটিল সমস্যার সমাধান করে।
আপনি যদি একজন ধর্মীয় বিশ্বাসী, অদৃশ্য জ্ঞানের অনুসন্ধানী অথবা আধ্যাত্মিকতা ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহী হন, তাহলে এই বইটি আপনাকে নতুন দিগন্ত দেখাবে।
এম. আলমের এই বিষাদ ধর্মীয় আলোচনায় ঐশ্বরিক উপলব্ধিগুলি অন্বেষণ করুন, যা আপনার জীবনকে উন্নত করতে, ধর্মীয় বোধগম্যতা বৃদ্ধি করতে এবং আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে আপনাকে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।
এম. আলম কানাডার টরন্টোতে বসবাস করছেন, বর্তমানে তিনি একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। শৈশব থেকেই মি. আলমের লেখালেখি শুরু, তবে কখনোই পেশা হিসেবে বেছে নেননি তার জীবনের এই সুপ্ত প্রতিভাটিকে। কবিতা দিয়ে শুরু হয় তাঁর সাহিত্যে পদার্পণ। তারপর জীবনের আর জীবিকার তাগিদে ২৭বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমান কানাডায়। সেখানে তিনি পি এম টি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। স্ত্রী ও তার একমাত্র কন্যাকে নিয়ে তিনি বসবাস করছেন টরন্টোর স্কারবোরো শহরে। মি. আলম আবার তার লেখা শুরু করেন যখন তিনি চল্লিশের দোরগোড়ায়! তার লেখা প্রথম ননফিকশন বই “এ হিস্টোরিকাল ন্যারেটিভ” বহুল প্রশংসিত এই বইয়ের মধ্য দিয়েই তিনি নিজেকে একজন লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বর্তমানে তার লেখা বইগুলো ঠাঁই পেয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন সুনামধন্য লাইব্রেরিগুলোতে এবং একযোগে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে রয়েছে তার অসংখ্য পাঠক। বাংলাদেশি পাঠকদের অনুরোধে তার সর্বমোট চারটি গ্রন্থ প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সপ্তর্ষি প্রকাশনীর মাধ্যমে। পাঠকদের অনুপ্রেরণায় এম আলম ব্যক্ত করেন, তিনি এখন থেকে প্রতিনিয়ত লিখে যাবেন।