১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 20 Jan 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
কবিতা হলো কবির মনঃজগতের পরিচিতি। যদিও সকল ক্ষেত্রে তা সত্য নয়; কেননা কখনো কখনো কবি অতি আবেগের বশবর্তী হয়ে সাধারণ বিষয়কেও অতিরঞ্জিত করে দেয়। আবার অনেকে অন্যের অনুভূতিকে নিজের বলে অনুভব করে লিখে, প্রকৃত অর্থে যদিও এই অনুভূতি তাঁর নয়। পাঠক যদি ভাবেন কবি অতি আবেগী অথবা বাস্তবতা-বিমুখ, এ কথায় যদিও কিছুটা সত্যতা আছে তবুও তাকে গূঢ় সত্য বলা যায় না; কারণ সাহিত্যিক বাস্তবতা থেকেই অনুপ্রানিও হয়ে কল্প-জগতের সৃজন করেন। এইক্ষেত্রে কল্পনা-শক্তি গুরুত্ব-বহন করে, তবে তা বাস্তবতা-বিরুদ্ধ নয়। বিদ্যানুরাগী বহু ব্যক্তি কবিতা লিখার প্রচেষ্টা করেন, তাদের জ্ঞান কম নয়, ভাষাজ্ঞানে তাঁরা বিদ্বান। যে যত অধিক জ্ঞানী তাঁর আঁখিতে মানুষের ভুল ততো অধিক পরিলক্ষিত হয়। কবিতায় ছন্দ অলঙ্কার মিলাতে গিয়ে ব্যাকরণিক ভুল অবশ্যই হবে, তবে এতে যদি তা পড়তে ভালো লাগে : শুনতে ভালো লাগে, তবে এটাকেই সাহিত্যিক বিচারে সঠিক বলে গণ্য করা যায়।
কবিতায় ছন্দ ও অলঙ্কার না থাকলে তা অন্তঃসারশূন্য শব্দমালায় পরিণত হয়, যার মধ্যে কোনো আবেগ থাকে না, অনুভূতিও অতি ক্ষীণ! ছন্দ হলো কবিতার অবকাঠামো, আর অলঙ্কার হলো শব্দের সুবিন্যাস্ত অবস্থান; তাই বলে এইগুলোকে যে কঠোর ভাবে মান্য করেই লিখতে হবে বিষয়টা এমন নয়, আজকাল অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত কিংবা স্বরবৃত্ত এর বাইরে গিয়েও অনেকে গদ্য-ছন্দকে ব্যবহার করছে; কবিতা রচনার জন্য এই ছন্দই সর্বাধিক সহজ ও সরল। চাইলে যে কেউই এই ছন্দ ব্যবহার করতে পারবে, এবং এর জন্য অক্ষর, মাত্রা, পর্ব, অন্ত্যমিল কোন কিছুই গণনা করে হিসাব মিলাতে হয় না। তাই আমি বোধ করি এই ছন্দে আমার লেখা উচিত নয়; কারণ যা আমার জন্য সহজ, তা আমার জ্ঞান বা দক্ষতাকে উন্নত করবে না, যদি কিঞ্চিৎ কিছু করে তবে তা অবনতিই করবে।
বিশেষজ্ঞসুলভ নেতৃত্বের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো কবি-সাহিত্যিকগণ; কেননা তাঁরা পাঠককে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা করেন না, বরং পাঠকই তাঁর(লেখকের) চিন্তা-ভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হয়। লেখককেও তাই মনের হাবিলাসে যা ইচ্ছা তাই লিখলে চলবে না। সমাজের মূল্যবোধ পরিপন্থী রচনা মানব মনে হিংসার সৃষ্টি করে। এই হিংসা পরবর্তীতে দাঙ্গার রূপ পরিগ্রহ করে। আমি বিশ্বাস করি মূল্যবোধ মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে তাঁকে পৃথিবীতে বিচরণকারী অন্য প্রাণী থেকে পৃথক করেছে। তাই কবি তাঁর মর্যাদা রক্ষার্থে সমাজের সাথে সংগতিপূর্ণ রচনা সৃষ্টি করবেন এটিই কাম্য।