১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
জিপিএ-৫ আর বিসিএস-এর সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আপনি কি ক্লান্ত? অথবা, সার্টিফিকেটের ফাইল ভারী করেও কি চাকরির বাজারে নিজেকে অযোগ্য মনে হচ্ছে?
একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, আমাদের চোখের সামনে দিয়েই পাশের দেশ থেকে উঠে আসা সুন্দর পিচাই বা সত্য নাদেলারা আজ গুগল-মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি চালিয়ে পুরো বিশ্ব শাসন করছেন। আর আমরা? আমরা এখনো পড়ে আছি ‘লোকাল লজ্জা’, ‘নিরাপদ চাকরি’ আর ‘তোষামোদির সংস্কৃতি’র মায়াজালে।
আমাদের মেধা আছে, কিন্তু সাহস নেই। আমাদের স্বপ্ন আছে, কিন্তু সঠিক ম্যাপ বা দিকনির্দেশনা নেই। আমরা তোতাপাখি হতে শিখেছি, কিন্তু ঈগল হয়ে ওড়ার কৌশল শিখিনি।
‘বিশ্বজয়ের রোডম্যাপ’ কেবল গতানুগতিক কোনো মোটিভেশনাল বই নয়; এটি একটি ‘মেন্টিং ম্যানুয়াল’ বা পূর্ণাঙ্গ অ্যাকশন প্ল্যান। মধ্যবিত্তের নিরাপদ খাঁচা ভেঙে কীভাবে বিশ্বনাগরিক হয়ে ওঠা যায়, লেখক এই বইয়ে সেই পথই দেখিয়েছেন।
বইটি পড়ে আপনি যা জানবেন:
🎓 স্কিল বনাম সার্টিফিকেট: কেন বিশ্ববাজার এখন আর জিপিএ দেখে না, দেখে পোর্টফোলিও? কীভাবে নিজেকে সেই বাজারের উপযোগী করবেন?
🌍 ভারতীয়দের সাফল্যের গোপন সূত্র: সিলিকন ভ্যালিতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণ কী এবং আমরা সেখান থেকে কী শিখতে পারি?
🗣️ কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং: ইংরেজির ভয় কাটিয়ে এবং সঠিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে কীভাবে গ্লোবাল সুযোগ লুফে নেবেন?
🚫 লোকাল লজ্জা ও ব্যর্থতার ভয়: ‘পাছে লোকে কিছু বলে’—এই মানসিক শেকল ভেঙে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবেন?
🚀 ৫ বছরের অ্যাকশন প্ল্যান: আগামীর লিডার হওয়ার জন্য ধাপে ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করার সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন ও চেকলিস্ট।
বইটি কাদের জন্য?
যারা পড়াশোনা শেষ করেও ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশায় ভুগছেন।
যারা লোকাল জবের গণ্ডি পেরিয়ে গ্লোবাল ক্যারিয়ার গড়তে চান।
যারা কর্পোরেট পলিটিক্স আর বসের তোষামোদি করতে করতে বিরক্ত।
যারা উদ্যোক্তা হতে চান কিন্তু ব্যর্থতার ভয়ে শুরু করতে পারছেন না।
মরীচিকার পেছনে দৌড় থামিয়ে বাস্তবতার মাটিতে পা রাখুন। আপনি যদি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে না গিয়ে ভিড় থেকে আলাদা হতে চান, তবে এই রোডম্যাপ আপনার জন্যই।
প্রযুক্তি আর প্রজ্ঞার নিবিড় মেলবন্ধনে গড়া নাম ওয়াহিদুর রহমান, যিনি ডিজিটাল ভুবনে ‘ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ’ নামে সমধিক পরিচিত। নব্বইয়ের দশকের শেষলগ্নে নোয়াখালীর স্নিগ্ধ আবহে জন্ম নেওয়া এই স্বপ্নদ্রষ্টা বর্তমানে ঢাকার বাসিন্দা হলেও, তাঁর মননে মিশে আছে শেকড়ের ঘ্রাণ। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে তিনি যেমন অতীতকে দেখার চোখ রাখেন, তেমনি ব্যবসায় প্রশাসনের গবেষক হিসেবে বুনতে জানেন আগামীর স্বপ্ন। যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র—আন্তর্জাতিক কর্মপরিধিতে বিচরণ থাকলেও তাঁর শেকড় প্রোথিত বাংলা সাহিত্যে। এলসেভিয়ারের মতো বিশ্বখ্যাত জার্নালের রিভিউয়ার কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা—সবখানেই তিনি রেখেছেন মেধার স্বাক্ষর।
তাঁর লেখনী তরুণদের দেখায় স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন ও আত্মজাগরণের মন্ত্র। ‘জীবনের জ্যামিতি’ কিংবা ‘প্রজ্ঞার পাঠশালা’-য় তিনি যেমন জীবনের সমীকরণ মিলিয়েছেন, তেমনি ‘আমি হবো ফ্রিল্যান্সার’ ও ‘নিজেকে জাগাও’ বই দিয়ে দেখিয়েছেন আলোর পথ। প্রযুক্তিগত দক্ষতা আর সৃজনশীলতার মিশেলে তিনি তাঁর পাঠকের জন্য তৈরি করেন এমন এক জগত, যা কেবল তথ্য দেয় না—বরং ভাবায় ও স্বপ্ন দেখায়।