১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 30 Jan 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
শিশুমনের ভুবন বড়ই রঙিন, সেখানে আছে হাসি, খেলা, দুষ্টুমি, কৌতূহল আর একটু একটু ভর্ৎসনাও। সেই ভুবনেই সঞ্জয় কুমার পালের ‘দাদুর জন্য ছড়া’ এক অনায়াস মায়ার দুনিয়া খুলে দেয়। বইয়ের প্রতিটি ছড়ায় আছে জীবনের ছোট্ট ছোট্ট গল্প, আমাদের সমাজ, আনন্দ-দুঃখ, শিক্ষা-বিনোদন, সতর্কতা-আবেগ; সব কিছুর পরশ।
এই বইয়ের ছড়াগুলো ঠিক যেন হাতের মুঠোয় ধরে আনা বাংলা গ্রামের দিনযাপন। ঢাকার ব্যস্ততা, চট্টগ্রামের স্মৃতি, গাজিপুরের প্রকৃতি, হাওরের কান্না, শিশুর দুষ্টুমি, খাবার-দাবার, পশুপাখির হাস্যরস, বন্ধুত্ব, ভয়, দুঃসাহস- সব মিলিয়ে অসংখ্য অনুভূতির রঙপুলকি। কখনো ‘দুখু মিয়া’ ছড়ায় শিশুরা আবিষ্কার করে বিদ্রোহী কবির শৈশব; কখনো ‘হবুচন্দ্র’তে মেলে অবাক হাসির গল্প। ‘আগুন নিয়ে খেলা’ বা ‘ফাঁকিবাজ’ ছড়ায় আছে নরম সতর্কবার্তা। ‘বৃষ্টি ও মাছ’, ‘মধুমাস’, ‘তরমুজ’ বা ‘ময়ুর’ ছড়ায় ফুটে ওঠে প্রকৃতির রং। আবার ‘চঞ্চল শিশু’, ‘আমজনতা’, ‘বালুদস্যু’, ‘হাওরের কান্না’- এসব ছড়ায় সমাজবাস্তবতার সরল অথচ গভীর ছাপ।
এই বইয়ের সবচাইতে আপন অংশ হলো দাদু- যিনি আছেন কখনো স্মৃতিতে, কখনো কল্পনায়, আবার কখনো ছড়ার ভেতরেই এক মমতাভরা চরিত্র হয়ে। শেষ ছড়াটিতে কবির স্বীকারোক্তি- দাদুকে যতটা মনে পড়ে, তার চেয়েও বেশি ছড়ার মধ্যেই তিনি বেঁচে ওঠেন। শিশুদের জন্য লেখা হলেও এই বইয়ের প্রতিটি পঙ্ক্তিতে বড়দের জন্যও আছে পুরোনো দিনের গন্ধ; দাদু-নাতির সম্পর্কের নিখাদ স্নেহ। সঞ্জয় কুমার পাল ছড়াগুলো লিখেছেন একেবারে কথ্যভাষার মজায়, সহজ ছন্দে। কখনো কৌতুক, কখনো উপদেশ, কখনো শাসন- সব মিলিয়ে বইটি শিশুদের জন্য যেমন উপভোগ্য, তেমনি পরিবারের সবার জন্যও প্রিয় হয়ে ওঠার মতো।
ছড়ার এই ছোট ছোট গল্পগুলো হয়তো একদিন আমাদের সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে ঠিক দাদুর গল্পের মতো।
বইটি সব শিশুমনের কাছে পৌঁছে যাক- আর ছড়ার দুনিয়ায় দাদুরা বেঁচে থাকুক চিরদিন।
জন্ম ৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ সাল, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানাধীন জয়পুর গ্রামে। চিত্তরঞ্জন পাল ও ফুলু রাণী পাল- দম্পতির প্রথম সন্তান। প্রথমে জয়পুর প্রাইমারি ও সরোজিনী জুনিয়র হাই স্কুলে, পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মিউনিসিপাল মডেল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আইপিজিএমএন্ডআর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করেন।
সরকারি চাকরিজীবী হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজ করেছেন এবং স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিকেল কলেজের শিশু নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯৭৬ সালে ছড়া দিয়ে লেখালেখি শুরু। তারপর কবিতা, গান, ছোটগল্প, চিকিৎসা বিষয়ক নিবন্ধ ইত্যাদি লিখেছেন, সেগুলো থেকে কিছু কিছু নানা সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিচিত্র স্বাদের বই পড়া ও ভ্রমণ তার প্রিয় বিষয়। স্ত্রী কাবেরী পাল এবং একমাত্র কন্যা ডা. অনন্যা পাল।