শুরু হলো অনলাইন বই মেলা! ২৫% নিশ্চিত ছাড় নতুন বইয়ে!
শুরু হলো অনলাইন বই মেলা! ২৫% নিশ্চিত ছাড় নতুন বইয়ে!
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 20 Feb 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
গল্প লেখা আমার নেশা হয়ে উঠছে; যখন লিখতে বসি, যেন তরতর করে বড় হয়ে ওঠে গল্পের শরীর। প্রতিটা গল্প যেন নিজের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে লেখা হয়। জানি না গল্পগুলো কতটা হৃদয়গাহী হয়ে ওঠে, তবে আমার গল্পের ভেতর সমাজবাস্তবতার যে চিত্র ফুটে ওঠে, তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তাই অনেক সময় আমার গল্পকে নিছক গল্প না বলেও বাস্তবতার উপাখ্যান হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
‘জীবনবোধের টুকরো গল্প’তে বড়সড় সব গল্প স্থান পেলেও গল্পগুলো টুকরো বলছি এজন্য যে একটি ঘটনা যখন ঘটে, তা জীবনের চেয়ে খুবই টুকরো। মানবজীবনে যতসব ঘটনা ঘটে যায়, তার টুকরো অংশই মানুষ উপলব্ধি করতে পারে। লেখক হিসেবে অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে জীবনবোধের কিছু টুকরো গল্প লেখার প্রচেষ্টা মাত্র।
আমার গল্পের নিয়মিত পাঠক যারা আছেন, হয়তো খুব কম সংখ্যক, আমি চাই না তাদের নিরাশ করতে। তাই চেষ্টা করেছি অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ গল্পের বই প্রকাশ করতে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেও চাই।
‘জীবনবোধের টুকরো গল্প’তে ভিন্ন স্বাদের দশটি গল্প লিখেছি, যাতে পাঠক পড়ে একঘেয়েমিতে না পড়ে। সমাজবাস্তবতা, রোমান্টিক, মনস্তাত্ত্বিক, থ্রিলার— সবই আছে। ভিন্ন ভিন্ন গল্প পাঠককে ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক জোগাবে।
আরেকটি কথা বলতে চাই, প্রতিটি গল্পে অলংকরণ হিসেবে এআই জেনারেটেড ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। পাঠক হিসেবে বিষয়টিকে ঠিক কীভাবে দেখছেন? এইসব অলংকরণ কি মানানসই মনে হয়েছে? না কি এমন অলংকরণ ব্যবহার করা নিষ্প্রয়োজন ছিল? আমাকে এই বিষয়ে সরাসরি বা অনলাইনে মতামত জানালে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। আমি চাই— আমার পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঠিক পরামর্শ আমার লেখালেখিকে আরও উৎকর্ষ করতে সহায়তা করুক।
বর্তমান লেখকদের মধ্যে পরিচিত মুখ। শৈশব-কৈশোরে লেখালেখির হাতেখড়ি। নিয়মিত লিখছেন দেশ-বিদেশের পত্রপত্রিকা, ম্যাগাজিন ও সাময়িকীতে। সাহিত্যের সব শাখাতেই আছে সমান দক্ষতা। দক্ষতা, আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাব ও প্রতিশ্রুতিশীলতা ক্রমশ এই লেখককে আগামীর পথ দেখাচ্ছে। বছরব্যাপী নতুন বই প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকমহলে চমক সৃষ্টি করে চলেছেন। বাংলা সাহিত্যে এই প্রতিভাবান লেখকের অবাধ বিচরণে মুগ্ধ সবাই।
তিনি ১৯৯৭ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করছেন। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র হওয়ার পরও লেখালেখির সূত্রে ঝুঁকে পড়েন সাংবাদিকতায়। দৈনিক মানবকণ্ঠে সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও সরকারি চাকরি পাওয়ায় তা আর করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের সর্ববৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র কম্পিউটার বিভাগে কর্মরত আছেন।
পুরস্কার ও সম্মাননা: ‘পাপড়ি-করামত আলী পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০১৯’, ‘রূপচাঁদা: অদেখা বাংলাদেশ সেরা গল্পকার-২০১৯’, ‘চয়েন বার্তা সম্মাননা-২০২০’, ‘লিখিয়ে পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০২০’, ‘প্রিয় বাংলা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০২২’।