সাব্বির আহমেদ সেন্টু, পিতা: মরহুম আলহাজ্ব মোঃ সালাহউদ্দিন, মাতা: মরহুমা শাহিন আরা বেগম। তিনি ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ শহরের ২নং বাবুরাইলস্থ তার নানীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ৫ ভাই ২ বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। স্কুল জীবন থেকেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৯৩সালে বেলা প্রকাশনী থেকে কাব্যগ্রন্থ ‘শতাব্দীর শ্লোগান ১৪০০’। ১৯৯৭ সালে সমন্বয় প্রকাশনী থেকে তার দ্বিতীয় প্রকাশিত হয় ছড়গ্রন্থ ‘স্নেহের নক্ষত্র’। এরপর সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে যাওয়ার কারণে দীর্ঘ ২৬ বছর তিনি সাহিত্য চর্চা থেকে কিছুটা বিরত থাকেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ছড়াগ্রন্থ উচ্ছ্বাস প্রকাশনী হতে ‘ছড়ার বুলেট’, ২০২৫ সালে তুষারধারা প্রকাশনী হতে উপন্যাসগ্রন্থ ‘স্বপ্নভরা দুটি চোখ’ উচ্ছ্বাস প্রকাশনী হতে নাট্যগ্রন্থ শর্টস্ক্রিপ্ট’ সত্যের ধ্বংস নাই, কাব্যকথা প্রকাশনী হতে ধ্রুব জন্মদিন সংখ্যা এবং ২০২৬ সালে টইটই প্রকাশন যৌথকাব্যগ্রন্থ শব্দে শব্দে ভালোবাসা ও তোতার জন্মদিন বই প্রকাশ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৩০ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তিনি জাতীয় দৈনিক খবর, সাপ্তাহিক চিত্রবাংলা, বর্তমান দিনকাল পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা, আমাদের অর্থনীতি, আলোকিত বাংলাদেশ এর নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি স্থানীয় দৈনিক শীতলক্ষ্যা, দৈনিক দেশের আলো, দৈনিক ডান্ডিবার্তা দৈনিক অগ্রবাণী পত্রিকার সহকারি সম্পাদক, দৈনিক আজকের জন্মভূমি’র বার্তা সম্পাদক, দৈনিক যুগের চিন্তার বার্তা সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে জাতীয় দৈনিক বিজয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, অনলাইন গণমাধ্যম চ্যানেল জিরো’র স্বত্ত্বাধিকারী, সাহিত্যের ছোট কাগজ ধ্রুব’র সম্পাদক, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। লেখালেখি ছাড়াও এটিএন বাংলায় তার প্রায় শতাধিক নাটক, অনুষ্ঠানমালা প্রচার হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক, বিজয় দিবস পদক, মিডিয়া জার্নালিষ্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (মিজাফ) এ্যাওয়ার্ড, বাসপ পদক, ঔপন্যাসিক মীর মোশাররফ হোসেন পদক, মৃত্তিকা পদক, অগ্নিবীণা পদক, সিদীপ সম্মাননা, অপরাধ প্রতিরোধ, কল্যাণ সংস্থা সম্মাননা, জিকেএসপি সম্মাননা, ভাষা সৈনিক মতিন সম্মাননা পদক, ঈশাখাঁ পদক, মাদক বিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বাড়ইপাড়া মানবকল্যাণ সংগঠনের সম্মাননা ও বন্দর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক সম্মাননা স্মারকসহ প্রায় ২শতাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ধ্রুব সাহিত্য পরিষদ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বন্দর থানা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, মিডিয়া ভিশন কালাচারাল একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা, মিডিয়া ভিশন থিয়েটার’র প্রতিষ্ঠাতা, ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশন, মেলোডি মাষ্টার, রংধনু সংসদ এর উপদেষ্টা। পাশাপাশি তিনি একজন নাট্য পরিচালক ও অভিনেতাও বটে। এ যাবতকালে তিনি প্রায় কয়েক শতাধিক নাটক রচনা করে বেশ আলোচিত হয়ে উঠেছেন। তার লেখা নাটকের মধ্যে জীবন ঘুড়ি, ন্যায় বিচারক, সত্যের ধ্বংস নাই, ঈদ সমাচার, বাল্যবিবাহ, অশুভ পরিণয়, পরিবেশ বাঁচাও, গরিবের ঈদ, জাকের ভাই, রুটি বাবা, ইসসিরে, ফ্রট কাশেম, নানা-নাতি ফোরটুয়েন্টি, বউ মারে, রাসেলস ভাইপার, জুয়াবাজ, আর্তনাদ, ফকিরের প্রেম, ড্রিম লাভ, চাচা-ভাতিজার প্রেম, প্রেমকীর্তি, মানুষ, করোনাভীতি, সন্তান, অনুতপ্ত, রুখো ইভটিজার, ইভটিজিং ভয় আর নয়, নিষিদ্ধ শ্রম, ফাঁকারাম বাবু, এক সেকেন্ডের ভরসা নাই, ভয়, প্যারা, অনুশোচনা, অবলীলা, ড্রিম লকডাউন, বোবর শত্রু বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।