ক্রাইম থ্রিলার ও সায়েন্টিফিক ফিকশন এর সমন্বয়ে তৈরি একটি বই 'অতন্দ্র নগরী'।
সভ্যতার বিবর্তনে আমরা ইতোমধ্যে প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করে ফেলেছি। এই যুগ কত বছর স্থায়ী হবে এবং পরবর্তী যুগ কেমন হবে তা সম্বন্ধে আমাদের কোন আইডিয়া নেই। তবে সভ্যতার আধুনিকতার ফলে ভবিষ্যতে যে আমাদের জীবন ম্যানুয়াল থেকে ট্রান্সফার হয়ে যান্ত্রিক বিষয়াদির উপর নির্ভর করবে তা মোটামুটি আমরা সকলেই আন্দাজ করতে পারছি। সেজন্য আমাদের কল্পনার জগতটাকেও সম্প্রসারিত করে সম্ভাব্য পরবর্তী জীবনে নিয়ে যেতে পারলে হয়তো আমরা কিছুটা এগিয়ে থাকবো।
সভ্যতার বিবর্তনের সাথে সাথে আমরা অনেকটা অসভ্য জাতিতে পরিণত হয়ে যাচ্ছি। যত দিন বাড়ছে মানুষ তত আধুনিক পদ্ধতিতে দুর্নীতি করে যাচ্ছে। দুর্নীতি করে কিভাবে লক্ষ-কোটি অর্থলোপাট করে লাক্সারি লাইফ লিড করা যায় তার নতুন নতুন পথ তৈরি করছে এই আধুনিক যুগের দুর্নীতিগ্রস্ত মানব সমাজ। এই সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য যারা নিয়োজিত তারাও যখন দূর্নীতিতে যুক্ত থাকে তখন এই সমাজটা বেশ দূর্বিষহ হয়ে পড়ে।
এই দূর্বিষহ সমাজব্যবস্থাকে বদলে দেবার জন্য একটা অদৃশ্য শক্তির কৃত্রিম শাসন ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে এই উপন্যাসটিতে। আমাদের মানব সমাজকে সমৃদ্ধ করতে এবং সৎ পথে পরিচালিত করতে একটি কাল্পনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক শাসনের আবির্ভাব ফুটে ওঠেছে। গল্পটিতে কিছু কাল্পনিক অবাস্তব ঘটনা বাস্তব জীবনকে প্রভাবিত করে এবং সমাজের সকল প্রকার দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিনব পদ্ধতিতে এক অদৃশ্য যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে অঘোষিত যুদ্ধের ডাক দেয়া হয়, যা সামাজিক অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা পালনে সমর্থ হয়।