টনি রবিন্স এবং ক্রিস্টোফার জুক তাঁদের বই—সিক্রেট টিপস ইন ইনভেস্টিং এ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং প্রাইভেট ইক্যুইটি ম্যানেজারদের সাক্ষাৎকার নিয়ে আর্থিক স্বাধীনতার জন্য কিছু অসামান্য কৌশল উন্মোচন করেছেন।
এখানে তাঁদের দেওয়া সেরা কৌশলগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. অল্টারনেটিভ ইনভেস্টিং বা বিকল্প বিনিয়োগ (The Shift to Private Markets)
শীর্ষ বিনিয়োগকারীরা সাধারণ শেয়ার বাজারের (Public Market) বাইরে প্রাইভেট ইক্যুইটি (Private Equity), প্রাইভেট ক্রেডিট (Private Credit) এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটালে (Venture Capital) বিনিয়োগে জোর দেন।
* কেন? এগুলোতে উচ্চ রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং এগুলো সাধারণ শেয়ার বাজারের ওঠানামার সাথে সবসময় সম্পর্কযুক্ত (correlated) নয়।
২. সম্পর্কহীন বিনিয়োগের পোর্টফোলিও (Uncorrelated Investments)
রে ডালিও-র মতে, এটি বিনিয়োগের "পবিত্র গ্রিল" (Holy Grail)। এমন ৮ থেকে ১২টি বিনিয়োগ ক্ষেত্র খুঁজে বের করুন যা একটি অন্যটির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। এর ফলে মূলধন ঝুঁকির মুখে না পড়েই মুনাফা বজায় থাকে।
৩. কম খরচে সূচক তহবিল (Low-Cost Index Funds/ETFs)
টনি রবিন্স বারবার জোর দিয়েছেন যে, অধিকাংশ সক্রিয়ভাবে পরিচালিত ফান্ড (Actively Managed Funds) বাজারকে হারাতে পারে না। তাই কম খরচের ইনডেক্স ফান্ড বা ETF-এ দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করা সবচেয়ে নিরাপদ এবং কার্যকর।
৪. অ্যাসেট অ্যালোকেশন বা সম্পদ বণ্টন (Asset Allocation)
আপনার বিনিয়োগ শুধুমাত্র শেয়ার বা বন্ডে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। বিনিয়োগকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করুন: নিরাপত্তা বালতি (নিরাপদ বিনিয়োগ), ঝুঁকি/প্রবৃদ্ধি বালতি এবং স্বপ্ন বালতি।
৫. ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ (Downside Management)
সেরা বিনিয়োগকারীরা প্রথমে চিন্তা করেন কীভাবে মূলধন রক্ষা করা যায়। "ঝুঁকি কমানো, কিন্তু লাভের সম্ভাবনা বাড়ানো" (Risk a little to make a lot) তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।]
৬. নিজের ওপর বিনিয়োগ (Invest in Yourself)
ওয়ারেন বাফেটের মতে, সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগ হলো নিজের ওপর—নিজের দক্ষতা এবং জ্ঞান বৃদ্ধির ওপর, কারণ এতে কোনো কর (tax) লাগে না এবং মুদ্রাস্ফীতি একে কমাতে পারে না।
৭. অটোমেশন এবং দীর্ঘমেয়াদী মানসিকতা (Automation