নিজেকে সেই দিপ্ত নুরের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত
যেখানে কোন বাধা নেই,
পাপের সাগরে নিজেকে হারিও না
যেভাবে হারিয়ে যায় মূল্যহীন ধূলিকণা।
সত্যের যাত্রা তো অমূল্য ; গননাহীন তাঁরার চেয়েও
কখনো হারিয়ে যেও না সেভাবে,
যেভাবে হারিয়ে যায় রেখে যাওয়া সময়।
কতদিনই বা থাকব এ ধরাতে ; মিছে মায়া ভরাতে
চলে যেতে হবে নিশ্চই, নেই সংশয়।
পূবালী আকাশে মেঘ হয় আবার শেষ হয়
আমার করে যাওয়া কাজতো কখনো শেষ হবেনা।
যদি আমি বদলে যেতাম পূর্ণিমার চাঁদের মত
আমি আলোকিত থাকতাম ; ছড়াত আলো
দিকবিদিক খুশবু ছড়িয়ে যেত জুনাকিদের পালে
সূর্যমুখী হয়ে উড়ে বেড়াতাম সূর্যের অথই তালে,
বিমোহিত করার কি কারণই বা না ছিল ?
মলিনতায় যদি ঘেরাও করত আমার সবটা দুয়ার
ভুবনের মাঝে লুকোচুরি করার কি কারণ থাকত !
উপভোগ করতেই তো দিনগুলো কাটতে থাকত
যেভাবে আমাবস্যার স্রোতের মতো বয়ে চলছে
দিন-রাত-ঘন্টা গুলো।
তবুও বিশ্বাসে পায় ক্ষণ,কাল,সময়
ভোরের দিগন্তে আলোকিত শিখা ফুটবে বলে
মাধুর্যতার চাদরে আগলে রাখা শান্তির নিশান উঠবে বলে।
জীবনের মোহনায় লড়াকু সৈনিক হওয়া চাই
উত্তাল ঝড়ের মাঝেও যেন নিজেকে খুঁজে পাই
রুখে দেওয়া সব প্রতিঘাত থেকে যাক একপাশে
আমি আমার জন্য হয়ে লড়ব আমাদের সর্বনাশে।
পথের প্রান্তরে কখনো তাকিও না সামনে কি হবে
সাগরের মাঝে নিজেকে ঝাঁপিও না যদি চোখ খোলা থাকে তবে
কঠিন সময়েও সহজে পাড়ি দিতে পারে যে জন
অমর বানী এসে দোলা দেয় তার কাছে হয়ে শ্রদ্ধে ভাজন।
রুহের মত হওয়া উচিত আমার ; যেথায় থাকে প্রাণ
মাটির দেহে প্রবেশ করে, করে সুমহান
জগতের এই আঁধার নীড়ে মশাল হওয়া চাই
রংহীন এই জগতে যেন রঙের দ্বীপ জ্বেলে যাই।
কাগজে কলমে সবসময় সবকিছু হয় না
সব গুহায় সবসময় আলোর জোয়ার বয় না
ধ্যানের মধ্যে যদি কড়া নাড়ে নিখুঁত চিন্তা ছাপ
গহীন গুহার ভেতরও জ্বালানো যায় রঙিন সু-প্রভাত।
একতার সাথে চলা উচিত আমার ; সাথে মনোবল
পদতলে সব ডুবে যাক জল, অঢেল অতল
সত্যের পথে কাটুক মোর সারাটি জীবন ভর
রবের ঠিকানায় উঠে যাক মোর দ্বিধাহীন অন্তর।