Close
  • Look inside image 1
  • Look inside image 2
  • Look inside image 3
  • Look inside image 4
  • Look inside image 5
  • Look inside image 6
  • Look inside image 7
  • Look inside image 8
  • Look inside image 9
  • Look inside image 10
  • Look inside image 11
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন image

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন (হার্ডকভার)

ড. মো. মিজানুর রহমান

TK. 600 Total: TK. 516
You Saved TK. 84

down-arrow

14

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন (হার্ডকভার)

TK. 600 TK. 516
কমিয়ে দেখুন
tag_icon

রিচার্জেবল ফ্যানে ৬৫% পর্যন্ত ছাড়, মাত্র ৩২৯৳ থেকে শুরু!

পাঠকেরা একত্রে কিনে থাকেন

এই ই-বুক গুলোও দেখতে পারেন

বইটই

বইটির বিস্তারিত দেখুন

ভূমিকা


চীন দেশে একটি প্রবাদ আছে, কিছু কিছু মৃত্যু পালকের চেয়ে হালকা। আবার কিছু কিছু মৃত্যু হিমালয়ের চেয়ে ভারী। ঠিক তেমনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু।

অপরূপ সুন্দর এই পৃথিবী পাখির গুঞ্জনে নদীর কুলু কুলু ধ্বনি। কোথাও সমুদ্রের উথাল পাতাল ঢেউ। কোথাও মাথা উচ্চু করে দাঁড়িয়ে আছে পবর্তমালা। আবার কোথাও মাঠ ভরা ফসলের সমারোহ। নয়নাভিরাম এই দৃশ্য সত্যিই অপূর্ব।এই পৃথিবীর বাসিন্দা আমরা মানুষ আমাদের জীবন অস্থায়ী কিন্তুমৃত্যু স্থায়ী। তার পরও এই ক্ষণস্থায়ী জীবনকে স্থায়ীত্বের মহিমায় ভাস্বর করা যায়। মৃত্যুর কালো আঁধারকে জয় করে মৃত্যুঞ্জয়ী হওয়া যায়। এই জীবনকে মহৎকাজের গৌরব দিয়ে সুশোভিত করে, মানুষের জন্য প্রাণভরা ভালোবাসা বিলিয়ে দিয়ে নিজের স্বার্থ তুচ্ছ করে দেশকে; দেশের মানুষকে আপন করে কাছে টেনে নিয়েই ক্ষণস্থায়ী জীবনকে স্থায়ী করা যায়। এইরূপ ব্যক্তিবর্গ তারাই হন চিরস্মরণীয়। অনেক সম্পদ শক্তির দাপট কিংবা লোকবল থাকলেই মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায় না। মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে মানুষকে ভালোবাসতে হয়। মমতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়। সৎ ও সুন্দর জীবনের আদর্শ সকলের সামনে তুলে ধরতে হয়। আর এভাবেই ছোট জীবনকে করা যায় অর্থবহ। এক্ষেত্রে প্রিয় নবী মোহাম্মদ রাসুল্লালাহ (স.) এর কথা অতুলনিয় শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হয় তার কথা প্রতি মুহুর্তে। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করছি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অনন্তকাল ধরে। কেন তিনি তার এই জীবন মানব জাতির কল্যানে বিলিয়ে দিয়েছেন, পরবর্তী কালে আরো মহামানব এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহন করেছেন। যারা নিজেদের আরাম আয়েশ ভুলে গিয়ে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিলেন। মানুষ তাই তাদের মনে রেখেছেন অসীম শ্রদ্ধায় ভালোবাসায়।

তাই কবির সাথে একমত ধ্বনি তুলব-

এমন জীবন তুমি করিবে গঠন,

মরিলে হাসিবে তুমি, কাদিবে ভুবন।

মহৎ মানুষের জীবন এমনই, তারা পৃথিবীর মানুষের জন্য কাজ করেন। মানুষ তাঁদের অফুরন্ত ভালোবাসার ভরিয়ে দেয়। সাফল্যের জোসনায় ঝলমল করে তাদের জীবন। তাইতো তাদের মৃত্যু তাদের কাছে গৌরবের আনন্দের। কিন্তু এসব মহান মানুষের মৃত্যুকে সাধারণ মানুষ সহজ ভাবে মেনে নিতে পারে না। তারা শোকাতুর হয় ঘরে ঘরে কান্নার রোল ওঠে।

আমাদের এই বাংলাদেশে ও এমনি সোনার সন্তানেরা জন্ম নিয়েছেন। তাঁরা তাঁদের বুদ্ধি মেধা ও ত্যাগ তিতীক্ষা দিয়ে বাঙ্গালী জাতীকে একটি সার্বভৌম ভূ-খন্ড দিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক, জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও শেখ মজিবুর রহমান।

উপরোক্ত মহান নেতাদের পর যে নেতার জীবন নিয়ে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি, তিনি হচ্ছে আমাদের একান্ত আপনজন, মুক্তি যুদ্ধের নায়ক, স্বাধীনতান মহান ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশকে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। পরবর্তী কালে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও তাঁকে গ্রহন করতে হয়েছিল। তিনি এ দেশকে ভালোবেসেছিলেন। আর হৃদয় উজার করে ভালোবেসেছিলেন এদেশের মানুষকে। শিশুদের জন্য তার ভালোবাসা ছিল অফুরন্ত অশেষ।

পৃথিবীর মহৎ মানুষের মধ্যে জিয়া এক অমর নাম। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। শারিরিক ভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার কাজের মৃত্যু নেই। তিনি তাঁর সততা আর দেশপ্রেম আর মহৎ কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন আমাদের কর্মে। আমাদের চিন্তায় ভালোবাসা আর মমতার ফুল হয়ে। এমনই এক মহান ব্যক্তির স্মৃতি বিজড়িত মহান আদর্শ নীতি নৈতিকতার উত্তম চরিত্র এবং একজন রাষ্ট্রনায়কের উত্তম আদর্শিক চরিত্র নিয়ে আমরা কিছু কথা আলোচনা করব। যার আদর্শ কথা বলেছিল, কথা বলছে, আজীবন ধরে বলবে সেই মহান নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

বাংলাদেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান অস্বীকার্য। তাঁর নেতৃত্বে দেশটি মুক্তিযুদ্ধের পর পুনর্গঠন, জাতীয় স্বাধীনতা, এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা অর্জন করেছে। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এককভাবে সমাপ্ত নয়। তার নেতৃত্বের পথ অনুসরণ করে তার পুত্র, বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রয়াত পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে, তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো, রাষ্ট্রচিন্তা, এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পুনর্গঠন সম্পর্কে নিজের একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই প্রবন্ধে, তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শনের বিশ্লেষণ করা হবে এবং তার পিতার আদর্শের সঙ্গে তার রাজনৈতিক অবস্থান কীভাবে সমন্বিত হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রয়াত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে ব্যাপক প্রভাবিত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমন রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, এবং জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি তারেক রহমানও তার রাজনৈতিক চিন্তা ধারায় এসব বিষয় দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করেন। তবে তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শনে কিছু মৌলিক পরিবর্তন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি তাঁর প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে যা তাঁকে তার পিতার তুলনায় আলাদা করে তোলে। তারেক রহমানের মতে, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য শুধু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যথেষ্ট নয়, বরং সুশাসন, ন্যায়বিচার, এবং জনগণের অধিকার রক্ষাও অত্যন্ত গুরত্ব¡পূর্ণ।

তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা মূলত তিনটি মৌলিক স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে: গণতন্ত্র, জাতীয় সুরক্ষা, এবং সামাজিক ন্যায়। গণতন্ত্রের প্রতি তার অনুপ্রেরণা তাকে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের অধিকারের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী করে তোলে। তিনি মনে করেন, জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী হতে পারে। এছাড়া, জাতীয় সুরক্ষা তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তার অপরিহার্য অঙ্গ। তিনি বিশ্বাস করেন যে, একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে তার পররাষ্ট্র নীতি এবং সামরিক বাহিনী শক্তিশালী হওয়া দরকার। তাছাড়া, তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য একটি কার্যকরী আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের তৃতীয় স্তম্ভ হলো সামাজিক ন্যায় বিচার, তিনি সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি, এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কাজ করার প্রতি গভীর গুরুত্ব দেন। তার মতে, রাষ্ট্রের কর্তব্য হলো জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা, বিশেষ করে হতদরিদ্র, শ্রমজীবী, ও পিছিয়ে পড়া জনগণের অধিকার সুরক্ষা করা। তিনি একাধিকবার তাঁর রাজনৈতিক ভাষণে সামাজিক ন্যায়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং তার নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি সমাজতান্ত্রিক, উন্নত ও ন্যায়সঙ্গত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া, তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর দল বিএনপির মূলনীতি এবং কর্মকাণ্ডে। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য রাজনীতি করার পক্ষে বিশ্বাসী। তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং শাসক দলের জন্য চ্যালেঞ্জিং অবস্থান তৈরি করেছে। এই প্রবন্ধে, তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা এবং রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিটি দিক বিশ্লেষণ করা হবে এবং তার রাজনৈতিক অবস্থান, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির দৃষ্টিতে তাঁর প্রভাব আলোচনা করা হবে। তথাপিও পাঠকগণকে বলবো এসকল আলোচনার স্বাপেক্ষে পাঠকগণ ভূমিকা, লেখকের বক্তব্য, কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও সূচিপত্র মনোযোগ সহকারে পড়লে অত্র গ্রন্থের মূল বক্তব্য এক বাক্যে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবে।




Title মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন
Author
Publisher
ISBN 9789848874219
Edition 1st Published 2026
Number of Pages 288
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Reviews and Ratings

sort icon

Product Q/A

Have a question regarding the product? Ask Us

Show more Question(s)

Customers Also Bought

loading

Similar Category Best Selling Books

prize book-reading point
Superstore
Up To 65% Off

Recently Viewed

cash

Cash on delivery

Pay cash at your doorstep

service

Delivery

All over Bangladesh

return

Happy return

7 days return facility

Video

0 Item(s)

Subtotal:

Customers Also Bought

Are you sure to remove this from bookshelf?

Write a Review

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন

ড. মো. মিজানুর রহমান

৳ 516 ৳600.0

Please rate this product