১৯৯৭ সালে চিলমারী উপজেলার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সমৃদ্ধ দালিলিক গ্রন্থ "চিলমারী ইশতেহার" প্রকাশনার মধ্য দিয়ে তিনি লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর লেখা ও প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য নাট্যগ্রন্থের নাম-"লাশের ইশতেহার ও অন্যান্য নাটক"। উপন্যাস-প্রতিশোধ, হৃদয়ের অলিন্দে তুমি, মৃত্যু উপত্যকা ও রক্তাক্ত ফতুয়া। প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ-নিভৃত কথন, স্মৃতির গহীনে জীবন, গণতন্ত্রের চিরকুট ও ধ্রুপদী প্রেম।
২০২৪ ইং সালে ভারতের বিশিষ্ট কবি দুর্গা শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় ও নাজমুল হুদা পারভেজের কবিতা নিয়ে কবির প্রথম যৌথ কাব্যগ্রন্থ "হৃদয় টানে বাংলার পানে"।
কবি নাজমুল হুদা পারভেজের সম্পাদিত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ "তুমি আছো অন্তরে" ও "কবিতা পুলিন"। ২০২১ ইং সালে প্রকাশিত চিলমারীর প্রাগৈতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা "হামার চিলমারী" লেখকের একটি গবেষণাধর্মী দালিলিক গ্রন্থ। এছাড়াও ২০২৩ ইং সালে মুক্তিযুদ্ধের ওপর গবেষণাধর্মী "উত্তর রণাঙ্গন-মুক্তিযোদ্ধাদের অব্যক্ত কথা" লেখকের অপর একটি ঐতিহাসিক দালিলিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ২০২৩ ইং সালের ১০ ডিসেম্বর ভারতের অশ্বিনী কুমার সাহিত্য পরিষদ (আন্তর্জাতিক)-এর আমন্ত্রণে লেখক নাজমুল হুদা পারভেজ প্রধান অতিথি হিসেবে কলকাতা যান। সেখানে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লেখককে সংবর্ধিত করা হয়।
নাজমুল হুদা পারভেজ জন্মসূত্রে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের শিকার হয়ে বর্তমানে একই উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বনবিভাগ সংলগ্ন এলাকায় সপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি ব্যক্তি জীবনে বিবাহিত। লেখকের জীবনসঙ্গিনী মোছা: নিহার সুলতানা ঝর্ণা। যার অনুপ্রেরণা এই গ্রন্থটি প্রকাশনার ক্ষেত্রে লেখককে সাহস যুগিয়েছে। লেখক দুই পুত্র সন্তানের জনক।