রিচার্জেবল ফ্যানে ৬৫% পর্যন্ত ছাড়, মাত্র ৩২৯৳ থেকে শুরু!
রিচার্জেবল ফ্যানে ৬৫% পর্যন্ত ছাড়, মাত্র ৩২৯৳ থেকে শুরু!
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 30 Apr 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
একদিন ভার্সিটির কথা বলে আপু গায়েব। আর কোনো খবর নেই। বাসার সবার কী যে অবস্থা! মা’র অবস্থা খারাপ, বাবার মুখের দিকে তাকানো যায় না। এর মধ্যে থানায় দৌড়াদৌড়ি! তবে কোনো খবর নেই। খবর পেলাম দুদিন পরে। আমার মোবাইলে আপুর কল আসাতে। রিসিভ করতেই একেবারে শীতল কণ্ঠে শুধু বলল,
“আমি বিয়ে করেছি, ভালো আছি, আর টেনশন করিস না। বাবা-মাকে দেখে রাখিস।”
কষ্টের এক সাগরে ফেলে, দেখে রাখার কথা বলা হাস্যকর। অন্তত সেইদিন দিলশাদের তাই মনে হয়েছিল।
আপুর গায়েব হওয়াতে বাবা-মা যতটুকু ভেঙে পড়েছিলেন, তার চেয়ে হাজার গুণ ভেঙে পড়ল এই ফোনকলে। সেই দিন আমার প্রথম মনে হলো,
আপু স্বার্থপর! অনেক অনেক স্বার্থপর। শুধু নিজের দিকটাই দেখেছে।
আর এই স্বার্থপর মেয়েটা জানলও না, তার জন্য আমরা কতটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেলাম। বাবা-মার চেয়েও আমি আপুকে বেশি ভালোবাসতাম। আর তো কোনো ভাইবোন নেই। শুধু একটা বড়ো বোন। ভালো না বেসে যায়?
সেই আপু কীভাবে দু'দিনের ভালোবাসার কাছে আমাদের তুচ্ছ করে ফেলল? কীভাবে? একবার কি বলা যেত না! বাবা-মা কি এমন? ঠিক মেনে নিতো। তাই ভাবলাম, কখনো আপুকে ক্ষমা করব না। কখনো না।
বলা যত সহজ, করা অবশ্য অতটা সহজ কাজ না। এক বছর আপুর সাথে কোনো যোগাযোগ ছিল না। থাকার অবশ্য কারণও নেই। আপু কাকে ভালোবাসতো, কার সাথে চলে গেছে, এখন কোথায় আছে, তার কিছুই আমরা জানতাম না। জানার অবশ্য চেষ্টাও করিনি। কী হবে জেনে? সে তার রাস্তা নিজে খুঁজে নিয়েছে। যেখানে থাকুক, ভালো থাকুক।
তারপর অনেকটা দিন পর তার ফোন এলো! আমার কাছেই। বাবা-মার কাছে দেওয়ার কী আর মুখ আছে! আমি ফোন ধরে কিছুই বলতে পারলাম না। তবে একটা জিনিস সেইদিন ঠিক বুঝলাম। ভালোবাসার মানুষদের ঘৃণা করা সহজ ব্যাপার না।