১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান লেখক। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি ও সমকালীন ঘটনাবলি নিয়ে তাঁর লেখায় যে চিন্তার প্রতিফলন তিনি ঘটিয়েছেন তা একদিকে বিষয়গুলো নিয়ে নতুন ভাবনার বিস্তার ঘটিয়েছে, অন্যদিকে ভাষাকেও সমৃদ্ধ করেছে অকাতরে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়কে নিয়ে ইতিপূর্বে তাঁর আলোচনা বাংলাভাষায় সাহিত্য সমালোচনায় নতুন আলোকপাত করেছে। বিভাগপূর্ব বাংলা সাহিত্যের আর এক কীর্তিমান পুরুষ কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়েও লেখকের আগ্রহ এবং মৌলিক পর্যবেক্ষণ সুবিদিত। বিভিন্ন সময়েই তিনি নজরুল সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে লিখেছেন, বিশ্বসাহিত্য ও দেশীয় প্রেক্ষাপটের সাথে মিলিয়ে নজরুলকে বিচার করেছেন। এই প্রবন্ধসমূহ নানান উপলক্ষে রচিত হলেও তাই তাদের মূল সুর নজরুলেরই মূল্যায়ন, যেন তারা মিলেমিশে একটিই প্রসঙ্গকে বিভিন্ন দিক দিয়ে বোঝার ও চিনবার চেষ্টা। কাজী নজরুল ইসলাম শুধু তাঁর কাব্যপ্রতিভায় অনন্য ও যুগন্ধর ব্যক্তিত্ব ছিলেন না; সমকালীন রাজনীতি, নতুন সাহিত্যের আন্দোলন, উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম এবং অসাম্প্রদায়িক মিলনের ভাবনা, ঐতিহ্যের অনুসন্ধান ও সাহিত্যে মৌলিক রীতির প্রবর্তনও তাঁকে অনন্য করেছে। সমাজ-রাজনীতি-সাহিত্য চিন্তায় নজরুলের বিপ্লবাত্মক দর্শন তাঁকে যেমন আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে, তেমনি তাঁর হৃদয়স্পর্শী মানবিক সুরটি তাঁকে করেছে চিরকালীন। নজরুলকে চিনতে চাওয়া গ্রন্থে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নজরুলের সেই বর্ণাঢ্য বৈচিত্র্য আর ব্যাপকতাকে বহুদিক দিয়ে যেমন চিনেছেন, তেমনি বাংলাভাষীদের জন্যও আরও বহুকাল ধরে নজরুলকে নিত্যনতুন রূপে চিনবার অজস্র সূত্র উপহার দিয়েছেন।
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (জন্ম. ১৯৩৬) পেশায় সাহিত্যের অধ্যাপক এবং অঙ্গীকারে লেখক। এই দুই সত্তার ভেতর হয়তো একটা দ্বন্দ্বও রয়েছে, তবে সেটা অবৈরী, মোটেই বৈরী স্বভাবের নয়। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক, অবসরগ্রহণের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রফেসর এমেরিটাস হিসাবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি শিক্ষা লাভ করেছেন রাজশাহী, কলকাতা, ঢাকা এবং ইংল্যান্ডের লীডস ও লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে। লেখার কাজের পাশাপাশি তিনি ‘নতুন দিগন্ত’ নামে সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করছেন। তার গ্ৰন্থসংখ্যা আশির কাছাকাছি। তার অকালপ্রয়াত স্ত্রী ড. নাজমা জেসমিন চৌধুরীও লিখতেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।