আমি ভারতীয় আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করছি, যাতে দীর্ঘস্থায়ী রোগ নিরাময়ের প্রক্রিয়া আরও উন্নত করা যায়। গত ১০ বছরে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, গবেষণা ও আবিষ্কারের মাধ্যমে ৮০,০০০-এর বেশি মানুষ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড, উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, লিভারের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার, মৃগী, পিত্তপাথর, পিসিওডি, রক্তস্বল্পতা, কিডনির পাথর, হজমজনিত সমস্যা, মাইগ্রেন এবং অন্যান্য জীবনধারাজনিত সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেয়েছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের মাধ্যমে আমি নিশ্চিত করি যে, প্রতিটি মানুষ যেন ওষুধ ছাড়াই তাদের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন, এমনকি সেটি দীর্ঘমেয়াদি অসুখ হলেও। শৈশব থেকেই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার সুবাদে আমি শিখেছি যে, শুধুমাত্র রোগ নিরাময় করাই যথেষ্ট নয়, বরং মানুষকে তাদের সমস্যার মূল কারণ নিজেরাই জানতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমি বিভিন্ন ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র এবং অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে আমার তত্ত্ব প্রকাশ করা শুরু করি। আমার জনপ্রিয় বইসমূহ – *“ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি”, *“ব্রেকফাস্ট লাঞ্চ ডিনার”*, *“মাইন্ড ইয়োর ওন ল্যাঙ্গুয়েজ”** – শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ও সামাজিক আচরণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে গভীর আগ্রহ থাকায় আমি প্রকৃতি বিজ্ঞান ও পুষ্টি বিষয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাই, যা আমাকে আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। এখন যারা এটি গ্রহণ করছেন, তারা উপলব্ধি করতে পারছেন যে, রোগ আসলে একটি চিকিৎসা মিথ মাত্র—প্রতিটি রোগই স্থায়ীভাবে নিরাময়যোগ্য। শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে *৮৫০০ ধরনের রোগ* দূর করা সম্ভব, কারণ খাদ্যই সর্বোত্তম ওষুধ। এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা প্রত্যেককে পরিপূর্ণভাবে জীবন উপভোগ করতে সাহায্য করতে পারে।