
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
অ্যার্জের সৃষ্টি 'দুঃসাহসী টিনটিন: আশ্চর্য উল্কা' (The Shooting Star) টিনটিন সিরিজের একটি অন্যতম রোমাঞ্চকর বিজ্ঞান কল্পকাহিনীভিত্তিক কমিক্স। গল্পের মূল কাহিনী পৃথিবীর ধ্বংসের পূর্বাভাস: জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্রফেসর ফস্টল ঘোষণা করেন যে একটি বিশালাকায় নক্ষত্র পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এবং পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন। নতুন ধাতুর সন্ধান: নক্ষত্রটি শেষ পর্যন্ত পৃথিবীকে আঘাত না করে পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তবে একটি বড় উল্কাপিণ্ড আর্কটিক মহাসাগরে আছড়ে পড়ে। অভিযান: প্রফেসর আবিষ্কার করেন যে এই উল্কায় 'ফসলিন' নামক একটি সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যন্ত মূল্যবান ধাতু রয়েছে। টিনটিন, কুট্টুস এবং ক্যাপ্টেন হ্যাডক একদল বিজ্ঞানীর সাথে সেই ধাতুর সন্ধানে আর্কটিকের উদ্দেশ্যে রওনা হন। প্রতিযোগিতা: অভিযানে নেমে তারা জানতে পারেন যে অন্য একটি অশুভ গোষ্ঠীও সেই উল্কাপিণ্ডটি দখলের জন্য ছুটছে, যা পুরো অভিযানকে একটি টানটান উত্তেজনার প্রতিযোগিতায় রূপ দেয়। কেন এটি বিশেষ? অনুবাদ: বাংলায় এর অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, যার সাবলীল ভাষা চরিত্রগুলোকে বাঙালির কাছে অত্যন্ত প্রিয় করে তুলেছে। চিত্রশৈলী: অ্যার্জের নিজস্ব 'লিগন ক্লেয়ার' (Ligne Claire) বা স্বচ্ছ রেখার অসাধারণ ড্রয়িং এই বইটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। রহস্য ও রোমাঞ্চ: উল্কাপিণ্ডের ওপর পৌঁছানোর পর সেখানে অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা—যেমন বিশাল আকারের মাশরুম বা দানবীয় আপেল হওয়ার ঘটনাগুলো শিশু-কিশোরদের কল্পনাকে নাড়া দেয়।যারা টিনটিন প্রেমী বা কমিক্স পড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি চিরকালীন ক্লাসিক সংগ্রহ।
Was this review helpful to you?
or
টিনটিন এর সাথে আমার পরিচয় যখন আমার বয়স পাঁচ ৷এখন পর্যন্ত আমার প্রিয় এক নাম্বার কমিকস ৷
Was this review helpful to you?
or
রকমারি রিভিউঃ বইঃ দুঃসাহসী টিনটিনঃ আশ্চর্য উল্কা । লেখকঃ অ্যার্জে । প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স । মূল্যঃ ৪৫০ টাকা । পৃষ্ঠাঃ ৬২ । অ্যার্জের লেখা টিনটিন সিরিজের দশম বই দুঃসাহসী টিনটিনঃ আশ্চর্য উল্কা । টিনটিনের এর আগের বইগুলোর তুলনায় এই বইটি একটু ফিকে । রাতের আকাশে এক অদ্ভুত তারা দেখতে পায় টিনটিন । মানমন্দিরে গিয়ে খোঁজ নেয় । জানতে পারে সেটা নাকি একটা উল্কা যেটা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে । পরে জানতে পারে উল্কাটা পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে চলে গেছে । উল্কার একটা অংশ পৃথিবীতে পড়েছে । বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে ইউরোপীয় বিশেষজ্ঞদের সাথে টিনটিনও উল্কার খোঁজে যায় । কিন্তু তার আগেই অন্য একটি জাহাজ রওনা হয়ে গেছে । এখন টিনটিন কি তাদের দেয়া বাঁধা সামলে আগে উল্কার কাছে পৌঁছাতে পারবে? আর অদ্ভুতুরে উল্কাতেই বা কী হয়? জানতে হলে অবশ্যই বইটি পড়তে হবে ।
Was this review helpful to you?
or
এমন কোন বইপোকা খুজে পাওয়া যাবেনা যে টিনটিন কে চেনেনা এবং তার বই পড়েনি। কারো আবার ছোটবেলার বই পড়ার শুরুই হয়েছে টিনটিনের হাত ধরে। আর সেকারনেই হয়তো টিনটিন ছোটদের বই। টিনটিন শুধু ভালো লাগবে নির্দিষ্ট একটা বয়সে। সেই বয়স পেরুলে আর টিনটিন ভালো লাগবে না। কিন্তু আমার সেরকমটা মনে হয় না। টিনটিন আমার খুবই ভালো লাগে। তার সাথে আমার পরিচয় ১৬ সালে। তারপর তার ফ্যান হলাম। এবং একসাথে কাটালাম বেশ কিছু অভিযান। সেইরকমই একটা অভিযানের নাম "আশ্চর্য উল্কা" সময়টা গ্রীষ্মের মাঝামাঝি। অতিরিক্ত গরমে গায়ে কাপড় রাখাই দায়। এরকম সময়ে রাতের বেলা টিনটিন আকাশে লক্ষ্য করলো বিশাল একটা তারা। তারা যে পৃথীবি থেকে এত বড় দেখা যাবে এটা কখনোই কল্পনা করেনি টিনটিন। তাই বেশ উত্তেজনা অনুভব করতে লাগলো নিজের মাঝে। উত্তেজনা হয়তো আর একটু বাড়ানোর জন্য তারাটার আকার একটু একটু বাড়তে লাগলো। একটা সময় টিনটিনের মনে হলো তারাটা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। অনুমানের সত্যতা যাচাই করার জন্য টিনটিন ছুটলো মানমন্দিরে। মানমন্দিরে না আসাটাই হয়তো ভালো ছিল। এখানে এসে টিনটিন যা শুনলো এবং নিজের চোখে আকাশের সেই তারাকে বড় দুরবীন দিয়ে দেখার পর যেন নিজের অজান্তেই আতকে উটলো। এতক্ষণ থেকে যেটাকে তারা ভেবে আসছিলো টিনটিন সেটা আসলে তারা নয়। বরং ভয়ঙ্কর এক মাকড়সা। এবং সেই মাকড়সা ধেসে আসছে পৃথিবীর দিকে যার ফলে আগামীকাল সকাল ৮ টা ১২ মিনিটে সেটার ধাক্কায় চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাবে পৃথিবী। টিনটিন ভাবতেই পারছিলো না আগামীকাল তাকে এবং বাকী সবাইকে মরতে হবে। কিন্তু ভেবেও তো আর করার কিছু নেই। ভেবে কি আর পৃথিবীকে ধংসের হাত থেকে বাচা যাবে? যখন আর কোন উপায় নেই তখন টিনটিন ঘড়ির দিকে তাকিয় অপেক্ষা করতে লাগলো ভয়ঙ্কর এক সত্যের জন্য। মনে ক্ষীণ আশা। হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হবে না। কিন্তু টিনটিনের ক্ষীণ আসা পূরন হলো না, সঠিক সময়েই প্রচন্ড এক ঝাকুনিতে কেপে উঠলো টিনটিনের পুরা রুম....." কাহিনী এখানেই শেষ নয়, কারন আশ্চর্য উল্কা নিয়ে এখনো কিছুই বলিনি। যেটাকে আশ্চর্য উল্কা বলা হয়েছে সেটা আসলেই আশ্বর্য উল্কা। সেই উল্কা সংরক্ষণ করা গেলে বিজ্ঞানের অবিস্মরণীয় উন্নতি ঘটানো সম্ভব। মানব জাতির এই অভাবনীয় সাফল্যের স্বপ্ন এক নিমিষেই ভেঙে দিয়ে উল্কা পতন হলো সমুদ্রে। সমুদ্র থেকে তো আর উল্কা নিয়ে আসা যাবেনা, কিন্তু তারপরেও টিনটিনের চাওয়ায় বিশাল লঞ্চ সাজানো হলো, সেইসাথে শুরু হলো রোমাঞ্চকর অভিযান। আর সব অভিযানের মত এটাতেও আছে যথেষ্ট শত্রু। শত্রু দল চায়না টিনটিন দল উল্কা আগে পেয়ে যাক, আর তাই তারা বিভিন্ন রকম চতুরাতার আশ্চর্য নিতে লাগলো। এগুলোর থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন ছিলো কিন্তু টিনটিন একে একে সেগুলো থেকে পাশ কাটিয়ে যেতে লাগলো। কিন্তু তার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো তখন, যখন জানতে পারলো তাদের থেকে ঠিক ২৫০ কিমি এগিয়ে আর একটা লঞ্চ উল্কার খোজে এগিয়েছে। তারমানে আর কোনভাবেই উল্কা জয় করা সম্ভব নয়। তবে ভেঙে পড়লো না টিনটিন। একবার যখন অভিযানে বের সে হয়েছে তখন জিতেই ফিরবে। ভাল্লাগছে আশা করি আপনাদের ও লাগবে।




