User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Sara

      24 Apr 2026 02:13 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ভালো

      By Mahbubul Hasan

      29 Jun 2024 07:36 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      প্রারম্ভকথন: আপনার দায়িত্ব যখন অন্য কেউ আপনার সামনেই করে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু শেষ করা অব্দি তার কিছুই আপনি জানেন না। তখন কি করবেন, যখন জানতে পারলে দায়িত্বের শেষটুকু সে পালন করতে পারেনি, কিন্তু আপনিই সেই যে দায়িত্বটুকু শেষ করার কথা। তাহলে কি আবার পুরোনে আমিতে ফিরে যাবেন? এমনই সকল টুইস্টে ভরপর ঘটনার মিশেল ইনকারনেশন। "আমি যুদ্ধের দায়িত্ব শেষ করেছি, শান্তি আনার দায়িত্ব তোমার।" লাইনটি ইনকারনেশন বইয়ের শেষ অনুচ্ছেদ থেকে নেয়া। বুঝাই যাচ্ছে দুজন মানুষের কথোপকথন হচ্ছে, একজন দায়িত্ব শেষ করে অপরজনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। ছোট বই হলেও আমার পড়তে বেশ সময় লেগেছে আর এখন আফসোস করছি, কেনো এত সময় নিয়ে পড়লাম, আবার শেষটায় যে চমক পেয়েছি তার আন্দাজ ছিলো না। পাঠক আপনারাও চমক পাবেন ইনশাআল্লাহ কাহিনী সংক্ষেপ: একজন বিজ্ঞানী খুন হয়ে গেলো তারই করা প্রজেক্টের কারণে, ভবিষ্যৎ বাণী করে গেলো অনাগত অনিবার্য ধ্বংসের। জ্ঞান-বিজ্ঞানে শীর্ষে থাকা পৃথিবীতে হঠাৎ-ই নেমে এলো গভীর অন্ধকার। ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো ক্ষমতা হাতানোর নেশায় মজে গেলো, মানবতা হারিয়ে গেলো চিরতরে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে পৃথিবীর অনেকটাই অবসবাসযোগ্য হয়ে উঠলো, বাসযোগ্য অংশ নিয়ে গড়ে উঠলো ইউনাইটেড আর্থ। যেখানে জোরপূর্বক ক্ষমতায় এসেছে রেড আর্মি যার প্রধান হায়দার মাল্লিক। সরকার নিজেদের পতন ঠেকাতে তিনটি ভিন্ন ধ্বংসাত্মক প্রজেক্ট নিয়ে কাজ চলছে হায়দার মল্লিকের ইশারায়। - প্রজেক্ট হেডিস (প্রাণঘাতী ভাইরাস ) - প্রজেক্ট হেলিওস ( মেমোরি রিজেনারেট থেরাপি ) - প্রজেক্ট এরিস ( দক্ষ, শক্তিশালী ও নিষ্ঠুর এসাসিন তৈরি করা ) প্রতিটি প্রজেক্টের উদ্দেশ্য একটি অন্যটির সাথে কানেক্টেড, পাঠক বই পড়া শুরু করলে ধীরে ধীরে বুঝতে পারবে। বইয়ের শুরুতেই হায়দার মাল্লিকের খুন হয়ে যায়, কার হাতে হয় সেটা বই থেকে জানতে পারবেন। কিন্তু খুন হওয়াতেই সবকিছু শেষ না পৃথিবীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ আসে, এই চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করবে? শক্তিশালী রেড আর্মির বিপক্ষে টু শব্দ করার সুযোগ নেই, জীবন দিয়ে তার মূল্য চোকাতে হয়। এমন সময় পৃথিবীর রক্ষাকর্তা হয়ে আসে দ্য রেবেল। লিবারেশন আর্মির সাথে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফাইটারের আর রেড আর্মির কূটনৈতিক লড়াই আর অনাকাঙ্ক্ষিত সম্মুখ যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখবে পাঠকদের। স্নাইপারধারী কেউ একজন খুন করতে চায় রেবেলকে,কারণটা জানলে পাঠক চমকে উঠবেন। মাঝে ঘটে যায় আযহার-জুলির বিয়ে,একমাত্র মেয়ে টুইয়ের জন্ম, নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকে আযহার, হ্যাটওয়ালা আংকেল টুইয়ের খুব প্রিয় হয়ে উঠে যখন দ্য রেবেল আযহারের বাসায় আশ্রয় নেয়। আর বেশি কিছু বলবো না, বাকিটা বই পড়ে জেনে নিবেন। পাঠ-প্রতিক্রিয়া: লেখকের দ্বিতীয় বই তবুও সাহস করে পড়ে ফেলেছি, তবে সময় লেগেছে বেশকিছুদিন, ছোট কলেবরের বই কিন্তু অলসতায় পড়া হয়নি, তবে এখন আফসোস দূর হয়েছে বইটা শেষ করে। গল্প বিল্ডিং এতো চমৎকার ছিলো যে বিরক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। ধীরে ধীরে গল্প পরিণতির দিকে এগিয়েছে, সাসপেন্স ধরে রেখেছে পুরোটা সময়। মনেই হয়নি এটা লেখকের কাঁচা হাতের লেখা। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোকে সময় দেয়া হয়েছে, তথ্য বিশ্লেষণ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেয়া হয়েছে। ফ্ল্যাপের অংশটুকু পড়ে পাঠক গুনাক্ষরেও ধরতে পারবে না পুরো বইয়ে কি হতে চলেছে। বইয়ের মূল চরিত্র আযহারকে বইয়ের শুরুতে পাওয়া যায় না। শেষের চিঠি আযহারের পরিচয় পাঠকদের সামনে তুলে ধরবে যা আমাকে যারপরনাই মুগ্ধ করেছে, লেখক সাসপেন্স ধরে রেখেছেন শেষ অনুচ্ছেদ অব্দি। আযহার-জুলির কেমিস্ট্রিতে সময় কম দিয়ে মূল গল্পে নজর দিয়েছে এটা খুব ভালে লেগেছে। দ্য রেবেলকে জাতির সামনে এক্সপ্রেস না করলেও পাঠকের সামনে প্রকাশটাই মূল থ্রিল ছিলো। পাঠ পর্যালোচনা: বইয়ের শুরুতেও ধ্বংসযজ্ঞ আবার শেষেও একই চিত্র৷ শুরুতে ছিলো ক্ষমতার লড়াই আর শেষটায় মুক্তির লড়াই। মাঝের সময়টুকুতে শুধু চরিত্রগুলো জানিয়ে দিচ্ছি আর বেশি কিছু বললে স্পয়লার হয়ে যাবে। ১। ড. অ্যালেক্স আরভিন- একজন বিজ্ঞানী। বইয়ের শুরু এবং শেষে এটা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। মাঝের সময়টুকুতে ওনার মৃত্যুর কারণে ওনাকে পাঠকরা খুঁজে পাবে না। সবচেয়ে বড় সিক্রেট ওনার সাথে লুকিয়ে আছে। ২। এরিস এক্স- বইয়ের কেন্দ্রীয় চরিত্র,ভয়ংকর খুনী। সরকারের হাতের পুতুল থেকে একজন দ্য রেবেল হয়ে উঠার বর্ণণা এই চরিত্রে ধারক। ৩। হায়দার মাল্লিক- রেড আর্মির প্রধান। ইউনাইটেড আর্থের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি কিন্তু নিজের বিশ্বস্ত লোকের হাতেই প্রাণ খুইয়ে বসেন। ৪। দিমিত্রি গজানভ- রেড আর্মির সাথে বিদ্রোহকারী দল ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফাইটারের প্রধান। ক্ষমতার লোভে শেষে দুর্বিষহ মৃত্যু ৫। আযহার- একজন ব্যবসায়ী, পার্শ্ব চরিত্র থেকে মূল চরিত্রে যাওয়া। নিজেকে খুঁজতে থাকে পুরোটা সময়। একটা কোড ছাড়া বাকি সব স্মৃতি যার মস্তিষ্ক থেকে মুছে গেছে তা কি আর ফিরে পাবে সে? ৬। জুলি- আযহারের স্ত্রী। অতীত থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা দম্পতি। যে কিনা বাবার খুনিকেই দেয় নিজের ঘরে আশ্রয়। বাবার খুনের বদলা নিতে গিয়েও আর নিতে পারেনি শেষে। ৭। ডা. রাহূল দেবনাথ- অন্যতম চরিত্র বইয়ের, হাসপাতালে মানুষের মেমোরি রিজেনারেট করেন। অতীত ভুলিয়ে নতুন স্মৃতি ঢুকিয়ে দেন। ড. আরভিনের বিশ্বস্ত বন্ধু। মোটামুটি প্রধানচরিত্রগুলো সম্পর্কে এই ধারণা নিয়ে যেকোনো পাঠক বইটা পড়ার আগ্রহ পাবেন।এছাড়াও নাতাশা, কিনায়া, স্যামসন, জাহেদী, লি,টুই,মালিহা বানু,গুলজার বেগ, ম্যাকেঞ্জিসহ আরও কিছু চরিত্রের সাথে পরিচয় ঘটবে বইটি পড়ার সময়। বই থেকে কিছু কথা: ১। আঁধার-নির্জনতা-মনঃসংযোগ এই তিনের মাঝে অদ্ভুত এক মেলবন্ধন রয়েছে। এই তিন উপাদান যখন একসাথে পাওয়া যায় তখন কোন কাজই আর অসম্ভব থাকে না। ২। কারাগার ও জেলখানা শব্দ দুটিকে বলা চলে মানবতাবিরোধী শব্দ। জেলখানার পরিবর্তে নাম হওয়া উচিৎ সংশোধনাগার। এই জায়গার চারদিকে কোনো দেয়াল থাকবে না, থাকবেনা কোনো লোহার ফটক। এখানে কখনোও ভীতি প্রদর্শনের জন্য কুকুর রাখা হবে না, বন্দীদের না খাইয়ে কষ্ট দেয়া হবে না। সুশিক্ষা গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। ৩। অনেকেই জেলখানাকে সভ্যতার লজ্জা হিসেবে দেখে। চার দেয়ালে ঘেরা এই অন্ধকার আবাসন মানবতার শত্রু। কিন্তু এখানে যাদেরকে আটকে রাখা হয় তারা তো অপরাধী। প্রত্যেক অপরাধী প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে মানবতার বিরুদ্ধে কাজ করছে। এদেরকে জেলখানায় আটকে রাখা মানে হচ শত্রু দিয়ে শত্রু ঘায়েল করা। এইদিকে বর্তমান সভ্য পৃথিবীতেও জেলখানার অস্তিত্ব যুক্তিযুক্ত। ৪। বিষন্নতা যখন পেয়ে বসে, মানুষের মনটা কেমন স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায় আর ভালোলাগার অনুভূতিগুলো সাময়িক বিশ্রামে যায়। ৫। ক্ষমতার লোভ হচ্ছে পৃথিবীর মানুষের কাছে সবচেয়ে ভয়ংকর নেশা। এই নেশা একবার পেয়ে বসলে মানুষকে বিবেকের দোহাই দিয়ে আটকে রাখা যায় না। ৬। ভবিষ্যতে যারা এই বিশ্বে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করার ইচ্ছে পোষণ করে তারা যেনো এই চিন্তা স্মরণে রাখে যে অতীতে যারা বাঘের পিঠে চড়ে ক্ষমতা অর্জনের বোকামি করেছিলো তারা শেষে বাঘের পেটেই গিয়েছিলো। ৭। আজ পৃথিবীতে সাদা জাতি, কালো জাতি, পিতকায় জাতি, লম্বা জাতি, খর্বাকায় জাতি এসব বলতে কিছুই থাকবে না। আমাদের আজ একটাই পরিচয়- আমরা মানব জাতি ৮। আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো একটি সৎ বিবেক। ইতিহাসই হলো আমাদের কীর্তির চূড়ান্ত বিচারক। ৯। এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ঈশ্বর, আর পৃথিবীতে শান্তি রক্ষাও ঈশ্বরের কাজ। কিন্তু ঈশ্বর পৃথিবীতে এই মহান কাজের দায়িত্ব আমাদের দিয়ে পাঠিয়েছেন। আমরা যেন আমাদের দায়িত্ব পালনে কখনোও নিরুৎসাহিত না হই সমালোচনা : ১। বইটির জনরা হিসেবে কিছু লজিক্যাল ত্রুটি চোখে লেগেছে। ভূমিকম্প রিখটার স্কেলে ১০ মাত্রা ক্রস করলেই বিশাল এলাকায় ধ্বংস হয়ে যায় কিন্তু বইয়ে ১২ মাত্রায় ক্ষয়ক্ষতি হলেও ভূমিকম্প নিরোধক দালানগুলো টিকে যায়, পরে ১৫ মাত্রায় ভূমিকম্প হলে সব ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ২। সম্মুখ লড়াইয়ে জাহেদীর মৃত্যু দেখালেও, বলা হয়েছে শহীদ জাহেদীর লোকেরা নিস্তেজ হয়ে পড়েছে তার মৃত্যুতে। আবার কিছুক্ষণ পরেই আবার দেখানো হয়েছে জিহাদী লড়াই করছে। ৩। দ্য রেবেল কাউকে প্লুটোনিক মিসাইল ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি জনগণের ক্ষতি হবে বিধায়, শেষে বাধ্য হয়ে ব্যবহার করতে হয় যা শুধুমাত্র শত্রুপক্ষকেই ঘায়েল করে তৃতীয় কেউ এই ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি, তাহলে শুরুতেই তো ব্যবহার করতে পারতো। ৪। আযহারের শারীরিক কন্ডিশন দিমিত্রিকে ধ্বংস করার মতো ছিলো না, প্রায় ১৪ ঘন্টা আইসোলেশন চেম্বারে ছিলো, বেশ কয়েকবার হুঁশ হারিয়েছিলো,এমতাবস্থায় একজন সুস্থ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা কীভাবে সম্ভব? এখানে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি লেখক। ৫। বইয়ে বেশকিছু বানান ভুলের জন্য বইটার সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে। যেমন মিসাইল/মিজাইল, জায়েদী/জাহেদী এগুলা ছাড়াও বেশ কয়েকজায়গায় ত্রুটিপূর্ণ মনে হয়েছে। সবশেষে, বইটি সুখপাঠ্য ছিলো। প্রচ্ছদটি আলাদাভাবে নজর কেড়েছে, পৃষ্ঠ সজ্জাও চমৎকার ছিলো, পেপার কোয়ালিটি, বাইন্ডিং প্রোডাকশন ভালো। থ্রীলার প্রেমী পাঠকরা বই নিশ্চিন্তে পড়ার সাজেস্ট করবো। রেটিং: ৪/৫

      By Sumya Afrin Khan

      17 Jun 2022 10:43 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      good

      By Mir Azhar Ali

      10 Aug 2021 08:27 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      উপন্যাসের শুরুর ভুমিকাটুকুই পড়েই বুঝে গেলাম আমি ঠিক যা খুজতেছি, এটা ঠিক তাই! তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভূমি যেখানে মানুষ নতুন করে পৃথিবীকে গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখছে! আমি হচ্ছি সাইফাই থ্রিলার বইয়ের অন্ধ ভক্ত, যেখানে সাইফাই পটভূমিতে দারুণ উত্তেজনা আর একশন থাকবে। আমার মনে হয় “ইনকারনেশন” এই জেনারে বাংলা সেরা বইগুলোর মধ্যে একটা হয়ে থাকবে সব সময়। শুরুতেই তুমুল উত্তেজনা! লেখক আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন এক ভাড়াটে খুনির সাথে। দারুণ এক অ্যাসাসিনেসন ও স্কেইপ প্ল্যান এর বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। এটুকু পড়ে রিডাররা সবাই কনফিউজড হয়ে যাবেন! প্রথম চ্যাপাটারের ভিলেন দ্বিতীয় চাপ্টারে হিরো হয়ে গেল। কিন্তু থার্ড অধ্যায় থেকেই উপন্যাসের মোড় গেল ঘুরে! ফুল হিট এন্ড রান একশন থেকে এক লাফে চলে এলায় অচেনা অজানা এক পাহাড়ি অঞ্চলে যেখানে “আযহার” খুঁজে ফেরে হারানো কিছুকে। (গল্পের একটা প্রধান চরিত্রের নাম আমার সাথে মিলে গেছে দেখে তাজ্জব হয়ে গেছি!) খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে যায় তার জীবনসঙ্গী জুলিকে। কিন্তু জুলির চোখে কেন বিষাদের ছায়া? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে লেখক আবার বিশাল এক একশনদৃশ্যের অবতারনা করেছেন। কিন্তু আযহারের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না কোথাও। তারপর সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য শুরু হল প্রচন্ড এক যুদ্ধ। স্থলে, আকাশে, সাগরে- সর্বত্র! কিন্তু ভাল আর মন্দের যুদ্ধ কি কখনও শেষ হয়? এই প্রশ্নের উত্তর লেখক নিজেও দেন নি। কিন্তু উপন্যাসের শেষ পাতায় দিয়ে গেছেন দারুণ এক টুইস্ট। গোটা উপন্যাস জুরেই ছোট খাট টুইস্ট রয়েছে বেশ কিছু যা আপনাকে সারাক্ষন ধরে রাখবে বইয়ের পাতায়। খালি মনে হবে- দেখি তো এরপর কি হয়? আর শেষ পাতার এই টুইস্ট আপনাকে চমকে দিবে দারুণ ভাবে! আমি অনেক কিছু ভেবে রেখেছিলাম! কিন্তু শেষে এসে দেখলাম সব ধারনাই ভুল! সত্যি অনবদ্য! কি নেই উপন্যাসে? সায়েন্স-থ্রিল-একশন-ওয়্যার-রোমান্স-এডভেঞ্চার-গভরনমেন্ট কন্সিপারেসি- সব কিছু। লেখক উপন্যাসটিকে সায়েন্স ফিকশন বলতে নারাজ, তিনি এটিকে থ্রিলার হিসেবে দেখেন। আমারও তাই মত, গতানুগতিক সায়েন্স ফিকশন এর বাইরে একদমই আলাদা স্বাদের এক উপন্যাস! বইটি নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন হয়ে থাকবে।

      By AraFat Hossain Shuvo

      03 Mar 2021 07:10 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      স্টকের অপেক্ষায় রইলাম

      By Al Mamun

      05 Oct 2018 12:51 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Ruponti Shahrin #রবিজ_রকমারি_বুক_রিভিউ_কন্টেস্ট. বাংলা কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে এমন কোনো বিদ্রোহী চরিত্র আছে যার নামটাই ''রেবেল'' বা সোজা অর্থে বিদ্রোহী? অনেকের হয়তো উত্তরটি হবে 'না', কিন্তু আমি এই দুইদিন ধরে লেখক নাজিম উদ দৌলার লেখা থ্রিলার ধর্মী বই 'ইনকারনেশন' পড়ে যারপরনাই অভিভূত।আজকে সেই সম্পর্কে একটু লিখি কেমন। আচ্ছা কেমন লাগবে যদি আপনি জানতে পারেন আপনার এখকার সব পরিচয় বৃথা।মানে এটা আপনার আসল পরিচয় নয়।আপনার রয়েছে এক অতীত।সে অতীত আপনি নিজের হাতেই বদলে দিতে চেয়েছেন বলেই আজ এই পরিণতি।আবার আপনাকে অন্য মানুষরূপে পরিবর্তন করে কেউ এক্সপেরিমেন্টের খেলা খেলছে।তারপর যদি জানতে পারেন যার কাছে থেকে আপনি সবটা জানতে পারতেন সেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে।তাও আবার দুস্কৃতিকারীদের হাতে। আপনার মাথার মধ্যে পুরোনো স্মৃতি বলতে শুধু কয়েকটা ডিজিট।পারবেন কোড ব্রেক করতে? এদিকে মানুষের মতোই কার্যক্ষম সম্পন্ন রোবট এরিস এক্স এর হাতেই মারা পড়লেন তারই তৈরিকারক বিজ্ঞানী।কিন্তু আগে থেকেই সব বুঝতে পেরে এরিস এক্স এর জন্য রেখে গেছেন একটি বিশদ মেসেজ।কিন্তু এরিস এক্স এখন দেশটির সরকারের পক্ষে কাজ করে জানতে পারে সে আছে ভুল পথে।মানব অনুভূতি সম্পন্ন রোবট কি এখন নিজের বুদ্ধিমত্তায় দেশের জন্য লড়বে নাকি খুঁজে চলবে কিছু রহস্যের সমাধানে। দেশটির প্রেসিডেন্টকে একজন রেবেল খুব করে পালিয়ে গেলো।আয্হার সাহেব তার নিজের পরিচয় জানেন না।তার নিজের কাছে মনে হতে লাগলো তিনি কি নিজেই সেই পলাতক রেবেল? ঘটনার মধ্যে সরকারের হয়ে রেড আর্মি কাজ করে চলেছে। সাধারণ জনগণকে ভয়ের ভেতর রাখতে ছড়িয়ে দিয়েছে করা যেন হেডিস নামক ভয়ানক সংক্রামক ব্যাধি।সবমিলিয়ে এই নতুন বিশ্ব এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। কে নায়ক, আর কেই বা খলনায়ক! আসল মুখোশ উন্মোচিত হলেই তবেই না জানা যাবে। আপনি তৈরী তো ? মতামত: খুব ছোট বই।থ্রিলার আসলে আরো বড় পরিসরে আলাদা অধ্যায় হলে ভালো লাগে। আমি যদিও বইয়ের বেলায় সর্বভূক, থ্রিলারের বেলায় ভুলভাল কিছু ভালো লাগে না।অতিরিক্ত টুইস্ট থাকলে একটু তো ঝামেলা আছেই যদিনা ঠিক মতো সব টুইস্ট খুলে যায়।ভালো হয়েছে অনেক চরিত্র মারা গেছে।তাতে ঝামেলা শেষ।আসল কথা তে আসি।আমার কাছে ভালো লাগছে।প্রথম দিকে অনেক মারপিট, অ্যাকশন।ছেলেদের খুব ভালো লাগবে। আমার ধৈর্য্য শেষ হয়ে যাবে যাবে ৭৮ পৃষ্ঠাতে এসে সেই নড়েচড়ে বসলাম।একদম শেষ পর্যন্ত পড়তে আর খারাপ লাগে নি। প্লট টুইস্টটা লেখক সাজিয়েছেন ভালোভাবে। বড় কথা এটা একজন বাঙালি লেখকের মৌলিক লেখা।আমাদের দেশের উঠতি থ্রিলার লেখকেরা আসলে তেমন তথ্য দিয়ে সাহায্য পাননা।তথ্য ঘাটতি বা বিপর্যয় এড়াতে পারলে তাদের লেখাগুলো একটা সম্ভাবনা।আমরা যেমন বাইরের লেখা অনুবাদ করি।একদিন এমন আসবে বিদেশিরা আমাদের লেখা থ্রিলার ছাড়া ঘুমাতেও পারবেন না, আবার পড়ার পর ঘুম হারাবেন। ভুল আছে অনেক। যেমন অনেক বিস্তারিত বর্ণনা কিন্তু এক টপিক।আবার হিলসিটি, ইউনাইটেড আর্থ এই টাইপের এলাকার বর্ণনার সাথে একটা ম্যাপ জুড়ে দিলে কিন্তু সেই লেভেলের লাগতো বইটিকে।তারপর কোথাও এক স্থানকেই একবার বাংলা নামে, অন্যত্র ইংরেজি নামে যেমন ডাকা হচ্ছে, তেমনি গল্পের চরিত্রগুলো ঠিক বাংলাদেশী নাকি বিদেশী সেটা বোঝা দুস্কর যদি আপনি কল্পনাপ্রবণ না হন তবে।খুঁটিনাটি ধরে ধরে আলোচনা করলে করা যেত অনেক কিছু।তবে আমি বলবো সেগুলো মাথায় না রেখে আপনি কল্পনা করতে পারবেন না, এমন কিছু কাহিনীর বই পড়তে চাইলে ইনকারনেশন পড়া উচিত। আধুনিক বিজ্ঞানের দুইটি চমকপ্রদ বিষয় রোবোটিক্স আর ক্লোন, এই দুই বিষয়ের চমৎকার মিশেলে এমন অনবদ্য থ্রিলার তাও বাংলাদেশের লেখকের মৌলিক কাজ, আপনাকে অবাক না করে পারবেই না। চিন্তার ভিতকে নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য এমন একটি বই আপনি অবশ্যই পড়তে চাইবেন। মাস্ট রিড।

      By Nayeem Munna

      04 Dec 2016 01:00 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েও খুন হয়ে যায় সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে মেধাবী বিজ্ঞানী ড. অ্যালেক্স আরভিন। তাও যার তার হাতে খুন না হয়ে খুন হয় নিজেরই তৈরি করা গুপ্তঘাতক 'এরিস এক্স' এর হাতে। কিন্তু নিজের সৃষ্টিকর্তাকে খুন করার পেছনে এরিসের যে কোনো হাত ছিল না সেটা বুঝতে পেরেই এরিসের হাতে তুলে দিয়ে যান গোটা ইউনাইটেড আর্থকে বাঁচানোর মূল পরিকল্পনা। হ্যাঁ, সাম্প্রতিক সরকার ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে তাদের নিজেদের সামরিক বাহিনী 'রেড আর্মি'র সহায়তায়। এই রেড আর্মি এবং সরকারের বিরুদ্ধে যেসব জনগণ বিরোধীতা করছে তাদের সহ গোটা দুনিয়াকে ধ্বংস করে নিজেদের ক্ষমতার প্রাবল্য বোঝাতে এই ভয়ংকর প্ল্যান ফেঁদেছে ইউনাইটেড আর্থের প্রধান ক্ষমতাধীনেরা। এরিস এক্স মূলত ড.আরভিনের তৈরি করা এক গুপ্তঘাতক হলেও তার মধ্যে কিছু মানবিক সত্তা এখনো জীবিত রয়েছে। আর সে মানবিকতার ডাকেই এরিস সবাইকে বাঁচানোর জন্যে এবং রেড আর্মির পরিকল্পনাকে নষ্ট করে দেয়ার জন্যে ছক কষতে লাগলো। ওদের মূল হাতিয়ার আর গোপন প্রজেক্টগুলোকে আরভিনের নির্দেশ মতোই নস্যাৎ করে দিয়ে পালিয়ে গেল এরিস এক্স। এরিস এক্সের হাতে মারা পড়লো সরকারি অত্যাচারী কারাধ্যক্ষ গুলজার বেগ। মুল ঘটনায় এবার আগমন ঘটে আযহার নামের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির যে কিনা আহত অবস্থায় হাসপাতালে শয্যা নেয়। ধীরে ধীরে সে সুস্থ হয় এবং আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। সে এবং তার স্ত্রী ও ছেলে সবাই রেবেল নামের এক বিদ্রোহীর দেশদ্রোহিতার সাথে জড়িয়ে যায়। রেড আর্মির ভাষায় রেবেলের কর্মকাণ্ড দেশদ্রোহিতার অন্তর্ভুক্ত হলেও, সাধারণ জনগণ রেবেলকে 'জাতীয় বীর' হিসেবেই দেখে। অথচ রেবেল নামের এই মানুষটির সম্পূর্ণ পরিচয়ের ব্যাপারে কেউই জ্ঞাত নয়। রেবেল কে যে শুধু রাষ্ট্রের শোষণকে আটকানোর প্ল্যানই করতে হয় না, বরং পাশাপাশি এড়াতে হয় 'ইন্ডিপেনডেন্ট ফাইটার' নামের এক ক্ষমতালোভী, কুচক্রি গোষ্ঠীকে। এদিকে আবার মূল ঘটনা থেকে এরিস এক্স যেন সম্পূর্ণ হাওয়া হয়ে যায়। ঘটনাগুলো ঘটতে থাকে রেবেলকে ঘিরে। রেবেলের সাথে আযহারের অজানা যোগসূত্র ঘটনার প্রবাহকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। তাছাড়া আযহারের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকা এক অজানা সংখ্যার রহস্যও যেন ক্রমেই ঘোলাটে হতে থাকে। রেবেলের হাতে এসে পড়ে অত্যাচারী শাসকদের থামানোর দায়িত্ব, আযহার চিন্তিত তার নিজের পরিচয়ের ব্যাপারে আর... পাঠককে ভাবায় এরিস এক্সের অন্তর্ধান আর ওদের সবার মধ্যেকার কি যোগসূত্র তার ব্যাপারে। এই নিয়েই এই অসাধারণ থ্রিলকাব্য যেন 'ইনকারনেশন'। পাঠ প্রতিক্রিয়া: আমার শেষ লাইনটিতেই অসাধারণ শব্দটি ব্যবহার করে আমার নিট প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি। এইবার একটু পোস্টমর্টেম করা যাক। ভালো লেগেছে যেসব জায়গাগুলো: ড. আরভিন কে লেখক বাঁচিয়ে না রেখে এরিস এক্সের মানবিক সত্তাকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। এই ব্যাপারটা আরভিনের মৃত্যুর কারণে একই সাথে যেমনি ট্র্যাজিক তেমনি এরিসকে স্টিমুলেট করার অভিনব পদ্ধতি হিসেবে চমকপ্রদও বটে। গল্পে ট্র্যাজেডি না থাকলে জমবে কেন? এরিস এক্সকে উধাও করে দিয়ে পাঠককে অকূল পাথারে ফেলার ব্যাপারটিও নিঃসন্দেহে চমৎকার। এরিস এক্স থেকে শুরু করে রেবেল পর্যন্ত ঘটনার বিস্তৃতি ব্যাপক। আর এর পাশাপাশি ভাষার সাবলীলতা আর অসাধারণ মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো টুইস্ট তো আছেই। যেসব ব্যাপারগুলো একটু খটকা লেগেছে: ড. আরভিনের নির্দেশে অ্যালেক্স যেই কাজগুলো করে তা একটু তাড়াতাড়িই করছিলো বলে মনে হলো। এর পাশাপাশি ঘটনা একটু লাফিয়ে গেছে। আর শেষের দিকে থাকা রেবেলের বক্তৃতাও দীর্ঘ হওয়ায় অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। আরেকটা ব্যাপার হলো, বর্ণনাভঙ্গির কারণেই হয়তোবা মাঝে এসে একটু স্পয়লার হয়ে যায় মূল ব্যাপারটা। তবে সেটা তেমন কোনো বিষয় না। তবে হ্যাঁ, এসব কিছু ছাপিয়েই কাহিনী আকাশ ছুঁয়ে ফেলায় আমার প্রতিক্রিয়াও আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে। এক কথায় অনবদ্য, অসাধারণ, রহস্য আর টুইস্টে ভরপুর এক সময় কাটাতে যাচ্ছেন আপনি যদি এই বইটি নিয়ে এখনই বসে পড়েন। বইটা আগেও পড়েছি আর এখন আরেকবার পড়ে যে কথাটা মনে হলো সেটা হচ্ছে, লেখকের 'ব্লাডস্টোন' আর 'স্কারলেট' পড়ার আগে এইটা পড়ে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। কেননা, একের পর এক তার ধাক্কার প্রাবল্য কেবল বাড়ছেই। কোনো কথা হবে না! ব্যক্তিগত রেটিং: ৪.৫/৫

      By Nafim Ul Abir

      25 Apr 2019 11:38 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইয়ের নাম: ইনকারনেশন লেখক: নাজিম উদ দৌলা জনরা: সাই ফাই থ্রিলার প্রকাশনী: আদী প্রকাশন প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০১৪ প্রচ্ছদ: নাজিম উদ দৌলা পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৫৭ পৃষ্ঠা মূল্য: ২৭০ টাকা রেটিং: ৪.০/৫.০ . জনরা পরিচিতি: সায়েন্স ফিকশন জনরার সঙ্গে আশা করি সবারই মোলাকাত হয়েছে সবার। সায়েন্স ফিকশনের উন্নত ভার্সন হলো সাই ফাই থ্রিলার, অর্থাৎ সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার। অর্থাৎ সেখানে বিজ্ঞানের কল্পকাহিনি ছাড়াও থ্রিলারের আমেজ থাকে। সাইফাই থ্রিলারের বেশিরভাগ কনসেপ্টই গড়ে ওঠে বিশাল এক ষড়যন্ত্র নিয়ে, সেই অর্থে ‘ইনকারনেশন’-কে কন্সপিরেসি থ্রিলার বললেও অত্যুক্তি হবে না। . #কাহিনি_সংক্ষেপ: আমি এমন এক পৃথিবীর কথা বলছি, যেখানে মানুষের কারণেই পৃথিবীর ওপর নেমে এসেছে স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্যোগ। ধ্বসে গেলো বিশ্বের সব স্থাপনা, মৃত্যু হলো অধিকাংশ মানুষের, শুরু হলো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আর এর মাঝেই উত্থান ঘটলো রেড আর্মির। স্বৈরাচারী এই দলটি সুকৌশলে পৃথিবী দখল করে নিলো। ব্রিটিশদের মতো ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো ইচ্ছা নেই তাদের, তারা চায় সারাজীবন পৃথিবীকে আঁকড়ে রাখতে। তাই রেড আর্মির ভেতরে বপন চলছে ষড়যন্ত্রের এক মহীরুহের বীজ... রেড আর্মির পোষা বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন হলেন বিজ্ঞানী অ্যালেক্স। রেড আর্মির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করায় তার তৈরি অ্যাসাসিন এরিস এক্স হত্যা করে গেলো তাকে। মারা যাবার পর সমস্ত সত্যি এরিস এক্সকে জানিয়ে গেলেন অ্যালেক্স। নূন্যতম মানবিক বোধ থাকায় এরিস এক্স একাই নামলো রেড আর্মির বিরুদ্ধে... এদিকে আযহার নামে এক যুবক ছুটে চলছে। তার কোনো লক্ষ্য নেই, কোনো গন্তব্য নেই। এক নিরন্তর অজানার পথে ছুটে চলছে সে। তার জীবনকে পূর্ণতা দিতে এগিয়ে এলো জুলি। দু’জনে বিয়ে করলো, জন্ম হলো তাদের সন্তানের। ঘটনাপ্রবাহ তার আগেই অনেক বেশি জটিল হয়ে গেছে। রেড আর্মির প্রেসিডেন্ট হায়দার মালিক মারা গেছে, দলের হাল ধরেছে অন্য একজন। সে খুঁজছে এরিস এক্সকে... লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা ‘দ্যা রেবেল’ আশ্রয় নিলো আযহারের বাড়িতে। কেউ তাকে খুন করতে চায়, আর সে চায় একটা কোড, যেটা শুধু আযহারই জানে। কিন্তু না, তার মাঝেই ষড়যন্ত্র আর পাল্টা ষড়যন্ত্রে ভারী হয়ে উঠলো সবকিছু। শুরু হলো আরেকটি মহাযুদ্ধ—আরেকবার ধ্বংস করার দামামা। এই ধ্বংসের খেলায় আযহার কোথায়? এরিস এক্সের অন্তর্ধানের কারণই বা কী? পৃথিবীবাসী কি পারবে তাদের সোনালী অতীত ফিরে পেতে? . #পাঠের_পোস্টমর্টেম: সুন্দর কনসেপ্ট, চিন্তাভাবনাও সুন্দর। সাবলীল লেখা, এই বিষয়টাই চোখে পড়েছে সবচেয়ে বেশি। কোনো জায়গায় একঘেয়েমিতার অবকাশ ছিলো না। খুব বড় কোনো টুইস্ট ছিলো না গল্পে, তবে কাহিনি-বর্ণনার জন্যই সুন্দর লেগেছে গল্পটা। প্রায় তিন-চার বছরের গল্পকে একসাথে বেঁধেছেন লেখক। লেখকের মুন্সিয়ানা এক্ষেত্রে দেখার মতো, একবারও তিনি হোঁচট খাননি। তাছাড়া একটা বিশ্বযুদ্ধকে কীভাবে স্বল্প কথায় বর্ণনা দিতে হয়, সেটা দেখাতে পেরেছেন তিনি। সবমিলিয়ে বেশ ভালোই। . বিস্তৃত কনসেপ্ট অনুসারে কাহিনি আরেকটু বড় হওয়ার দরকার ছিলো। এতো ছোট উপন্যাস পড়ে একটা অতৃপ্তি থেকেই যায়। তাছাড়া আযহারকে শেষের দিকে অ্যাকশনে কেন আনা হলো না বুঝলাম না। নায়ক হিসেবে অ্যাকশনে আসার অধিকার ওরই ছিলো সবচেয়ে বেশি। শেষের দিকের ঘটনাগুলো যেন হুট করেই ঘটে গেছে, যেন কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই ঘটানো হয়েছে ঘটনাগুলো। এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে, তাই ফুলস্টপ। . যাহোক, ভুলত্রুটি ক্ষমা করলে বেশ ভালোই বইটি। সাইফাই এবং থ্রিলার লাভার, উভয়ের জন্যই সুপাঠ্য বইটি। . হ্যাপি রিডিং :-)

      By 880****660

      19 May 2024 10:39 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ একটি বই।গল্পটি পড়ার সময় মনে হইছে ভবিষ্যতে চলে গেছি।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!