নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ ফজলুল হক জন্মগ্রহণ করেন ব্রহ্মপুত্রের কোলঘেঁষা ময়মনসিংহ জেলা শহরের সন্নিকটে গৌরীপুর উপজেলাধীন বারুয়ামারী গ্রামে। তাঁর পিতা মো. বদর উদ্দিন ও মাতা জান্নাতবাসিনী ফাতেমা বেগম। সাত ভাই- বোনের মধ্যে লেখক ষষ্ঠ। শৈশব কেটেছে গ্রামের দুরন্তপনার মধ্যে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী লেখক ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রি কলেজে পদার্থবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত। কন্যা ফাবিহা বিনতে হক, পুত্র ফয়জুল হক ও সহধর্মণী কোহিনূর নাহারকে নিয়ে সুখের সংসার। কোহিনূর নাহার নিজেও একজন শিক্ষক এবং তাঁরই অনুপ্রেরণায় লেখক এই বৈরী সময়েও কলম চালিয়ে যাচ্ছেন। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দশ। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ইতিকথার পরের কথা, অচেনা আপন, মেয়েটি, মানুষের মন, কেউ কথা রাখেনি ও দেহকাব্য। এছাড়া তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের উপরও লিখেছেন দুটি বই। বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধও লিখেছেন অনেকগুলো, যা জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। একসময় নিয়মিত কলাম লিখতেন মৃদুভাষী নামে। তাঁর দুটি উপন্যাসকে অবলম্বন করে চিত্রায়িত ও প্রচারিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক। কথাসাহিত্যিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি টিভি দর্শকদের কাছে একজন জনপ্রিয় নাট্যকার হিসাবে পরিচিত। বিটিভি ও বিভিন্ন চ্যানেলে তাঁর রচিত ধারাবাহিক নাটক মনময়ূরী, চেনাসুর, দশ বছর পরে, তাহাদের সুখ-দুঃখ, ধরতে হবে সুখ পাখিটা, মাটি প্রভৃতি দর্শকনন্দিত। এক ঘণ্টার অনেকগুলো নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। প্রচারের অপেক্ষায় আছে অনেকগুলো। চিত্রায়ণের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়ও আছে অনেকগুলো ধারাবাহিক ও এক ঘণ্টার নাটক। ছাত্রজীবনেই লেখক নাটক লেখার জন্যে পর পর তিনবার পাবলিক লাইব্রেরি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৫, ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ লাভ করেন। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্যে তাঁকে দেয়া হয় মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড-২০১৪। নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ ফজলুল হক জন্মগ্রহণ করেন ব্রহ্মপুত্রের কোলঘেঁষা ময়মনসিংহ জেলা শহরের সন্নিকটে গৌরীপুর উপজেলাধীন বারুয়ামারী গ্রামে ১৯৬৫ সালে। তাঁর পিতা মো. বদর উদ্দিন ও মাতা জান্নাতবাসিনী ফাতেমা বেগম। সাত ভাই- বোনের মধ্যে লেখক ষষ্ঠ। শৈশব কেটেছে গ্রামের দুরন্তপনার মধ্যে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী লেখক ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রি কলেজে পদার্থবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত। কন্যা ফাবিহা বিনতে হক, পুত্র ফয়জুল হক ও সহধর্মণী কোহিনূর নাহারকে নিয়ে সুখের সংসার। কোহিনূর নাহার নিজেও একজন শিক্ষক এবং তাঁরই অনুপ্রেরণায় লেখক এই বৈরী সময়েও কলম চালিয়ে যাচ্ছেন। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দশ। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ইতিকথার পরের কথা, অচেনা আপন, মেয়েটি, মানুষের মন, কেউ কথা রাখেনি ও দেহকাব্য। এছাড়া তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের উপরও লিখেছেন দুটি বই। বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধও লিখেছেন অনেকগুলো, যা জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। একসময় নিয়মিত কলাম লিখতেন মৃদুভাষী নামে। তাঁর দুটি উপন্যাসকে অবলম্বন করে চিত্রায়িত ও প্রচারিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক। কথাসাহিত্যিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি টিভি দর্শকদের কাছে একজন জনপ্রিয় নাট্যকার হিসাবে পরিচিত। বিটিভি ও বিভিন্ন চ্যানেলে তাঁর রচিত ধারাবাহিক নাটক মনময়ূরী, চেনাসুর, দশ বছর পরে, তাহাদের সুখ-দুঃখ, ধরতে হবে সুখ পাখিটা, মাটি প্রভৃতি দর্শকনন্দিত। এক ঘণ্টার অনেকগুলো নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। প্রচারের অপেক্ষায় আছে অনেকগুলো। চিত্রায়ণের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়ও আছে অনেকগুলো ধারাবাহিক ও এক ঘণ্টার নাটক। ছাত্রজীবনেই লেখক নাটক লেখার জন্যে পর পর তিনবার পাবলিক লাইব্রেরি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৫, ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ লাভ করেন। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্যে তাঁকে দেয়া হয় মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড-২০১৪। সমাজের অসঙ্গতি তিনি তাঁর কলমের তুলিতে সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেন একজন নির্মোহ পর্যবেক্ষকের মতো। নিজস্ব ধ্যান-ধরণা তিনি তাঁর উপন্যাসের চরিত্রগুলোর উপর কখনো আরোপ করেন না বলেই চরিত্রগুলো একদম রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েই পাঠকের কাছে হাজির হয়। একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করলে পাঠক স্বস্তি পান না। এখানেই লেখকের বিশেষত্ব।