বিদ্যুৎ কুমার দাশ জন্ম ৮ আগস্ট, রতনপুর, পটিয়া, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এবং অভিজাত পরিবারে স্বর্গীয় দীপ দাশ, মাতা শ্রীমতি লক্ষ্মী দাশ। শিক্ষা জীবন। রতনপুর ও চট্টগ্রাম বিজ্ঞান শাখা ও বাণিজ্য শাখা পেশা। লেখালেখি। প্রিয় বই, ভ্রমণ ও গান গ্রন্থ সংখ্যা : কবিতা, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, অণু-গবেষণা, ছড়া মিলে দশটি। এই আঙুল ঝড়ের হাওয়ায় (কাব্য), মেঘের পথ বেয়ে (উপন্যাস) মন পোড়া বাড়ি (কাৰা), অবেলার যৌবনে ছেলেবেলাকে দেখা (স্মৃতিকথা) শ্মশান খোলার সঙ্গিনী (কানা), বর্ণ বৈষম্য ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা (গবেষণা) গ্রহণের বিবাহ যন্ত্রণা (উপন্যাস), ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ (কাব্য) ঋভু আমার ঋতু (ছড়া ও স্মৃতিকথা), নিশি দীপমালা (কাব্য) সম্পাদক ও প্রকাশক : ছোট কাগজ পাই। অন্য বিপ্লবী বিনোদ বিহারী (সম্পাদিত) পুরস্কার পালক অ্যাওয়ার্ড ২০০৪ (কবিতায়), রবীন্দ্র অ্যাওয়ার্ড ২০১০ (লেখক), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা ২০১১ (ছোট কাগজ পান্থ সম্পাদক), রাহাত সিরাজ ফাউন্ডেশন বৃত্তি ২০০৩ (সৃজনশীল কাজকর্মে সম্মানী বৃত্তি), বিজয় স্মারক ১৪২১ (জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের উদ্দেশে নিবেদিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে 'মানবতার কবি' স্বীকৃতি দিয়ে পশ্চিম বাংলা আকাদেমীতে সমগ্র সৃজনশীল কাজকর্ম বিবেচনা করে সম্মানিত করা হয়। সম্মাননা প্রদান কমিটিতে। সভাপতি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, সম্পাদক মহাশ্বেতা দেবী ছিলেন।) স্বীকৃতি মানবতার কবি। সংস্কৃতি। রেডিও, টেলিভিশন, মঞ্চে নিয়মিত অনিয়মিত স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, উপস্থাপনা কিশোর বেলা থেকে করে যাচ্ছেন। সংস্কৃতিকর্মী হিসেবেও সফল। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কলেজ জীবনের শুরু থেকে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। সংগঠন সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের মূল দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া কবি বিদ্যুৎ কুমার দাশ 'হিন্দু ধর্মের বর্ণ-বৈষম্য ভাঙার যুদ্ধেও এক সৃজনশীল তরুণ-প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বসবাস : চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
বিদ্যুৎ কুমার দাশ : জন্ম: ৮ আগস্ট ১৯৬৯, রতনপুর, পটিয়া, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী অভিজাত পরিবারে। পিতা: স্বর্গীয় দীপক দাশ। মাতা: শ্রীমতি লক্ষ্মী দাশ। স্ত্রী: রীতা চক্রবর্তী। পুত্র: ঋভু দাশ। কন্যা: অর্নি দাশ। শিক্ষাজীবন: রতনপুর ও চট্টগ্রাম, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখা। পেশা: লেখালেখি, সাংবাদিকতা। সখ: বই, ভ্রমণ ও গান। গ্রন্থ সংখ্যা: ২২টি। পুরস্কার: পালক অ্যাওয়ার্ড-২০০৪ (কবিতা), রবীন্দ্র অ্যাওয়ার্ড-২০১০ (লেখক), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা-২০১১, (ছোট কাগজ 'পান্থ' সম্পাদক), বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম-এর প্রতিষ্ঠান রাহাত-সিরাজ ফাউন্ডেশন বৃত্তি-২০০৩, (সৃজনশীল কাজের সম্মানি বৃত্তি), বিজয় স্মারক-১৪২১ (কলকাতা), পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি সভাঘরে পুরস্কার প্রদান কমিটি, সভাপতি ছিলেন- কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। পুরস্কার প্রদান কমিটির সম্পাদক ছিলেন- কথাশিল্পী মহাশ্বেতা দেবী। লড়াকু দেশপ্রেমিক ও মানবতার কবি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। কবি শামসুর রাহমান স্মারক পুরস্কার-২০১৮, (বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হিসেবে) পুরস্কার প্রদান কমিটির সভাপতি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সম্পাদক ছিলেন সমরেশ মজুমদার। স্বীকৃতি: মানবতার কবি, ঈর্ষণীয় কবিকণ্ঠ। সাংস্কৃতিচর্চা: রেডিও-টেলিভিশন, মঞ্চে নিয়মিত- অনিয়মিত স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, উপস্থাপনা কিশোরবেলা থেকে। সাংস্কৃতিককর্মী হিসেবে সফল। বাংলা একাডমি সদস্য, শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রামের সদস্য, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনার (এফপিএবি) চট্টগ্রামের জীবন সদস্য, চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউটের জীবন সদস্য। সংগঠন: সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের মূল দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি 'হিন্দু ধর্মের বর্ণ-বৈষম্য' ভাঙার যুদ্ধেও এক সৃজনশীল তরুণ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। স্থায়ী ঠিকানা: সম্পাদক- 'পান্থ', জ্ঞান-শৈল কুঠির, জ্ঞান-শৈল সড়ক, পোস্ট: ধলঘাট, উপজেলা পটিয়া, জেলা: চট্টগ্রাম।