একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে এবং জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজ অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। কারণ একবিংশ শতাব্দীর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ দুইই আবর্তিত হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তিকে ঘিরে।
উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সিলেবাস অনুযায়ী ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ও ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের কোন দ্বিতীয় পত্র নেই, তাই শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে A পাওয়াটা একটু কঠিন। কারন বাকি সকল বিষয়ের ২টি পত্র, একটা পত্রে কম পেলে অন্য পত্র তা মিলিয়ে দিতে পারে। কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এমনটি হয় না। আবার শিক্ষার্থীরা কেবল থিওরি টপিক গুলো ভাল করে শেষ করে কিন্তু নৈর্ব্যক্তিক তেমন অনুশীলন করে না। যার কারনে নৈর্ব্যক্তিকে অনেক কম নম্বর পেয়ে A ছুটে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সৃজনশীল প্রশ্ন অনুশীলনের পাশাপাশি নৈর্ব্যক্তিকের দিকে জোর দিতে হবে।
ইকবাল আহমেদের আইসিটি বই-এর প্রতিটি টপিক এমন সিরিয়ালি সাজিয়েছেন, যাতে শিক্ষার্থীদের বেসিক লেভেল থেকে সিরিয়ালি এডভান্স লেভেলে নিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত অধ্যায়টা শেষ করে নৈর্ব্যক্তিক আলোচনা করে সৃজনশীল প্রশ্নগুলো দেওয়া হয়েছে। এই বইয়ের সিরিয়ালি একটা অধ্যায় শেষ করলে, ঐ অধ্যায়টা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, এই বইতে সকল নৈর্ব্যক্তিকের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা একজন শিক্ষার্থীকে নৈর্ব্যক্তিক বুঝার জন্যে অনেক বেশি সাহায্য করবে।
আইসিটি এক্সপার্ট (ICT Expert) বইটি রচনা ও সম্পাদনা করেছেন ইকবাল আহমেদ এবং প্রকাশনা করেছে আইপি আইটি পাবলিকেশন্স।
আইসিটি এক্সপার্ট (ICT Expert) বইটির বৈশিষ্ট্যঃ
বইটি শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি কর্তৃক সর্বশেষ পাঠ্যসূচির আলোকে বিশেষজ্ঞ শিক্ষক কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। সিলেবাসের সকল টপিক বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আইসিটি এক্সপার্ট বইতে গাণিতিক বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি অধ্যায়ের বিগত সালের বোর্ডের সৃজনশীল প্রশ্ন এবং MCQ প্রশ্ন সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া আমাদের CQ Expert এবং MCQ Expert বইয়ে বিস্তারিত সৃজনশীল প্রশ্ন এবং MCQ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আছে।