১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
সংস্কৃতির জগৎ অমূল্য। জাতি হিসেবে যাঁরাই সংস্কৃতির কদর করেছে তাদের খ্যাতি হয়েছে বিশ্বজোড়া। কেবল খ্যাতি নয়, এসেছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ ফ্রান্স। পৃথিবীর শিল্পচর্চার সুবর্ণভূমির কথা বললে এ দেশটির নাম-উচ্চারণ অনিবার্য হয়ে ওঠে।
বাংলার আদি-সংস্কৃতির ধারক লোকজ মানুষ। হৃদয়ে করে নৈমিত্তিক জীবনাচরণের অংশ হিসেবে তারা সংস্কৃতিকে ধারণ করেন। এখানে লোক-দেখানো কিংবা শহুরে কৃত্রিমতার প্রলেপ নেই। মা-মাটি, যাপন আর সৌন্দর্যবোধ আমাদের সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে হাজার হাজার বছর।
আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল নিয়ে প্রতিবছর বাংলাদেশে হাতেগোনা কিছু কাজ হয়। সম্প্রতি ঐতিহ্য-সন্ধানী লেখক কাদের পলাশ লিখেছেন গবেষণাগ্রন্থ চাঁদপুরের সংস্কৃতি লোককথা ও অন্যান্য। তথ্য সংগ্রহের জন্যে চাঁদপুরের বহু গ্রাম তাকে পরিভ্রমণ করতে হয়েছে। বিশেষত প্রান্তিক মানুষ, প্রবীণ ব্যক্তি, গ্রামীণ নারীদের কাছ থেকে তিনি তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন। চাঁদপুরের আঞ্চলিক ভাষা, লোককথা, গল্প, লোকাচার ও লোকবিশ্বাস নিয়ে যথার্থ মাঠসমীক্ষার কারণে বইটি বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্য-সমৃদ্ধ হয়েছে।
আপাত দৃষ্টিতে চাঁদপুরের সংস্কৃতি লোককথা ও অন্যান্য গ্রন্থকে চাঁদপুরের আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞান মনে হবে। ব্যাপৃত ভাবনার নিরিখে এ বইটিকে বাংলাদেশের বৃহত্তর সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের উপস্থাপকও বলা যায়। তাই বাংলার সংস্কৃতি, লোকচিন্তা ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহীদের জন্যে বইটি অপরিহার্য একটি সংগ্রহ হতে পারে।
পরিশ্রমলব্ধ কাজটির জন্যে কাদের পলাশকে আন্তরিক ধন্যবাদ। পাঠকদের কাছে বইটির সঠিক মূল্যায়ন হবে- এ প্রত্যাশা করি।
সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে এ প্রজন্মের অনন্য নাম কাদের পলাশ। তিনি একাধারে কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, লোক সংস্কৃতি গবেষক, গীতিকার, সম্পাদক, সংগঠক এবং মাঠ পর্যায়ের তুখোড় সংবাদকর্মী। কিশোর বয়সে লেখালেখির হাতেখড়ি হলেও তার সাহিত্যকর্ম পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ ২০০৭ সালে। একই বছর সাংবাদিকতায় পথ চলা শুরু হলেও ২০০৯ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে টেলিভিশনে সাংবাদিকতা শুরু করেন। বর্তমানে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৯-২০২৪ পর্যন্ত দৈনিক শপথ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক বর্তমানে পত্রিকাটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সাল থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাব ও টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। কাদের পলাশ ২০২২ ও ২০২৪ সালের গঠিত সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর-এর এডহক কমিটির সদস্য। সম্প্রতি সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর-এর মহাপরিচালক পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সাহিত্যচর্চা ও সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন করেন। (২০১৫-২০১৭) চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃক পরিচালিত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ বছর শিক্ষকতা করেন। তিনি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কাদের পলাশ চাঁদপুর শহরে স্থায়ী বসবাস করলেও তার পৈত্রিক বাড়ি কচুয়ার বাসাবাড়িয়া গ্রামে। তার লেখা গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ হয়েছে ৯টি। ‘অন্য করিডোরের ফুল’ কাদের পলাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
গল্পগ্রন্থ : দীর্ঘশ্বাসের শব্দ (২০১৭), ইচ্ছেরা উড়ে গেছে (২০১৯), মেঘ উড়ে যাওয়ার পর (২০২৪)। কাব্যগ্রন্থ : স্মৃতির স্লোগান (২০২১)। উপন্যাস : রোদে পোড়া পালিশ (২০২২)। গবেষণা/সম্পাদনা : যাপনে উদযাপনে ইলিশ (২০১৯), বিরুদ্ধ স্রোতের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (২০২০), বিস্মৃতির চাঁদপুর (২০২০), দেড়শ বছরের সাংবাদিকতা ও চাঁদপুর (২০২৩), চাঁদপুরের সংস্কৃতি লোককথা ও অন্যান্য (২০২৪), চাঁদপুরে টেলিভিশন সাংবাদিকতার চার দশক (২০২৫)।