“আরেক চরিত্রহীন”- উপন্যাসটি দিয়ে একটি সিনেমা বানানোর খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেই সবকিছু করা সম্ভব না। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সবদিক পরিপূর্ণ রাখেননি।তাই মানুষ চাইলেই সবকিছু করতে পারে না। কিংবা করা সম্ভব না।
তবে সিনেমায় তখনই পরিচালকদের ভরাডুবি হয়, যখন কোনো দূর্বল গল্প দিয়ে সিনেমা বানানো হয়। সিনেমা ফ্লপ হওয়ার মূল কারণ দূর্বল গল্প।
মূলত, আমি যে সকল উপন্যাস গুলো লিখছি, বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাতারা চাইলে সেগুলো দিয়ে অনায়াসেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারেন। বিশেষ করে আমি টিভি নাটক এবং সামাজিক ধরনের মানসম্পন্ন বাংলা সিনেমাপ্রিয় একজন মানুষ। হ্যাঁ, এ্যাকশন সিনেমাও ভালো লাগে। তবে অবশ্যই সেই সিনেমার ধারাবাহিকতা টান টান উত্তেজনা এবং রহস্যেঘেরা থাকতে হবে। তারই পাশাপাশি কড়া এ্যাকশন। আমার লেখা উপন্যাস থেকে চাইলেই সিনেমা নির্মাণ করা সম্ভব। কারণ, আমি উপন্যাসের মাঝে বিশেষ করে একটা মৌলিক কাহিনি অথবা গঠনমূলক কাহিনি তুলে ধরার চেষ্টা করি। আর সেই কাহিনি দ্বারাই সম্ভব একটা মানসম্পন্ন সিনেমা তৈরি করা। আর সেই সিনেমা দর্শকপ্রিয় হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।
আমার যদি হূমায়ূন আহমেদ-এর মতো পরিচিতি থাকতো, তবে আমি নিজেই আমার প্রকাশিত উপন্যাস দ্বারা ধাপার ধাপ চলচ্চিত্র নির্মাণ করে হূমায়ূন আহমেদ-এর মতো বিখ্যাত লেখক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা হয়ে যেতাম। তবে বাংলাদেশে আমার নামডাকের কমতি থাকতো না।
প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক কিংবা যায়যায়দিন-এর মতো দেশের শীর্ষমান পত্রিকার বিশেষ পাতায় আমাকে নিয়ে কত্তো লেখা হতো!
এখন তো আমাকে এই দেশের কেউ চিনেই না বলা যায়। অথচ আমার লেখা পাঠক পড়ামাত্রই বুঝতে পারবে, আমার লেখায় কতটা ইমোশন আছে। টুইস্ট আছে। থ্রিলারের আবির্ভাব আছে। প্রচণ্ড ড্রামা আছে। নায়কের সঙ্গে ফিলিংস আছে। সেই সাথে রহস্যঘেরা কাহিনির ধারাবাহিকতারও ব্যাপার স্যাপার আছে। যাই হোক, “আরেক চরিত্রহীন”-উপন্যাসটি পাঠককে ভালোলাগার এক গভীর কল্পনায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছি। আমার লেখা উপন্যাসগুলো পাঠকের পাশাপাশি ডিরেক্টরের দৃষ্টিও যেন আকর্ষণ করে, সে কামনা করছি।
সুনাম চৌধুরী কাশেম- সত্যিকার অর্থেই একজন সু-সাহিত্যিক। যার ক্ষুরধার চৈতন্যে যেকোনো বিষয় উপস্থাপন করেন খুব সহজেই । যা পাঠককে করে আকর্ষিত, আন্দোলিত ও উন্মোচিত। কবি কুমিল্লা জেলার, দাউদকান্দি উপজেলায় ১৯৮৫ সালে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বারেক উদ্দিন চৌধুরী, মাতা- রমিজা বেগম। তিনি কর্মব্যস্ততার মাঝেও লিখে চলেছেন অবিরত- আজীবন লিখে যেতে চান- এই ব্রতি নিয়ে লিখে চলেছেন ২০০২ সাল থেকে। ইতোমধ্যে তার অনেক বই প্রকাশ হয়েছে- যে বইগুলো পাঠক নন্দিত হয়েছে। তিনি এস. এস.সি ২০০২ ও এইচ.এস.সি ২০০৪ সালে পাস করেন। লেখক সকলের দোয়াপ্রার্থী ।