বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কিছু নাম কেবল ব্যক্তির পরিচয় নয়, বরং একটি আদর্শ এবং আগামীর স্বপ্নের প্রতিফলন। তারেক রহমান সেই পঁচাত্তর পরবর্তী প্রজন্মের এক অনিবার্য নেতৃত্ব, যিনি তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে এসে দেশের মূলধারার রাজনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছেন। এই বইটি কোনো নিছক স্তুতি নয়, বরং এক দূরদর্শী নেতার রাজনৈতিক দর্শন, আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় তার সাহসী ভূমিকার বস্তুনিষ্ঠ রূপরেখা।
শৈশব থেকে প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে গড়ে ওঠা এই ‘তরুণ তুর্কি’ কীভাবে সাধারণ মানুষের হৃদস্পন্দন অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন এবং কেন তিনি আজ কোটি তরুণের অনুপ্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু—সেই সত্যগুলোই এখানে সাবলীলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে লেখক তুলে ধরেছেন তারেক রহমানের সেই রাষ্ট্রদর্শন, যা কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার কথা বলে।
বইটি পাঠ করলে পাঠক তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের উত্থান-পতন, তার বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা সম্পর্কে এক স্বচ্ছ ধারণা পাবেন। আশা করি, বর্তমান ও অনাগত প্রজন্মের জন্য এই গ্রন্থটি আধুনিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতি বুঝতে এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে তাদের দায়িত্ব অনুধাবনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
এই তথ্যবহুল গ্রন্থটিতে দেশের জাতীয় পত্রিকার রিপোর্ট, সংবাদভাষ্য ও কারো কারো লেখা গ্রন্থস্থ করা হয়েছে আমি তাঁদের সবার কাছে কৃতজ্ঞ রইলাম।
মূলত প্রকাশক নসাস ঢাকা'-র প্রতিষ্ঠাতা ইফতেখার রসুল জর্জ।, কোনাে কোনাে গ্রন্থে তিনি তার পারিবারিক প্রিয় নাম জর্জ হায়দার ব্যবহার করেন। এছাড়া তিনি আরও একটি নাম ইরাজ হায়দার-ও ব্যবহার করে থাকেন। জন্ম ২২ জুলাই ১৯৫০ বিক্রমপুর। পড়াশােনার বিষয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান। গ্রন্থ প্রকাশনার উপর দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন চারটি। এর মধ্যে Asia Pacific Cultural Centre for UNESCO, Tokyoএর দুটি। সরকারি প্রতিনিধি দলে এবং ব্যক্তিগতভাবে অংশগ্রহণ করেছেন অসংখ্য আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলায়। ঘুরেছেন যুক্ত জার্মানী, ফ্রান্স, পােলান্ড, বুলগেরিয়া, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন, ভারত ইত্যাদি। কাজ করেছেনে লন্ডন থেকে প্রকাশিত ‘নতুন দেশ, ‘পূর্বদেশ', ও 'New Link' পত্রিকায়। বর্তমানে নতুন উদ্যোমে আবার প্রকাশনা ও লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত। প্রচুর গ্রন্থের প্রচ্ছদ শিল্পী, লেখালেখি, সংগীত, ক্রিকেট এবং খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের সাথে পরিচিত হওয়া প্রধান সখ... দেশ বরেণ্য ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত শিশু সাহিত্যিক পিতা মরহুম মােহাম্মদ নাসির আলী তার লেখার অনুপ্রেরণা। রাজনীতি, অনুবাদ সাহিত্য ও শিশু সাহিত্য তার লেখার ঠাই। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৫৩টি। এসব কাজে পুরস্কার পেয়েছেন ৬ বার। তার মধ্যে শান্তিনিকেতন থেকে প্রকাশনা সম্মাননা পদক, কমল স্বর্ণ পদক, ভারতের থেকে 'Sufi National Communal Harmony Award 2005, মুন্সিগঞ্জ ও বিক্রমপুর সমিতি থেকে বরণীয় বিক্রমপুর ১০০' পদক, নাট্য সভা কর্তৃক প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনী লেখক পদক ২০১১ এবং বিশ্ব মাদক প্রতিরােধ দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত অতীশ দীপঙ্কর গবেষণা পরিষদ সম্মাননা পদক ২০১৪ পেয়েছেন লেখক ও প্রকাশক হিসেবে।