১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
"পুতুলের ঘর" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: পুতুলের মতাে বাক্সবন্দি থাকতে চায়না নবপ্রজন্ম । ঐতিহ্য, ইতিহাস, যুদ্ধ ও সংগ্রামের গৌরব রক্ষায় যুদ্ধদিনের মতােই আজ প্রতিবাদে সােচ্চার এবং প্রতিরােধে উত্তাল জনপদ। শ্রম ও কাজের সাথে সম্পর্কহীন অর্থ চূড়ান্তভাবে জীবনের প্রয়ােজন মেটাতে পারেনা- এ উপলব্ধি নতুন করে ফিরে আসে মানুষের বােধের আঙিনায় । মানবিকতার সাথে। সম্পর্কহীন কিছু কিছু নিয়ম ও কানুনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয় মানুষ । এসব কথকতা শুনতে হবে ধৈর্য ধরে । পরিবর্তন করতে হবে মানবিকতার সাথে সাংঘর্ষিক নিয়ম ও বিধানকে । প্রত্যন্ত গ্রামের অচেনা চরিত্র ‘টকার’-এর আনন্দ ও কষ্টের যুগলবন্দি, গরিব মানুষদের প্রতি আদালতপাড়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আফাজউদ্দিনের ভালােবাসা, অনেক বছর পর কলেজের মেয়ে বিউটির সাথে দেখা হওয়ার অনুভূতি, জন্মদাতা না হয়েও এক পরিচয়হীন বৃদ্ধের বাবা হয়ে ওঠার ঘটনা অনুসন্ধান করতে হয় মহত্তর জীবনের প্রয়ােজনেই। বধ্যভূমির চত্বরে দাঁড়িয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান সুকুমাররঞ্জন । তাঁর সামনে পতাকাদন্ডে পতপত করে উড়ছে লালসবুজ পতাকা। নির্ভীকচিত্তে তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে পতাকাকে। সালাম জানাচ্ছে ছেলে-বুড়াে, কিশাের-কিশােরী, যুবক-যুবতী, তরুণ ও তরুণীরা। স্বাধীনতা ও সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী, বীর মুক্তিযােদ্ধা সুকুমাররঞ্জনকে দেখে অবনত হয় তারা বিনম্র শ্রদ্ধায় । গল্পগুলাের কাহিনি উঠে এসেছে জীবন থেকে । গ ল্প সূ চি * পুতুলের ঘর * বাবার বন্দুক * কলেজের মেয়েটি * সেই তার হাসি * বাবা * এক নম্বর রোডের এক নম্বর বাড়ি * টাকা * মোকদ্দমা বিস্কুট * টকার * প্রহরী
হারুন রশীদ এর জন্ম ২০ জানুয়ারি ১৯৬২, সিরাজগঞ্জে। পিতা- এস. এম. শাহজাহান। মা- বীণা খানম। লেখাপড়া করেছেন সিরাজগঞ্জের বি. এল. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশাগত জীবন শুরু হয় সাংবাদিকতা দিয়ে। কাজ করেছেন 'বাংলাদেশ অবজারভার'-এ। যুক্ত ছিলেন চিত্রালী, আগামী, তারকালোক, কিশোর তারকালোকসহ বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীর সাথে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি। ১৯৮৬ সালে যোগ দেন সিভিল সার্ভিসে। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে। অবসর নিয়েছেন সরকারের গ্রেড-১ কর্মকর্তা হিসেবে। লেখালেখির পাশাপাশি শৈশব থেকে নাটকের সাথে যুক্ত তিনি। বাংলাদেশের বহুল আলোচিত আরণ্যক নাট্যদলের সদস্য। অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। সিরাজগঞ্জের খ্যাতনামা নাট্য সংগঠন 'তরুণ সম্প্রদায়'-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। জাতীয় পর্যায়ের আবৃত্তি সংগঠন 'স্বরশ্রুতি'র প্রতিষ্ঠাতাদেরও একজন তিনি। নাট্যকার হিসেবে পেয়েছেন টেনাশিনাস পদক। কাহিনী ও সংলাপের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তার লেখা উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম- উপন্যাস: যুদ্ধে যাবোই, ১৪ই আগস্টের বাগানপার্টি, তিনি, শেষ বিকেলের রোদ, শোকের শহরে, ক্যায়ফা হাল; কাব্যগ্রন্থ: ইচ্ছেঘুড়ি; গল্পগ্রন্থ: পুতুলের ঘর ও প্রান্তজনের প্রভু এবং আত্মজীবনীমূলক লেখা: আমলাবেলা। হারুন রশীদ-এর লেখা উল্লেখযোগ্য মঞ্চ নাটক: রাজনেত্র, স্বপ্নপথিক, জট, জলদাস, হেফাজত, পঞ্চনারী আখ্যান, নিশিকুটুম্ব, সখিপুরপালা, বোধ, যা ছিল অন্ধকারে ইত্যাদি। বেশ কিছু পথনাটক লিখেছেন। লিখেছেন অসংখ্য টেলিভিশন নাটক।