উপμমণিকা
বিএনপি’র ১৯ দফা
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভে․মত্ব ও
জনগণের অধিকার রক্ষাই জাতীয় রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিভিন্ন সময়ে দেশের গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে,
জনগণের ভোটাধিকার হরণ হয়েছে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত
হয়েছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা
এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি) জনগণের সামনে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
এই ১৯ দফা কর্মসূচি মূলত একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র
গঠনের রূপরেখা। এতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা,
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও
স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে
প্রতিফলিত হয়েছে।
বিএনপি’র ৩১ দফা
বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজ‣নতিক, সামাজিক ও অর্থ‣নতিক সংকটের
মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। গণতন্ত্র ধ্বংস, নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া,
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং অর্থ‣নতিক ক্সবষম্য জনগণের জীবনকে
দুর্বিষহ করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র ও সমাজকে পুনর্গঠনের জন্য
একটি সুদূরপ্রসারী ও যুগোপযোগী রূপরেখা হিসেবে বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল প্রণয়ন করেছে ৩১ দফা রাষ্ট্র সং¯‥ার ও গণতন্ত্র
পুনরুদ্ধার কর্মসূচি।
এই ৩১ দফা কর্মসূচি শুধু একটি রাজ‣নতিক দলিল নয়, বরং এটি একটি
ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণের ঘোষণা। এর মূল লক্ষ্য হলো— জনগণের হাতে
রাষ্ট্রক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা
নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত শাসন কায়েম
করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
জাহাঙ্গীর শিকদার